নব্যেন্দু হাজরা: নর্থ-সাউথ মেট্রোতে প্রথম থেকেই ছিল লোকসানের বহর। আর তাই সেকথা মাথায় রেখেই ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর ভাড়া নির্ধারণ করতে চলেছে মেট্রো। চূড়ান্ত না হলেও জানা গিয়েছে, অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধাযুক্ত এই নয়া মেট্রোর ন্যূনতম ভাড়া হতে পারে ১০ টাকা। তারপর বিভিন্ন স্টেজে পাঁচ টাকা করে তা বাড়বে।
[ইনজেকশনে ভয়! সরকারি হাসপাতাল থেকে লাফ মহিলার]
মেট্রোর আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, প্রথম পর্যায়ে যে ছ’টি স্টেশনের মধ্যে ট্রেন চলবে তার জন্য পাঁচটি রেকই যথেষ্ট বলে মনে করা হচ্ছে। যাত্রাপথে থাকছে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ, সেন্ট্রাল পার্ক, সিটি সেন্টার বেঙ্গল কেমিক্যাল, সল্টলেক স্টেডিয়াম, ফুলবাগান স্টেশন। মেট্রো সূত্রে খবর, কোনওরকম দুর্ঘটনা এড়াতে প্রতি স্টেশনেই বসানো হচ্ছে প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর। এর ফলে মেট্রোর সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করার প্রবণতা এই মেট্রোয় অন্তত বন্ধ করা যাবে। তবে এরই মধ্যে ফুলবাগান স্টেশনের কাজ সময়ে শেষ হওয়া নিয়ে কিছুটা সংশয় রয়েছে। ফলে আগামী বছরের মাঝামাঝি না হয়ে পরিষেবা শুরু হতে আরও কিছুদিন দেরি হতে পারে। মেট্রো সূত্রের খবর, মাটির তলায় একমাত্র ফুলবাগান স্টেশন। বাকিগুলি মাটির ওপরে। কিন্তু স্টেশনে ভেন্টিলেশন সিস্টেমের কাজ, এয়ার কন্ডিশনিংয়ের কাজ এখনও শুরুই হয়নি। আলো থেকে শুরু করে প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর বসানো-র মতো কাজও বাকি রয়েছে। তাছাড়া রেক আসার পর কমপক্ষে দুই থেকে তিন মাস ট্রায়াল রান করাতে হবে চালকহীন মেট্রো রেকগুলোকে। ফলে সময়ে সব কাজ না হলে তা চালাতেও দেরি হবে। কেএমআরসিএলের এক কর্তা জানান, “সময়মতোই এই প্রকল্পের প্রথম ধাপের কাজ শেষ হবে এবং ট্রেন চলবে। মার্চ মাসেই প্রথমে পাঁচটি রেক আনা হবে। সেক্টর ফাইভ থেকে ফুলবাগান পর্যন্ত চলার জন্য।”
[কলকাতা বিমানবন্দরে অভিনেতা কৌশিক সেনকে হেনস্তা, গ্রেপ্তার ১]
তবে জানা গিয়েছে, মার্চের প্রথম শহরে ঢুকলেও যাত্রী নিয়ে চালকহীন মেট্রো যাত্রা শুরু করবে জুনে। বেঙ্গালুরুর কোচ ফ্যাক্টারি থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর জন্যই প্রথম ধাপের জন্য পাঁচটি রেক আনা হচ্ছে। প্রতি ট্রেনে থাকছে ছ’টি করে কোচ। আগামী বছরের জুন মাসেই সেক্টর ফাইভ থেকে ফুলবাগান পর্যন্ত ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেইমতোই প্রায় সাত কিলোমিটার দূরত্বের এই রেলপথের কাজ চলছে দ্রুত গতিতে। দিনরাত এক করে চলছে স্টেশন তৈরির কাজ। তবে চালকহীন রেক এলেও মেট্রো কর্তৃপক্ষের দাবি, যাত্রীরা যাতে ভয় না পান, সেকথা ভেবেই ট্রেনে একজন করে মোটরম্যান রাখা হবে। ধাপে ধাপে মোট ১৪টি রেক আসবে এই প্রকল্পের জন্য। মেট্রো সূত্রে খবর, দুই ট্রেনের মধ্যে কতক্ষণ অন্তর ট্রেন চালানো হবে, তা এখনও ঠিক হয়নি। এই সময়সীমা নির্ধারণ করতে একটি কন্ট্রোলিং বডি তৈরি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে চার মিনিট অন্তর ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মেট্রোর এক আধিকারিক জানান, নতুন এই রেক যে প্রযুক্তিতে তৈরি তাতে সবচেয়ে কম আড়াই মিনিট অন্তর ট্রেন চালানো যাবে। যদিও এখনই তার প্রয়োজন নেই।
[হাওড়া-কলকাতাই করিডর, রাতের ট্রেনে মদ পাচার বিহারে]
সর্বশেষ খবর
-
বদলে যাবে সোদপুর ও খড়দহ স্টেশনের নাম! রেলমন্ত্রকে প্রস্তাব মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তীর
-
অধিনায়কত্ব খোয়াচ্ছেন সূর্যকুমার, ভারতের নতুন টি-২০ অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার!
-
এই ৬ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে স্থগিত ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবা! বড় সিদ্ধান্ত দেশের বৃহত্তম উড়ান সংস্থার
-
প্রয়াত ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান কার্যনির্বাহী কর্তা নারায়ণ বসু
-
শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বরূপ বিশ্বাস, ডিম হাতে থানা ঘেরাও ক্রুদ্ধ জনতার