Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

প্রতিমা নয়, পাণিগ্রাহী বাড়িতে দেবী পূজিতা হন দেওয়ালচিত্রে

দেবীর বোধনে জমিদার বাড়িতে ভিড় করে গোটা গ্রাম।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০১৮, ১৮:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০১৮, ১৮:৫৬

options
link
প্রতিমা নয়, পাণিগ্রাহী বাড়িতে দেবী পূজিতা হন দেওয়ালচিত্রে zoom
ছবিতে পাণীগ্রাহী বাড়ির পটে আঁকা প্রতিমা। ছবি : প্রতিম মিত্র।

পুজো এসে গেল৷ পাড়ায় পাড়ায় পুজোর বাদ্যি বেজে গিয়েছে৷ সনাতন জৌলুস না হারিয়েও স্বমহিমায় রয়ে গিয়েছে বাড়ির পুজোর ঐতিহ্য৷ এমনই কিছু বাছাই করা প্রাচীন বাড়ির পুজোর সুলুকসন্ধান নিয়ে হাজির sangbadpratidin.in৷ আজ রইল      ঝাড়্গ্রামের পাণিগ্রাহী বাড়ির দুর্গাপুজোর কথা।

সুনীপা চক্রবর্তী, ঝাড়গ্রামরাত পোহালেই ষষ্ঠী। তাই দেবীর বোধনের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে ঝাড়গ্রামের পাণিগ্রাহী বাড়িতে।  ৩০০ বছরের পুজোতে এক সময় বলির প্রচলন থাকলেও ৪০ বছর আগে তা নিয়ম করে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। মূলত বলির জন্য বাছাই করা ছাগ, মেষ  পুজোর অন্তত দিন ১৫ আগে বাড়িতে আনা হত।  বাড়িতেই তাদের দেখভাল করা হত। এরপর সেই ছাগকে বলির জন্য প্রস্তুত করা হত। প্রতিপালনের পর সেই প্রাণীর বলি দেওয়াটা মানতে পারেননি জমিদার বাড়ির অনেক সদস্যই। তাই কূলপুরোহিতের সঙ্গে আলোচনা করে বলি প্রথাই তুলে দেওয়া হয়। এরপর কেটে গিয়েছে ৪০ বছর। এখন দুর্গাপুজোতে কুমড়ো বা চাল কুমড়ো বলি দেওয়া হয়।  জামবনি ব্লকের পরিহাটি অঞ্চলে পাণিগ্রাহীদের জমিদারবাড়ি দেখার মতো। ৩০০ বছর আগে ওড়িশা থেকে এই বিজরাবাঁধিতে চলে এসে জমিদারি পত্তন করেন কৃপাসিন্ধু পাণিগ্রাহী।

Advertisement

সেই বাড়িতেই শুরু হয় দুর্গাপুজো। বর্তমান বংশধররা জানিয়েছেন, কৃপাসিন্ধু পাণিগ্রাহী দেবীর স্বপ্নাদেশ পেয়েই দুর্গাপুজো শুরু করেছিলেন। পাণিগ্রাহী পরিবারে  প্রতিমার অবয়বে দেবী পূজিত হন না। পটে আঁকা দেবীই এখানে উপাস্য। তবে পুজোর শুরুতে দেবী পটেশ্বরী রূপে পাণিগ্রাহী বাড়িতে পুজো পেতেন না। তখন দেওয়ালচিত্রে দেবী পূজিতা হতেন। প্রতিবছর বিশিষ্ট চিত্রকরদের খবর দিয়ে পাণিগ্রাহী বাড়িতে নিয়ে আসা হত। পুজোর অনেক আগেই শিল্পীরা চলে আসতেন। তারপর ঠাকুর দালানের দেওয়ালে চলত প্রতিমার অবয়ব আঁকার কাজ। পুজো যত এগিয়ে আসতো ততই দেওয়ালে ফুটে উঠতেন দেবী দুর্গা। দেওয়ালচিত্র দেবী আর তার সামনে ঘট রেখে হত পুজো।  তবে একটা সময় এই নিয়মে ছেদ পড়ে। দেওয়ালচিত্র আঁকার শিল্পী অমিল হতেই পটেশ্বরী দেবীর পুজো শুরু করেন জমিদার বাড়ির লোকজন।

[এবার পুজোয় আপনিও দুর্গা কিংবা অসুর, জানেন কীভাবে?]

পাণিগ্রাহী পরিবারের পুজোতে প্রাণের টান কমেনি। তাই বনেদি বাড়ির মধ্যেই এই পুজো আটকে নেই। গোটা গ্রামের পুজো হয়ে গিয়েছে।  এখন জমিদার বাড়ির বৈভব কমেছে। কিন্তু আয়োজনের কোনও ত্রুটি হয়না আজও। তাই পুজো এলেই ধুমধাম করে উৎসবে মাতে গোটা গ্রাম।

[জানেন কেন, পঞ্চমীতে এই বাড়ির দেবীকে শিকলে বেঁধে রাখা হয়?]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.