Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬

দুঃস্থ শিশুদের নিয়ে পুজো পরিক্রমা, পরিবেশ সচেতনতার বার্তা কলেজ পড়ুয়াদের

প্লাস্টিক মুক্ত পরিবেশ গড়ার বার্তা দিলেন আয়োজকরা৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০১৯, ১৮:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০১৯, ১৮:১৩

options
link
দুঃস্থ শিশুদের নিয়ে পুজো পরিক্রমা, পরিবেশ সচেতনতার বার্তা কলেজ পড়ুয়াদের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রতিবারের মতো, এবারও দুঃস্থ ও অনাথ শিশুদের সঙ্গে নিয়ে পুজো পরিক্রমার আয়োজন করল উত্তর কলকাতার মহারাজা মণীন্দ্রচন্দ্র কলেজের সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপণ বিভাগের অধ্যাপক ও পড়ুয়ারা। মহাচতুর্থীতে নবম বর্ষে পা রাখল এই মহান উদ্যোগ৷ এসি বাসে সওয়ার হয়ে কলকাতা ও শহরতলির বেশ কয়েকটি পুজো দেখল ৭৫টি দুঃস্থ পথশিশু৷ পাশাপাশি, প্লাস্টিকমুক্ত পরিবেশ গড়ারও বার্তা দেওয়া হল এই অনুষ্ঠান থেকে৷

[ আরও পড়ুন: মানভূমে একটুকরো দক্ষিণ ভারত, ভামুরিয়ার পুজো উদ্বোধনে চমক এই বলিউড অভিনেত্রী ]

Advertisement

জানা গিয়েছে, বুধবার সকাল সকাল মণীন্দ্রচন্দ্র কলেজে উপস্থিত হয়েছিল রাজাবাজার, খান্না মোড়, মানিকতলা এলাকা থেকে ৭৫টি দুঃস্থ শিশু৷ অনুষ্ঠানের শুরুতেই তাদের হাতে নতুন পোশাক তুলে দেওয়া হয়৷ এরপর তাদের উত্তর কলকাতা ও সল্টলেকের কয়েকটি পুজো দেখাতে বেরিয়ে পড়েন সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপণ বিভাগের অধ্যাপক ও পড়ুয়ারা। নিউটাউন এএ ব্লকের পুজোর উদ্বোধনও করানো হয় এই শিশুদের হাত দিয়েই। এখানেই শেষ নয়, এই অনুষ্ঠান থেকে পরিবেশ সচেতনতারও বার্তা দেন আয়োজকরা৷ সমগ্র অনুষ্ঠানকে প্লাস্টিকমুক্ত রাখা হয়৷ এবং পরিবেশ রক্ষার বার্তা দিয়ে আগত অতিথিদের ও পড়ুয়াদের একাংশের হাতে তুলে দেওয়া হয় চারাগাছ৷ এক বছর ধরে ওই চারাগাছ সযত্নে বাড়িতে লালনপালন করতে হবে৷ পরের পুজো পরিক্রমায় ওই চারাগাছের সঙ্গে ছবি তুলে, তা পাঠাতে হবে আয়োজকদের কাছে৷ যাতে থাকছে বিশেষ পুরস্কার জেতার সুযোগ৷

[ আরও পড়ুন: নিরাপত্তার চাদরে মুড়ছে পুজোর কলকাতা, বসছে অতিরিক্ত সিসিটিভি-ওয়াচ টাওয়ার ]

কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, এই পুজো পরিক্রমার যাবতীয় খরচের অর্থের জোগান দিয়েছেন কলেজের সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন বিভাগের বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীরা, অধ্যাপক-অধ্যাপিকারা৷ কেউ নিজের হাত খরচ থেকে জমানো অর্থ তুলে দিয়েছেন৷ কেউ নিজের পুজোর খরচে কাটছাঁট করে, সেই অর্থ তুলে দিয়েছেন আয়োজকদের হাতে৷ আর নেপথ্যে থেকে যিনি এই এই সমগ্র উদ্যোগে নেতৃত্ব দেন, তিনি হলেন মণীন্দ্রচন্দ্র কলেজের সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপণ বিভাগের অধ্যাপক বিশ্বজিৎ দাস৷ তিনি বলেন, ‘‘পুজোয় একটা দিন কচিকাঁচাদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে, পড়ুয়াদের সমাজের তৃণমূল স্তরের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়াই আমাদের আসল লক্ষ্য। পাশাপাশি ওই গরিব শিশুদের মুখে একটু হলেও হাসি ফোটাতে পেরেছি আমরা। তাই কোনও নামী স্পনসর ছাড়াই বছরের পর বছর এই উদ্যোগ সফল করে চলেছি।’’

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.