সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনার স্থান থেকে বিষাক্ত বর্জ্য সরানো নিয়ে এবার প্রবল আপত্তি এসেছে। ওই বিষাক্ত যাওয়া হয়েছে মধ্যপ্রদেশের ধার জেলার পিথমপুরে। সরকারের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে স্থানীয়রা প্রতিবাদে পথে নেমেছে। শনিবার পাঁচ প্রতিবাদীর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
১৯৮৪ সালের ২ ডিসেম্বর মধ্যরাতে ইউনিয়ন কার্বাইড কারখানার বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে ঘটনার প্রথম সপ্তাহে মৃতের সংখ্যা আট হাজারে পৌঁছয়। তছনছ হয়েছিল প্রায় পাঁচ লক্ষ নাগরিকের জীবন। সম্প্রতি ইউনিয়ন কার্বাইডের সেই কারখানা থেকে বিষাক্ত বর্জ্য সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শুক্রবার সেগুলি পিথমপুরের রামকি এনভায়রো সংস্থার কমপ্লেক্সে পৌঁছলে প্রতিবাদ জানায় সেখানকার বাসিন্দারা। বিক্ষোভ আটকাতে প্রশাসন ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস)-র ১৬৩ ধারার অধীনে রামকি এনভাইরোর আশপাশে পাঁচ বা তার বেশি লোকের সমাবেশ নিষিদ্ধ করার জন্য নিষেধাজ্ঞামূলক নির্দেশ জারি করেছে।
পুলিশ সুপার মনোজকুমার সিং জানান, শান্তি বিঘ্নিত করার জন্য বিক্ষোভের ঘটনায় শুক্রবার রাতে পাঁচটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি বলেন, কিছু ক্ষেত্রে মানুষের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে।
শুক্রবার বিক্ষোভ চলাকালীন, ৫০০-৬০০ স্থানীয় বাসিন্দা রামকি গ্রুপ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড চত্বরে মিছিল করে। তবে পুলিশ ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পিথমপুর বাঁচাও সমিতির ডাকা বন্ধের মধ্যে শহরের বেশ কয়েকটি জায়গায় বিক্ষোভ চলাকালীন দুই ব্যক্তি গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহননের চেষ্টা করেন। তবে, উপস্থিত জনতা তাঁদের আটকে দেয়। দু’জনকেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
আরজিকর কাণ্ড এবার বড়পর্দায়, পরিচালনায় শঙ্কুদেব পণ্ডা, ‘অভিশপ্ত’ আগস্টেই শুরু শুটিং
-
বিশ্বজয়ের ৩ মাসের মধ্যে অধিনায়কত্ব যাচ্ছে সূর্যকুমারের, নেতৃত্বের দৌড়ে আপাতত ৩
-
দিল্লির পর বিহার, বিধ্বংসী আগুন হাসপাতালে, ঝলসে মৃত অন্তত ৪
-
কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার হুমায়ুনের, অধীর, নওশাদের উদাহরণ তুলে আদালতে যাচ্ছেন এজেইউপি নেতা
-
সাতসকালে শওকত মোল্লার বাড়িতে এনআইএ হানা, তল্লাশির আগেই ‘পলাতক’ তৃণমূল নেতা