BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

তাজপুর প্রকল্পে দশ হাজার কর্মসংস্থান, আশ্বাস অর্থমন্ত্রীর

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: August 27, 2016 12:01 pm|    Updated: August 27, 2016 12:29 pm

An Images

স্টাফ রিপোর্টার: রাজ্যের তরফে তাজপুরে বন্দর প্রকল্প চূড়ান্ত৷ এবং এখনই একাধিক বড় সংস্থা এখানে নাম লেখাতে আগ্রহী৷ আদানি, এসার, এপিজে, কে নেই? শুক্রবার কলকাতায় বন্দর ও উপকূলবর্তী এলাকার সম্ভাবনা শীর্ষক আলোচনায় তাদের প্রতিনিধিরা হাজির থেকে জানিয়ে দিলেন, এই ধরনের প্রকল্পে যথেষ্ট উৎসাহী তাঁরা৷ যদিও সরকারিভাবে কোনও প্রস্তাব রাজ্যের হাতে জমা পড়েনি৷ অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী অমিত মিত্র অবশ্য বলেছেন, “আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল কর্মসংস্থান৷ তাজপুর প্রকল্প প্রায় ১০ হাজার মানুষের কাজের সুযোগ সৃষ্টি করবে৷ এটাই বড় কথা৷ যা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বলছেন৷”

কেন্দ্র জাতীয় জলপথের মানচিত্রে রাজ্য, বিশেষ করে হলদিয়াকে ঢুকিয়ে নেওয়ার পর নদীগুলির গুরুত্বও বাড়ছে৷ তারপর তাজপুরে বন্দর হলে বদলে যাবে নদীমাতৃক রাজ্যের জলপথ ও আনুষঙ্গিক যোগাযোগের রেখা৷ কিন্তু সাগর নাকি তাজপুর? কেন্দ্রের সামান্য হলেও আপত্তি নিয়ে কী ভাবছে রাজ্য? অমিতবাবুর ব্যাখ্যা, “আমরা ইতিবাচক দিকটাই ভাবছি৷ আগামীর কথা ভাবছি৷ রাজ্যের যা গ্রোথ, উন্নয়নের যা অগ্রগতি তা স্পষ্ট করে দিয়েছে, হয়তো দু’টি প্রকল্পই সাফল্যের মুখ দেখবে৷ একটা কথা বলতে পারি, রাজ্য তাজপুর প্রকল্প দাঁড় করাবেই৷ সেখানে সমস্ত পরিকাঠামো গড়বে রাজ্য৷ জাতীয় সড়ক, রেল যোগাযোগ কাছেই৷ ড্রেজিং বড় সমস্যা নয়৷ এমনও তো হতে পারে আগামী কয়েকবছরের মধ্যে রাজ্যে আরও এমন কয়েকটি বন্দর চাই৷ ফলে সাগর, নাকি তাজপুর, এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না৷”

পশ্চিম মেদিনীপুরের তাজপুরে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নিয়ে উৎসাহ যথেষ্ট৷ প্রথম পর্যায়ে ১০ হাজার কোটি, দ্বিতীয় দফায় ৬ হাজার কোটি বিনিয়োগ হবে৷ তবে প্রকল্প সরকার নিজেই গড়বে, পিপিপি মডেলে হবে নাকি একেবারে বেসরকারি হাত ধরে মাথা তুলবে বন্দর তা ঠিক হয়নি৷ সচিব পর্যায়ের কমিটি হয়েছে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য৷ তারা সপ্তাহ খানেকের মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট দেবে৷ অমিতবাবু বলেন, “যদিও এটা ঠিক হয়েছে, জাতীয় সড়ক সংযোগকারী ১৪ মিটার চওড়া চার লেনের রাস্তা বানাবে সরকার৷ কোনও জমি অধিগ্রহণ করতে হচ্ছে না৷ এই প্রকল্প অক্সিজেন জোগাবে আনুষঙ্গিক বিভিন্ন শিল্পক্ষেত্রকে৷ যেমন জাহাজ মেরামত, ওয়ারহাউস, লজিস্টিক হাব, ফ্রেট স্টেশন গড়ে উঠবে৷” অমিতবাবু বলেন, “তাজপুর বন্দর আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প৷” আদানি গোষ্ঠীর প্রতিনিধি জয় খুরানা বলেন, “আমরা প্রকল্পে কাজ করতে উৎসাহী৷” একই কথা জানিয়ে এপিজের করণ পল বলেন, “কুলপি বন্দর গড়তেও আমরা উৎসাহী ছিলাম৷ এখন রাজ্য সেই প্রকল্প নিয়ে ফের ভাবছে৷ তাজপুরেও যুক্ত হতে চাই আমরা৷’’ পরিবহণ সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়, শিল্প সচিব কৃষ্ণ গুপ্তা বলেন, “তাজপুর প্রকল্পে কোনও সমস্যা নেই৷ জলপথ পরিবহণ এতে অনেক লাভবান হবে৷”

এদিন দ্বিতীয়ার্ধে জলপথের উন্নয়ন নিয়ে রাজ্য সরকার একটি আলোচনা সভা করে৷ আলোচনা শেষে দফতরের আধিকারিকরা জানান, পুজোর পর কলকাতা থেকে গঙ্গাসাগর, মায়াপুর বিলাসবহুল জলযান পরিষেবা (ক্যাটামেরন) শুরু হবে৷ আসন সংখ্যা হবে ৪০৷ একদিকের ভাড়া ঠিক হয়েছে ১৫০০ টাকা৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement