সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুতুল শিল্প বাংলার প্রাচীনতম শিল্পগুলির মধ্যে একটি৷ বাংলার সংস্কৃতি, পালা-পার্বণের স্বাক্ষর রয়ে গিয়েছে এই শিল্পে৷ পুতুলের মধ্যেই উঠে এসেছে পুরাণ থেকে ইতিহাস৷ রাজ্যের এই নিপুণ হস্তশিল্প গ্রাম বাংলায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসছে। যেমন, বর্ধমানের শিল্পীরা তালপাতা দিয়ে নানা রকম পুতুল নির্মাণ করেন, পশ্চিম মেদিনীপুরে ঘরে ঘরে তৈরি হয় লাক্ষার পুতুল। কিন্তু বিশ্বায়নের যুগে পুতুলের দিন যেন ফুরিয়ে এসেছে৷ ফলত, ধুঁকছে রাজ্যের পুতুল শিল্প৷ অর্থের তাগিদে নয়া প্রজন্মের শিল্পীরাও মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন এই পেশা থেকে৷ রাজ্যের এই হৃতগৌরব পুনরুদ্ধারে সক্রিয় হল সরকার৷ এই ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে শুরু হল বাংলার পুতুল কর্মশালা।
কলকাতায় আয়োজিত একটি কর্মশালায় ২০টি জেলা থেকে প্রায় ৪০জন হস্তশিল্পী অংশ নিচ্ছেন৷ প্রায় ৫০ রকমের হাতে তৈরি পুতুল এখানে প্রদর্শিত হবে। শুধু কর্মশালাই নয়, রাজ্যের উদ্যোগে এই পুতুলগুলি বিক্রি করার জন্যও নয়া পদক্ষেপ করা হচ্ছে৷ শিল্পীদের তৈরি ২৭ রকমের পুতুল গোটা রাজ্যের ৭টি বিশ্ব বাংলা স্টোরে প্রদর্শিত হবে। বাজারে এই সব পণ্যের চাহিদার কথা মাথায় রেখে একটি পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে৷ নদিয়া, মেদিনীপুর, বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, বাঁকুড়া-সহ বাংলার বিভিন্ন অংশ থেকে ৫০ জন কারিগরদের এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত করা করা হয়েছে।
প্রত্যেকটি পুতুলের গায়ে তার ইতিহাস, জায়গা, বাংলার লোকসাহিত্য, সেটি কোথাকার, শিল্পীর নাম-সহ বিস্তারিত বিবরণ থাকবে। এই পুতুলগুলির দাম শুরু হচ্ছে মাত্র ১০ টাকা থেকে৷ আবার কিছু কিছু পুতুলের দাম ধার্য হয়েছে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত। মূলত মাটি, কাঠ, স্পঞ্জ, তাল পাতা ও পাট থেকে পুতুলগুলি তৈরি হচ্ছে। বাংলার পুতুল শিল্প এই প্রয়াসে উজ্জীবিত হবে বলেই শিল্পমহলের আশা৷
সর্বশেষ খবর
-
রাজ্যে এবার বুলেট ট্রেন, দিল্লি থেকে শিলিগুড়ি পৌঁছবে মাত্র ৬ ঘণ্টায়, বড় আশ্বাস রেলমন্ত্রীর
-
জল্পনার অবসান! বিশ্বকাপ শুরুর পাঁচ দিন আগে ইরানকে ভিসা মঞ্জুর আমেরিকার
-
ইবোলা পরিসংখ্যানে আশার আলো কঙ্গোতে! বিপদ কাটেনি, সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা
-
‘রেল মানচিত্রে জুড়বে গোটা বাংলা’, নবান্নে রেলমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ‘গ্রিন সিগন্যাল’ শুভেন্দুর
-
উচ্ছিষ্ট ফুল থেকেই তৈরি হবে ধূপবাতি! রাজ্যের উদ্যোগে আশার আলো তারাপীঠ-সহ বীরভূমের বিভিন্ন মন্দিরে