২ ভাদ্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২০ আগস্ট ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

২ ভাদ্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২০ আগস্ট ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নির্বাচনের আগে থেকেই তাঁর ভূমিকা নিয়ে তৃণমূলের অন্দরেই ধন্দ তৈরি হয়েছিল৷ বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের তাঁর বাড়িতে গিয়ে লুচি-আলুর দম খাওয়ায়, তা নিয়ে চর্চাও কম হয়নি৷ দলের অনেকেই কানাঘুঁষো বলেছিলেন, তিনি বিজেপির দিকে পা বাড়িয়ে রয়েছেন৷ কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হতে ধরা পড়ল অন্যচিত্র৷ ফলাফল বিচার করে দেখা গেল, দলের প্রতি নিজের দায়িত্ব পালনে কোনও কসুর করেননি বিধাননগরের মেয়র সব্যসাচী দত্ত৷ নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে দলকে লিড দিয়েছেন তিনি৷ বরং পারফম্যান্সের গ্রাফ নিচের দিকে রয়েছে সব্যসাচীর প্রতিপক্ষ সুজিত বসুর৷ আর এই ফলাফলকে হাতিয়ার করেই নাম না করে প্রতিদ্বন্দ্বীকে কটাক্ষ করলেন বিধাননগরের মেয়র৷ সমালোচনার সুরে বললেন, ‘‘পচা আলু উতরে দিল, আর যাঁরা টাটকা আলু, তাঁরা হড়কে গেল।’’

[ আরও পড়ুন: ‘বিজেপির জন্য আরও সুখবর অপেক্ষা করছে’, মুনমুন-রিয়াকে সঙ্গে নিয়ে পোস্ট অনুপমের ]

সব্যসাচীর বাড়িতে গিয়ে যেদিন থেকে মুকুল রায় খাওয়া-দাওয়া করেছেন, সেদিন থেকেই তাঁকে ঘিরে অন্তর্ঘাতের সম্ভবনা চড়তে থাকে তৃণমূলে৷ রটে যায়, বিজেপিতে যোগ দেবেন বিধাননগরের মেয়র৷ পদ্ম শিবিরের টিকিটে বারাসত কেন্দ্রে প্রার্থী হবেন তিনি৷ তাঁকে ‘পচা আলু’  বলেও কটাক্কিষ করেন তৃণমূলের একাংশ৷ কিন্তু কোনও আশঙ্কাই সত্যি হয় না৷ ফিরহাদ হাকিম, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও সুজিত বসুর সঙ্গে বৈঠক করে তৃণমূলে থাকার কথাই ঘোষণা করেন সব্যসাচী দত্ত৷ সূত্রের খবর, এরপরেও সব্যসাচীকে তেমন একটা বিশ্বাস করতে পারেননি তৃণমূলের শীর্ষ নেতারা৷ সেজন্যই লোকসভা নির্বাচনে দলের কাজেও লাগানো হয়নি তাঁকে৷ বরং বারাসতের দায়িত্ব দেওয়া হয় সুজিত বসুকে৷ এদিন সেই ক্ষোভই সংবাদমাধ্যমের সামনে উগরে দেন সব্যসাচী দত্ত৷ জানান, “কেউ কেউ বলেছিলেন পচা আলুকে সরিয়ে রাখতে হয়। তখন মনে হয়েছিল, আমি হয়তো পচা আলু। ফল বেরোতেই দেখলাম, পচা আলু দিয়ে তরকারি করলে তার স্বাদটা ভাল হয়। যাঁরা বলেছিলেন, তাঁরা বোধহয় বুঝতে পারেননি।”

[ আরও পড়ুন: উল্টোডাঙা-বাগুইআটি রুটে ফের বন্ধ অটো, সকালের ব্যস্ত সময়ে বিপাকে যাত্রীরা ]

জানা গিয়েছে, বারাসত লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত রাজারহাট-নিউটাউন বিধানসভা কেন্দ্র, যেখানকার বিধায়ক সব্যসাচী, সেখানে ২৩ হাজারেরও বেশি লিড পেয়েছে তৃণমূল৷ নিজের বিধানসভা কেন্দ্র বিধাননগরেই দলকে লিড দেওয়াতে ব্যর্থ হয়েছেন মন্ত্রী সুজিত বসু। সেখানে ১৮ হাজারেরও বেশি ভোটে বিজেপির তুলনায় পিছিয়ে গিয়েছে তৃণমূল৷ কিন্তু তারপরেও মন্ত্রিসভার রদবদলে সুজিত বসুর দায়িত্ব বাড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ দমকলের পাশাপাশি, বনদপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাঁকে৷ এই বিষয়টিকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিধাননগরের মেয়র৷ তিনি বলেন, “যেখানে আমি থাকি, সেখানে উনি সাড়ে ১৮ হাজার ভোটে হেরেছেন। আর নিজের ওয়ার্ডেও হেরেছেন। সেই জন্য ওনার প্রমোশন হল। মানুষ রায় দিয়েছে। শুধু সাইরেন বাজিয়ে ঘুরে বেড়ালে যা হয়, তাই হয়েছে। উনি তো বারাসত লোকসভার দায়িত্বে ছিলেন। নিজের ওয়ার্ডেও জিততে পারেননি। যিনি নিজের ওয়ার্ডে জিততে পারেন না, তিনি বাংলার নেতা হন, এটাই এখন ট্রেন্ড। আগামী দিনে উনি সর্বভারতীয় নেতা হবেন।”

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং