Advertisement
Advertisement
Adhir Ranjan Chowdhury

‘মসজিদে দান মানে ভোটার হয়ে যাওয়া নয়’, মুর্শিদাবাদে বাবরি ফ্যাক্টর নয়! অকপট অধীর

১৯৯১ সালে প্রথমবার বিধানসভা নির্বাচনের লড়াইয়ে পরাজিত হলেও ১৯৯৬ সালে নবগ্রামের বিধায়ক হন। তবে উপস্থিত না হয়ে, ‘ইন অ্যাবসেনশিয়া’ আইনের মাধ্যমে বাইরে থেকেই নমিনেশন ফাইল জমা করতে হয় রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে। একান্ত সাক্ষাৎকারে পাঁচবারের কংগ্রেস সাংসদ এবং দীর্ঘদিনের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী।

Advertisement
সোমনাথ রায়
সোমনাথ রায়

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০২৬, ১৮:৫৪

link
সোমনাথ রায়
সোমনাথ রায়

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০২৬, ১৮:৫৪

options
link
‘মসজিদে দান মানে ভোটার হয়ে যাওয়া নয়’, মুর্শিদাবাদে বাবরি ফ্যাক্টর নয়! অকপট অধীর zoom

পাঁচবারের কংগ্রেস সাংসদ এবং দীর্ঘদিনের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী (Adhir Ranjan Chowdhury) এবার বিধানসভা নির্বাচনে বহরমপুরের প্রার্থী। ভোটের প্রস্তুতি নিয়ে সংবাদ প্রতিদিন ডট ইন-এর সঙ্গে একান্ত আলোচনায়।

প্রশ্ন: শেষ লোকসভা নির্বাচনের সময় বলেছিলেন- যদি আপনি হেরে যান তাহলে বাদাম বিক্রি করবেন। কথাটা নিয়ে তুমূল চর্চাও হয়েছিল। বহরমপুরবাসীর প্রতি আপনার অতিরিক্ত আস্থা, আত্মবিশ্বাস থেকেই কথাটা বলেছিলেন?
উত্তর: কখনও কখনও সাংবাদিকদের মজা করে বলতে হয় এসব। এগুলো এইভাবে ধরলে কথা বলাই মুশকিল। আমরা বাজারে চলতে ফিরতে বিভিন্ন রকম কথা বলে থাকি। কেউ যদি বলে হারলে কী করবেন? কী আর করব, বাদাম বিক্রি করব। কিছু তো একটা বলতে হবে। আমরা হিউম্যান বিয়িং, আমাদের চলাফেরার মধ্যে কত রকমের কথা থাকে। আপনি দেখবেন কোনও অনৈতিক কথা বলেছি কিনা। বাকি চলতে ফিরতে মজা, আনন্দই জীবনের অঙ্গ।

Advertisement

“আমার মতে, যতদিন না সবার নাম নিশ্চিতভাবে ভোটার তালিকায় ওঠে, ততদিন ভোট প্রক্রিয়া স্থগিত রাখা উচিত ছিল। এই দাবি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া বা নির্বাচন কমিশনের কাছে বিষয়টি তোলা উচিত ছিল। সে দৃঢ়তা, নৈতিকতা তাঁর নাই।”

প্রশ্ন: ১৯৯১ সালে প্রথমবার বিধানসভা নির্বাচনের লড়াইয়ে পরাজিত হলেও ১৯৯৬ সালে নবগ্রামের বিধায়ক হন। কিন্তু সেই সময় এলাকায় প্রচার করতে পারেননি। আজকের প্রজন্মের কাছে এই অজানা অধ্যায়টা কীভাবে তুলে ধরবেন?
উত্তর: ১৯৯১ সালে প্রথম আমি নবগ্রামে দাঁড়িয়েছিলাম। মাত্র ১০ দিন ভোটের প্রচারের সুযোগ পেয়েছিলাম। নির্বাচনের দিন যখন নবগ্রামের বুকে আমার জয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল, সেদিনের সরকার আমাকে প্রায় মেরেই দেওয়া হচ্ছিল পুলিশ, মস্তান মোতায়ন করে। সেই সময় ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ছিল না। আমাকে বুথের মধ্যে তারা ঘিরে ফেলে গোটা বুথে আগুন লাগিয়ে দেয়। তখনই সবাই বুঝে গিয়েছিল আমি বাঁচব না- সেই খবর অগ্নিস্ফুলিঙ্গের মতো ছড়িয়ে পড়ে গোটা নবগ্রামে। আমাদের কর্মীরা হতাশ হয়ে বুথ থেকে বেরিয়ে যায়। গোটা নবগ্রামে নির্বাচনী কারচুপি হয়। মাত্র ১৩০০ ভোটে আমি হারি। তারপর একটা মামলায় আমাকে ফাঁসিয়ে দেওয়া হয় এবং পাঁচ বছর আমি গোপন জীবনযাপন করতে বাধ্য হই। তারপর নির্বাচনে, আমি এখানে উপস্থিত না হয়ে, ‘ইন অ্যাবসেনশিয়া’ আইনের মাধ্যমে বাইরে থেকেই নমিনেশন ফাইল জমা করে দাঁড়িয়েছিলাম। প্রচারের তেমন কোনও সুযোগ ছিল না। ক্যাসেট বানিয়ে বাজারে, চায়ের দোকানে, এমনকী গাছে ঝুলিয়ে বাজিয়ে প্রচার করেছি- এভাবেই ১৯৯৬ সালে জিতেছিলাম। তারপর ১৯৯৯ সালে কংগ্রেস আমাকে বহরমপুর লোকসভা থেকে নির্বাচনে লড়তে বলে। তখন দলটি প্রায় ১ লক্ষ ৯৮ হাজার ভোটে হেরেছিল। আমাকে জয়ের দায়িত্ব নিতে বলা হয়। মাত্র ছয় মাস সময় পেয়েছিলাম- সাতটি বিধানসভা এলাকা, তার মধ্যে একটি বর্ধমান। কোথাও কংগ্রেসের সংগঠন ছিল না। সেই পরিস্থিতিতে ছয় মাসের ব্যবধানে ১ লক্ষ ৯৮ হাজার ভোটের ব্যবধান ঘুচিয়ে আমি ৯৬ হাজার ভোটে জিতেছিলাম। তখন থেকেই এমপি ছিলাম। ২০২৪ পর্যন্ত। ২০২৪-এ হেরেছি, তবু দল বলেছে, হারলেও থামা নয়, আবার বিধানসভায় লড়তে হবে। এতদিন বহরমপুরে লোকসভা আসনেই লড়েছি, বিধানসভায় কখনও লড়িনি।

প্রশ্ন: তারপর থেকে টানা পাঁচবার আপনি সাংসদ। প্রায় ২৫ বছরের দীর্ঘ সংসদীয় জীবন। ২০১৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা ছিলেন। সংখ্যার অঙ্কে বিরোধী দলনেতা তকমা না পেলেও কার্যত সেই দায়িত্বই পালন করেছেন। পিএসি-র মতো গুরুত্বপূর্ণ কমিটিও সামলেছেন। সেখান থেকে এবার বিধানসভায়, এটা কি নস্ট্যালজিয়া নাকি অধীর চৌধুরীর প্রত্যাবর্তন?
উত্তর: নস্ট্যালজিয়ার কোনও প্রশ্নই নেই। আমরা সংসদীয় রাজনীতিতে বিশ্বাসী। পার্টি যেখানেই দায়িত্ব দেয়, সেখানেই কাজ করি। পার্টি বলেছে সংসদীয় রাজনীতিতে থাকতে, তাই আছি। বহরমপুর থেকে দাঁড়ানো মানে এই নয় যে আমি অন্য কোথাও দাঁড়াতে পারব না। কখনও বিধানসভা, কখনও লোকসভা- এভাবেই চলেছে।

West Bengal Assembly Election: Exclusive Interview with Adhir Ranjan Chowdhury

প্রশ্ন: ‘অধীরদা দাঁড়াচ্ছেন’ শুনে বহরমপুরে অনেকেই বললেন, আপনি যেমন ছিলেন, তেমনই আছেন। তবু গতবারের পরাজয়ের পর আপনাকে আক্ষেপ করতে দেখা গিয়েছে। শোনা যায়, এখানকার হিন্দু ভোটার নানা কথায় প্রভাবিত হয়ে আপনাকে বিশ্বাস করতে পারেননি- আপনি কীভাবে দেখছেন বিষয়টা?
উত্তর: এটা শুধু বহরমপুরে নয়, গোটা মুর্শিদাবাদ জুড়েই ঘটেছিল। আমাকে হারানোর জন্য পরিকল্পিতভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই ভোট চলাকালীন যখন নির্বাচনের প্রচার চলছে তখন বহরমপুর লোকসভার শক্তিপুর এলাকায় দাঙ্গা লাগিয়েছিলেন ২০২৪-এর রামনবমীর দিন। আমি থামানোর চেষ্টা করি। যখন থামল, হিন্দু-মুসলমানের বিভাজন যখন সম্ভব হল না, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নিজের দলের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে দিয়ে বলালেন, মুর্শিদাবাদে ৭০ ভাগ মুসলমান ৩০ ভাগ হিন্দু। মুসলমান যদি মনে করে সব হিন্দুকে মেরে গঙ্গায় ভাসিয়ে দিতে পারে। তার এই বক্তব্যটাকে ক্যাসেট করে ভিডিও করে হিন্দু গ্রামে গ্রামে পৌঁছে দেওয়া হল। হিন্দুদের বলা হল হিন্দুরা এক হও আর উপায় নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের দলকে ব্যবহার করে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন, যে হিন্দু ভোট আগে আমি পেতাম, তা বিজেপির দিকে সরে যায়। তাঁর হিসাব ছিল- মুসলিম প্রার্থী, মুসলিম ভোট পাবেই, আর হিন্দু ভোট বিজেপির দিকে চলে যাবে। ফলে ২০১৯ সালে যেখানে বিজেপি প্রায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার ভোট পেয়েছিল, চব্বিশে তা বেড়ে প্রায় দেড় লক্ষের কাছাকাছি হয়ে যায়। সেই কারণেই শেষ পর্যন্ত আমি হেরে যাই। আমার মতে, এটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনীতির ধরন। আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি, মানুষ আজ না হোক কাল বুঝবে। বিজেপি যে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করে, তা সবাই জানে, কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও আড়ালে সেই একই রাজনীতি করেন- এটাই তাঁর আসল চেহারা।

প্রশ্ন: আপনি তো খুবই গুরুতর অভিযোগ তুলছেন। সাধারণভাবে সবাই মনে করে তৃণমূল আর বিজেপি মুখোমুখি লড়াই করছে, কিন্তু আপনি বলছেন- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূলই আপনার হিন্দু ভোট বিজেপির দিকে সরিয়ে দিয়েছে।
উত্তর: হ্যাঁ, এটা তো সবাই জানে। তাঁর দলের বিধায়ক নিজেই তা স্বীকার করেছেন। আমার আলাদা করে বলার কিছু নেই। তিনি যে মন্তব্য করেছেন, তার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনও নিন্দা করেননি। যেদিন দাঙ্গা হয়েছিল, সেদিনও তিনি নীরব ছিলেন। আমার মতে, এই ঘটনার জন্য সবচেয়ে বড় অপরাধী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে।

“আমি যেখানে থাকি না কেন, আমার জেলা বা রাজ্যের মানুষ যদি কোথাও বিপদে পড়ে এবং সেই খবর যদি আমার কাছে আসে, আমি সাহায্য করার চেষ্টা করি। আমি যখন ভোটে দাঁড়াই, তখন বলি মানুষের সেবা করার জন্য, তাদের পাশে থাকার জন্যই লড়ছি। কখনও বলি না, ভোট না দিলে সাহায্য করব না।”

প্রশ্ন: বিভিন্ন জায়গায় পরিযায়ী শ্রমিকরা সমস্যায় পড়লে উত্তরপ্রদেশ থেকে ওড়িশা, সব জায়গায় আপনার সক্রিয় ভূমিকা চোখে পড়েছে। আপনি নিজে ছুটে গিয়ে, স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সাহায্যের ব্যবস্থা করেছেন। স্থানীয়দের নিয়ে এবারের নির্বাচনে আপনি কতটা আত্মবিশ্বাসী?
উত্তর: আমি স্থানীয় না, বাংলার লোকের জন্য করি। কোভিডকালে মুর্শিদাবাদে আসতে পারিনি। দিল্লিতে বসে হাজার হাজার মানুষকে খাওয়ার ব্যবস্থা করেছি। বাস, ট্রেনের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। কোভিডের সময় ট্রেন ঢুকতে দিচ্ছিল না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমি ট্রেন ব্যবস্থা করেছিলাম যাতে কেরল, বম্বে, অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে লোক ফিরে আসতে পারে। রাজস্থানে আটকে পড়া ছাত্রছাত্রীদের বাসে পাঠিয়েছিলাম। আর এখানকার তৃণমূল কী করল- কেন্দ্র থেকে আসা সরকারি চাল তৃণমূলের নেতারাই বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিয়েছেন, কারণ ব্যবস্থাটা তাদের হাতেই ছিল। বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে যে অধীর কিছু করেনি, সব কাজ তৃণমূলই করেছে। দেখুন, আমি যেখানে থাকি না কেন, আমার জেলা বা রাজ্যের মানুষ যদি কোথাও বিপদে পড়ে এবং সেই খবর যদি আমার কাছে আসে, আমি সাহায্য করার চেষ্টা করি। আমি যখন ভোটে দাঁড়াই, তখন বলি মানুষের সেবা করার জন্য, তাদের পাশে থাকার জন্যই লড়ছি। কখনও বলি না, ভোট না দিলে সাহায্য করব না।

প্রশ্ন: বিজেপিশাসিত অঞ্চলে পরিযায়ী শ্রমিকদেরও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। আপনার জেলাতেও প্রচুর পরিচয়ী শ্রমিক রয়েছে, তারা আপনার এই ইলেকশনে কতটা ফ্যাক্টর?
উত্তর: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনও পরিযায়ী শ্রমিকদের দিকে তেমন নজর দেননি। তাদের ভালোমন্দ নিয়েও ভাবেননি। এই সমস্যা নতুন নয়। কোভিডের সময়ও আমরা একই পরিস্থিতি দেখেছি। তখনই আমি বলেছিলাম, পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য আলাদা বোর্ড গঠন করা উচিত, তাদের আইডেন্টিটি কার্ড দেওয়া উচিত, যাতে বিপদের সময় তাদের পাশে দাঁড়ানো যায়। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার সেই উদ্যোগ নেয়নি। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চোখের জল ফেলবে, কলকাতায় বসেই কাঁদবে। যেখানে মানুষ সত্যি বিপদে পড়েছে, সেখানে যাবে না- বরং দূরে বসে নাটক করবে, কুমিরের কান্না কাঁদবে, শুধু ভোট পাওয়ার জন্য।

প্রশ্ন: আপনার জেলায় ২২টি আসন। সেই আসনগুলিতে আপনার মতামতের বাইরে গিয়েও প্রদেশ নেতৃত্ব কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও শোনা যাচ্ছে। অনেকে আবার বলছেন- অধীর চৌধুরী মহিরুহের তলায় চাপা পড়ে যেতে পারে।
উত্তর: আমি এসব মন্তব্য করতে রাজি না। কারণ আমি ওই ধরনের রাজনীতি করি না। আমি পার্টিকে ভালোবাসি, আমি পার্টির একজন সৈনিক, বাকি আমি জানি না।
প্রশ্ন: এসআইআর এর প্রভাব কতটা পড়তে চলেছে?
উত্তর: আমি নিজে অত্যন্ত বিচলিত। এসআইআরের জন্য যারা ভোট দিতে পারবে না তাদের প্রতি অন্যায় করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন আর রাজ্যের টানাপোড়েনে একদিকে নাম বাদ পড়ছে, অন্যদিকে সহযোগিতা না করে বিষয়টাকে আরও জটিল করা হচ্ছে। মমতা ব্যানার্জি বলেছিলেন যতক্ষণ পর্যন্ত না সকলের নাম উঠবে, ততক্ষণ নাকি তিনি অপেক্ষা করবেন। সকলের শেষে নাকি তিনি তার নাম তুলবেন। তিনি সবথেকে আগে তুলে ফেলেছেন। ভোটাধিকার কারও কেড়ে নেওয়ার অধিকার নেই। এটা সাংবিধানিক অধিকার। কিন্তু বাংলায় সেই অধিকার ঠিকমতো রক্ষা হচ্ছে না। আমার মতে, যতদিন না সবার নাম নিশ্চিতভাবে ভোটার তালিকায় ওঠে, ততদিন ভোট প্রক্রিয়া স্থগিত রাখা উচিত ছিল। এই দাবি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া বা নির্বাচন কমিশনের কাছে বিষয়টি তোলা উচিত ছিল। সে দৃঢ়তা, নৈতিকতা তাঁর নাই।

প্রশ্ন: মাত্র ২৫ কিলোমিটার দূরে বাবরি মসজিদ তৈরি হচ্ছে। আপনার এলাকায় সংখ্যালঘুদেরও যথেষ্ট উপস্থিতি রয়েছে- এটা কোনও ফ্যাক্টর হবে?
উত্তর: এখানকার মানুষ পলিটিক্যালি ভোট দেয়। বাবরি মসজিদ যখন হবে, লক্ষ লক্ষ মানুষ সেখানে যাবে। ধর্মপ্রাণ মানুষ তো মসজিদে যাবেই। মসজিদ দেখতে যাওয়া, মসজিদে দান করা মানে ভোটার হয়ে যাওয়া নয়।
প্রশ্ন: শোনা যাচ্ছে মুর্শিদাবাদ, মালদহ, উত্তর দিনাজপুর- এই তিনটে জেলাকে মেন ফোকাস করছে দিল্লি। এই তিনটে জেলা থেকে মোটামুটি কতগুলো সিট পাবেন?
উত্তর: দেখতে হবে, মুর্শিদাবাদ, মালদহ, দিনাজপুর, পুরুলিয়া- এই চারটে জেলায় আমাদের ফোকাস আছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.