বাংলায় ভোটের (WB Assembly Election 2026) আবহে ফের সক্রিয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের অন্যতম কর্তা প্রতীক জৈনের স্ত্রী বারবি জৈনকে তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তলব করা হয়েছে তাঁর ভাই পুলকিত জৈনকেও। সোমবার রাতেই আইপ্যাকের অন্যতম ডিরেক্টর ভিনেশ চান্ডেলকে গ্রেপ্তার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এরপরেই সংস্থার আরও এক কর্তা প্রতীকের স্ত্রী এবং ভাইকে তলব করা হল। ভোটের মুখে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সক্রিয়তার পিছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র আছে বলে দাবি শাসকদল তৃণমূলের।
এই বিষয়ে আরও খবর
সংবাদ সংস্থা এএনআই’য়ের খবর অনুযায়ী, আইপ্যাক মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত ‘হাওয়ালা লেনদেন’র অভিযোগে আগামিকাল অর্থাৎ বুধবার পুলকিত জৈন এবং বার্বি জৈনকে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। দিল্লিতে ইডির সদর দপ্তরে তাঁদের দু’জনকে হাজিরা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ইডির এক আধিকারিককে উদ্ধৃত করে এএনআই জানিয়েছে, পিএমএমএ (অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন) এর মামলায় বার্বি এবং পুলকিতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। উল্লেখ্য, প্রতীক জৈনের ভাই পুলকিত ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের সঙ্গে যুক্ত।
বলে রাখা প্রয়োজন, দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদের পর দিল্লি থেকে আইপ্যাক ডিরেক্টর ভিনেশ চান্ডেলকে গ্রেপ্তার করে ইডি। আধিকারিকরা জানান, অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনে চান্ডেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর রাতেই তাঁকে পাতিয়ালা হাউস কোর্টে পেশ করে ১০ দিনের হেফাজতে নিয়েছে ইডি। আইপ্যাক রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা। বিধানসভা ভোটের দিন দশেক আগে তাই সংস্থার ডিরেক্টরের এই গ্রেপ্তারি খবরে ষড়যন্ত্র দেখছে শাসক শিবির। এনিয়ে সোমবার রাতেই সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে কার্যত ফুঁসে উঠেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মতে, ‘ইডির এই পদক্ষেপে স্পষ্ট বার্তা, যদি বিরোধীপক্ষে কাজ করেন, তাহলে পরবর্তী টার্গেট আপনিই।’
The Enforcement Directorate has issued summons to Pulkit Jain and Barbie Jain, wife of Pratik Jain, on April 15 at its headquarters in Delhi in connection with ‘hawala transactions’ linked to the I-PAC case. Pulkit Jain is the brother of Pratik Jain, co-founder and director of…
— ANI (@ANI) April 14, 2026
এক্স হ্যান্ডলে দীর্ঘ পোস্টে অভিষেক আরও লিখেছেন, রাজ্যে ভোটের মাত্র ১০ দিন বাকি। সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের লক্ষ্যে এগোচ্ছেন রাজ্যবাসী। এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আইপ্যাক ডিরেক্টর ভিনেশ চান্ডেলের গ্রেপ্তারি গণতন্ত্রের উপর আঘাত। সর্বোপরি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা দ্বিচারিতাও একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। বড় বড় আর্থিক কেলেঙ্কারিতে যাঁরা অভিযুক্ত, তাঁদের রক্ষাকবচ দিয়ে সুকৌশলে বিরোধী রাজনৈতিক দল এবং তাদের সঙ্গীদের উপর কঠোর পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের। বলে রাখা প্রয়োজন, এর আগে কয়লা পাচার মামলায় আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। যা নিয়ে তোলপাড় হয় রাজ্য-রাজনীতি।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
ভরা আষাঢ়েও ঘর্মাক্ত বাংলা, হাঁসফাঁস গরমে নাজেহাল রাজ্য! ঝেঁপে বৃষ্টি নামবে কবে?
-
‘ইনস্টাগ্রামে আমরাই সবচেয়ে জনপ্রিয় জুটি’, জি-৭ বৈঠকে মোদি সাক্ষাতে মিষ্টি হাসি মেলোনির
-
বেপরোয়া ইজরায়েল! ট্রাম্পের সতর্কবার্তা উড়িয়ে লেবাননে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, মৃত ৪
-
পুষ্পাকে পুলিশের হাত থেকে ‘অপহরণে’র ছক কষে গ্রেপ্তার ৮ অনুগামী, র্যাডারে জাহাঙ্গিরের স্ত্রীও
-
‘পল্টুদা হ্যাটট্রিক করেছে, এবার তো বেরিয়ে আসুন’, মেসি গোলের রেকর্ড ছুঁতেই অরূপকে খোঁচা শতদ্রুর
নিবেদিত






