Advertisement
Advertisement
Anubrata Mondal

‘চড়াম-চড়াম’ ধ্বনি উধাও! অনুব্রত বললেন, ‘গণনার দিন রবীন্দ্রসঙ্গীত, নজরুলগীতি বাজান’

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে খোঁচা দিয়ে প্রচারে বলছেন, 'রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজেও বাজিয়ে দেবেন।'

দেব গোস্বামী
দেব গোস্বামী

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ২০:৩৪

link
দেব গোস্বামী
দেব গোস্বামী

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ২০:৩৪

options
link
‘চড়াম-চড়াম’ ধ্বনি উধাও! অনুব্রত বললেন, ‘গণনার দিন রবীন্দ্রসঙ্গীত, নজরুলগীতি বাজান’ zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

বীরভূমের মাটিতে চড়াম-চড়াম, গুড় বাতাসা, মিছরির দিন শেষ! ছাব্বিশের নির্বাচনে একমাত্র লাভপুর আর খয়রাশোল ছাড়া কোথাও কোনও রাজনৈতিক সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়নি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া তত্ত্ববধানে শান্তিপূর্ণ ভোট (Bengal Election 2026) হয়েছে। এমনকী বীরভূমের প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের মন্তব্য ছিল, ‘এমন ভোট আগে দেখিনি।’ এবার ভোটগণনার দিন তিনি রবীন্দ্রসঙ্গীত, নজরুলগীতি বাজানোর বার্তা দিলেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)।

গত ২৩ তারিখ প্রথম দফায় ভোট হয়েছে বীরভূমের ১১ আসনে। এবার সেখানে ১১-০ করতে মরিয়া তৃণমূল নেতৃত্ব। এই পরিস্থিতিতে শান্তিপূর্ণ ভোটের পর অনুব্রত বলেন, ‘‘বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বজায় রাখতে এই দুই গীত বাজবে।” এর আগে বারবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রচারে বেরিয়ে বিজেপির খোঁচা দিয়ে বললেন, ‘রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজেও বাজিয়ে দেবেন।’

Advertisement

অনুব্রত বলেন, ‘‘আমার বক্তব্যকে কাটছাঁট করে পালটে দেওয়া হয়েছে। আমি বলেছিলাম প্রথম দফার ভোটে ১৫২টি আসনের মধ্যে তৃণমূল ১৩০টি পাবে। বিজেপি পাবে মাত্র ১৫টি থেকে ২০টি আসন। এবারের ভোটে ৯৫ থেকে ৯৮ শতাংশ পোলিং হয়েছে, যা আগে কখনও দেখা যায়নি। সাধারণত কিছু শতাংশ ভোট পড়ে থাকে, কিন্তু এবার কাউকে আলাদা করে ভোট দিতে ডাকতে হয়নি। পরিযায়ী শ্রমিক-সহ বাইরে থাকা অনেকেই ফিরে এসে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন।আমার ভিডিও ইচ্ছাকৃতভাবে এডিটিং করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।”

শুক্রবার বোলপুরের জেলার তৃণমূল কার্যালয়ে অনুব্রত বলেন, ‘‘আমার বক্তব্যকে কাটছাঁট করে পালটে দেওয়া হয়েছে। আমি বলেছিলাম প্রথম দফার ভোটে ১৫২টি আসনের মধ্যে তৃণমূল ১৩০টি পাবে। বিজেপি পাবে মাত্র ১৫টি থেকে ২০টি আসন। এবারের ভোটে ৯৫ থেকে ৯৮ শতাংশ পোলিং হয়েছে, যা আগে কখনও দেখা যায়নি। সাধারণত কিছু শতাংশ ভোট পড়ে থাকে, কিন্তু এবার কাউকে আলাদা করে ভোট দিতে ডাকতে হয়নি। পরিযায়ী শ্রমিক-সহ বাইরে থাকা অনেকেই ফিরে এসে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন।আমার ভিডিও ইচ্ছাকৃতভাবে এডিটিং করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।”

অনুব্রত আরও জানান, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় ভোটের ফলাফল সম্পর্কে একটি ধারণা আগে থেকেই করা যায়। বীরভূম জেলার নলহাটি বিধানসভা কেন্দ্রে সর্বাধিক লিড মিলবে। পাশাপাশি সাঁইথিয়া ও ময়ূরেশ্বরে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার ভোটে এগিয়ে থাকবে তৃণমূল। বোলপুরে প্রায় ৬০ হাজার ভোটে জয় মিলবে। সিউড়িতেও প্রায় ২০ হাজার ভোটের ব্যবধানে হবে। জেলার শহরাঞ্চল থেকেও এবার লিড বাড়বে। বীরভূমের ১১টি বিধানসভা কেন্দ্রের সবকটিতেই তৃণমূল জয়লাভ করবে। রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের আসন সংখ্যা আড়াইশোয় পৌঁছবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.