এসআইআর পরবর্তী বাংলার ভোটে মতুয়াগড় হটস্পট। সেই বাগদায় এবার রাজনৈতিক লড়াই যেন ঢুকে গিয়েছে পরিবারের অন্দরে। ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়ির মেয়ে বনাম বউমার লড়াই। মেয়ে মধুপর্ণা ঠাকুর তৃণমূলের ‘সৈনিক’। বউমা সোমা ঠাকুর তাঁর স্বামীর পথ অনুসরণ করে লড়ছেন বিজেপির হয়ে। হলফনামা ইতিমধ্যে জমা দিয়েছেন দু’জনেই। সম্পত্তির নিরিখে কে কার থেকে এগিয়ে, তা নিয়ে চলছে জোর চর্চা।
এই বিষয়ে আরও খবর
হলফনামা অনুযায়ী, বাগদার তৃণমূল প্রার্থী মধুপর্ণা ঠাকুরের মনোনয়ন জমার সময় হাতে ছিল নগদ ৩২ হাজার ৫২০ টাকা। একাধিক ব্যাঙ্কে রয়েছে অ্যাকাউন্ট। ২ লক্ষ ৬৫ হাজার ১০ টাকা রয়েছে তাঁর ব্যাঙ্কে। ১৩৮.৬২ গ্রাম গয়নার মালিক মধুপর্ণা। যার বাজারদর ১৯ লক্ষ ৯১ হাজার ৯৭০ টাকা। মোট ২২ লক্ষ ৮৯ হাজার ৫০১ টাকার অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে তাঁর।
স্থাবর সম্পত্তি হিসাবে ২টি কৃষিজমি রয়েছে তার। যার বর্তমান বাজারদর ১০ লক্ষ টাকা। ২২ লক্ষ ৬২ হাজার ৮১০ টাকার দু’টি বাড়ি রয়েছে মধুপর্ণার। মোট ৩২ লক্ষ ৬২ হাজার ৮১০
টাকার অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে তাঁর। মমতাবালা ঠাকুরকন্যা মধুপর্ণা চব্বিশের উপনির্বাচনে বাগদা থেকে প্রার্থী হন। জিতেও যান। তাঁর উপরেই ফের বিধানসভা নির্বাচনে (Bengal Election 2026) আস্থা রেখেছে শাসক শিবির।

এবার নজর রাখা যাক শান্তনু জায়া সোমা ঠাকুরের সম্পত্তির পরিমাণের দিকে। হলফনামা অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের স্ত্রী সোমা ইতিহাসে মাস্টার্স ডিগ্রি পাশ। জীবিকা হিসাবে তিনি নিজেকে সমাজকর্মী এবং ‘গুরু মা’ হিসাবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ নেহাত কম নয়। মনোনয়ন জমার সময় তাঁর হাতে নগদ ছিল ৪০ হাজার ২৫০ টাকা। ব্যাঙ্কে রয়েছে ১ লক্ষ ৬ হাজার ৪০৭। তাঁর ব্যক্তিগত গাড়ি নেই। ৭০ গ্রাম গয়নার মালিক সোমা। যার বর্তমান বাজারদর ১ লক্ষ ৯৩ হাজার ৮২৩ টাকা। স্বামীর সঙ্গে ৮৬ হাজার ৯০০ টাকার যৌথ ঋণ রয়েছে তাঁর। সবমিলিয়ে তাঁর অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৩ লক্ষ ৪০ হাজার ৪৮০ টাকা। স্থাবর সম্পত্তি হিসাবে কোনও জমি নেই। ২ কাঠা ৪ ছটাকের যৌথ মালিকানাধীন বাড়ি রয়েছে। যার বাজারদর ১ লক্ষ ৯ হাজার ৩৩।

স্বামী শান্তনু ঠাকুরের সম্পত্তির পরিমাণ সোমার চেয়ে বহু গুণ বেশি। স্ত্রীর মনোনয়ন জমার সময় তাঁর হাতে ছিল নগদ ৬০ হাজার ৫১৫ টাকা। একাধিক ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্টে রয়েছে তাঁর। বিনিয়োগ করেছেন কিছু। ১ কোটি ২৯ লক্ষ ৯৯ হাজার ৪৩ টাকা ব্যাঙ্ক রয়েছে শান্তনুর। ২টি গাড়ি রয়েছে তাঁর। ২৫০ গ্রাম গয়নার মালিক। যার বাজারদর ১৮ লক্ষ ৩ হাজার ৭৫০ টাকা। যৌথ ঋণ রয়েছে ৮৬ হাজার ৯০০ টাকা। সবমিলিয়ে তাঁর মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ১ কোটি ৬৬ লক্ষ ২৩ হাজার ৩০৮ টাকা। স্থাবর সম্পত্তি হিসাবে জমি নেই। ২ কাঠা ৪ ছটাক জমিতে তৈরি যৌথ মালিকানাধীন বাড়ি রয়েছে তাঁর। বাজারদর ১ লক্ষ ৯ হাজার ৩৩ টাকা। ননদ নাকি বউদি, ছাব্বিশের নির্বাচনে কে জয়ের হাসি হাসে সেদিকেই আপাতত নজর সকলের।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
প্রথমবার নেহরু টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন, হকিতে ভারত জয় পুরুলিয়া সৈনিক স্কুলের
-
হকার উচ্ছেদ ঘিরে কৃষ্ণনগর স্টেশনে ধুন্ধুমার! পুলিশের সঙ্গে বচসা, হাতাহাতি সিটু, এসইউসিআই কর্মীদের
-
‘ভারতীয়দেরও প্রাণ গিয়েছে’, জি-৭ বৈঠকে ট্রাম্পের সামনেই নাবিকদের মৃত্যু নিয়ে উষ্মা মোদির
-
সরকারি কাজেই আধারের অপব্যবহার? এবার কেন্দ্র ও UIDAI-কে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের
-
ভাঙছে আরও একটি পুর বোর্ড! ইস্তফা দিলেন দমদম পুরসভার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান
নিবেদিত






