Advertisement
Advertisement
Bengal Election 2026

রাঢ়বঙ্গে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ঠেকাতে মরিয়া বিজেপি! দুর্গাপুরে ৫৬জন প্রার্থীকে নিয়ে বৈঠকে শমীক-সৌমিত্র, সুনীল বনসলরা

বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থীরা জায়গায় জায়গায় প্রচার করছেন। তবে বহু জায়গায় প্রার্থী নিয়ে দলের কর্মীদের মধ্যেই অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসায় ভোটের আবহে দুশ্চিন্তায় বঙ্গ বিজেপি। এবার এই সমস্যাকে দূর করতে বৈঠকে শমীক ভট্টাচার্য, সুনীল বনসলরা।

Advertisement
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: মার্চ ২৩, ২০২৬, ১৯:৫৫

link
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: মার্চ ২৩, ২০২৬, ১৯:৫৫

options
link
রাঢ়বঙ্গে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ঠেকাতে মরিয়া বিজেপি! দুর্গাপুরে ৫৬জন প্রার্থীকে নিয়ে বৈঠকে শমীক-সৌমিত্র, সুনীল বনসলরা zoom
মঞ্চে বিজেপি নেতারা। নিজস্ব চিত্র

বিধানসভা নির্বাচনে (Bengal Election 2026) বিজেপি প্রার্থীরা জায়গায় জায়গায় প্রচার করছেন। তবে বহু জায়গায় প্রার্থী নিয়ে দলের কর্মীদের মধ্যেই অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসায় ভোটের আবহে দুশ্চিন্তায় বঙ্গ বিজেপি। এবার এই সমস্যাকে দূর করতে বৈঠকে শমীক ভট্টাচার্য, সুনীল বনসলরা। সংগঠনকে মজবুত করতে এবং প্রার্থীদের মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে উদ্যোগী হয়েছে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতৃত্ব।

রাঢ়বঙ্গের বাঁকুড়া, বীরভূম এবং পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলার মোট ৫৬ জন প্রার্থীকে নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সতীশ ধন্ড, সুনীল বনসল, ভূপিন্দর সিং যাদব, রাজ্য সম্পাদক সৌমিত্র খাঁ ও সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। এই ৫৬টি বিধানসভার অধিকাংশই বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে থাকায় বিজেপির কাছে এই অঞ্চল এখন চ্যালেঞ্জের। রাঢ়বঙ্গের বাঁকুড়া, বীরভূম এবং পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান মিলিয়ে মোট ৫৬টি বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে এই বৈঠক হলেও, এই আসনগুলোর বড় অংশ এখনও তৃণমূলের দখলে। ফলে বিজেপির কাছে এই অঞ্চল এখন ‘টার্গেট জোন’। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
West Bengal Assembly Election, BJP leadership holds meeting with 56 candidates in Durgapur
সভায় বিজেপি প্রার্থীরা ও দলের কর্মী-নেতারা। নিজস্ব চিত্র

বিশেষ করে দুর্গাপুর পূর্ব, সিউড়ি, বোলপুর, লাভপুর, নানুর, রামপুরহাট, ময়ূরেশ্বর, দুবরাজপুর, কাটোয়া, মঙ্গলকোট, আউসগ্রাম, গলসি, আসানসোেল উত্তর, আসানসোল দক্ষিণ, কুলটি, রানিগঞ্জ, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর, তালডাংরা ও রাইপুরের মতো বিধানসভা কেন্দ্রগুলিকে তুলনামূলকভাবে বিজেপিকে দুর্বল বলেই মনে করা হচ্ছে দলের পক্ষ থেকেই। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই বৈঠক থেকে প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে একাধিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব দূর করে একজোটে কাজের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।

বৈঠক প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “বাড়ির ভেতরে কি স্বামী-স্ত্রী, বাবা-ভাইয়ের কী আলোচনা হচ্ছে, তা বাইরে বলা ঠিক নয়।” এরপর ভবানীপুরে ভোটের দিন লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা প্রসঙ্গে তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে বলেন,” নন্দীগ্রামে পারলেন না কেন? ভবানীপুর ছেড়ে তখন পালিয়ে গেলেন। এবার তৃণমূল প্রার্থী নন্দীগ্রামে লিড দিয়ে দেখাক।” এবারে কেন্দ্রীয় বাহিনী কতটা ব্যাবহার করা যাবে, সে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,” ২০১১ সালে যে নির্বাচন হয়েছিল, তার থেকেও কঠিন এবারের নির্বাচন হতে চলেছে।”

এসআইআর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমাদের অবস্থায় আমরা অনড়। আমরা যে সব ফর্ম ৭ জমা দিয়েছিলাম, তার উপর শুনানি করতে হবে।” শমীক বলেন, “এবারের নির্বাচনটা হচ্ছে মা মাটি মানুষ বনাম তৃণমূল কংগ্রেস। মানুষ ২০১৯ সাল থেকে বাইনারি তৈরী করে দিয়েছে, বিজেপি একমাত্র তৃণমূলকে হারাতে পারে। সেজন্য পদ্মফুলটা প্রাসঙ্গিক। বিজেপি শুধু তৃণমূলকে হারাবে না। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে তৃণমূল কংগ্রেস নামক এই ভাইরাস থেকে মুক্তি পেতে চায়।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.