Advertisement
Advertisement
WB Assembly Election 2026

ভোটের টিকিট দিতে ৫০ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী! বিজেপির অস্বস্তি বাড়ালেন বারাসতের নেতা

হাবড়ার দলীয় প্রার্থী দেবদাস মণ্ডলকে নিয়ে নিজের আপত্তি প্রকাশ করেন ২০১৯ সালের বিজেপি প্রার্থী ডাক্তার মৃণালকান্তি দেবনাথ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৩, ২০২৬, ১৫:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৩, ২০২৬, ১৫:১০

options
link
ভোটের টিকিট দিতে ৫০ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী! বিজেপির অস্বস্তি বাড়ালেন বারাসতের নেতা zoom
দলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বারাসতের বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা মৃণালকান্তি দেবনাথ।
Advertisement

আসন্ন ভোটে (WB Assembly Election 2026) প্রার্থী নিয়ে এমনিতেই গেরুয়া শিবিরের আভ্যন্তরীণ অসন্তোষ প্রকাশ্যে চলে এসেছে। একাধিক কেন্দ্রে দলীয় প্রার্থীদের মানতে নারাজ দলের নিচুতলার কর্মী, সমর্থকরা। দু’দফায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর এখনও বাকি ৩৯টি আসন। এখানে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের মূল মাথাব্যথা, দলের আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব রুখে প্রার্থী দেওয়া। এসবের মাঝে বিজেপির অস্বস্তি আরও বাড়ালেন বারাসতের নেতা তথা ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে বিজেপি প্রার্থী ডাক্তার মৃণালকান্তি দেবনাথ। তাঁর স্পষ্ট অভিযোগ, সেবার তাঁকে প্রার্থী করার বিনিময়ে জনৈক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ফোন করে ৫০ লক্ষ টাকা চেয়েছেন। হাবড়ার দলীয় প্রার্থী দেবদাস মণ্ডলকে নিয়ে নিজের আপত্তি প্রকাশ করে মৃণালবাবুর প্রশ্ন, হাবড়ায় কি স্থানীয় কোনও যোগ্য প্রার্থী ছিলেন না যে বনগাঁ থেকে কাউকে এনে দাঁড় করাতে হবে?

প্রবীণ নেতার অভিযোগ, ”২০১৯ সালে আমি প্রার্থী হওয়ার পাঁচদিন পর দিল্লি থেকে এক নেতা ফোন করে জানতে চান, আমি কি টাকা দিয়েছি? আমি জানাই, কোনও টাকা দিইনি। তিনি আবার বলেন যে আমাকে ৫০ লক্ষ টাকা দিতে হবে। আমি তাঁকে স্পষ্ট জানাই, প্রার্থী হওয়ার জন্য কখনও কাউকে টাকা দিইনি, আর দেবও না।”

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন ২০১৯ সালে বারাসতের বিজেপি প্রার্থী ডাঃ মৃণালকান্তি দেবনাথ। দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে নিয়ে কার্যত বিস্ফোরক কথা বলেন তিনি। প্রবীণ নেতার অভিযোগ, ”২০১৯ সালে আমি প্রার্থী হওয়ার পাঁচদিন পর দিল্লি থেকে এক নেতা ফোন করে জানতে চান, আমি কি টাকা দিয়েছি? আমি জানাই, কোনও টাকা দিইনি। তিনি আবার বলেন যে আমাকে ৫০ লক্ষ টাকা দিতে হবে। আমি তাঁকে স্পষ্ট জানাই, প্রার্থী হওয়ার জন্য কখনও কাউকে টাকা দিইনি, আর দেবও না।” মৃণালবাবুর আরও অভিযোগ, কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে তিনি কৈলাস বিজয়বর্গীয় ছাড়া আরও কাউকে চিনতেন না। তাঁর অনুমান, কৈলাস বিজয়বর্গীয়ই ঘুরপথে টাকা চেয়েছিলেন।

Advertisement

এরপর মৃণালবাবু বর্তমান বিজেপিকে নিয়েও ক্ষোভপ্রকাশ করেন। তাঁর প্রশ্ন, হাবড়ায় কি কোনও যোগ্য প্রার্থী ছিলেন না? কেন বনগাঁ থেকে প্রার্থী এনে দাঁড় করাতে হবে? এও জানান, এবার তাঁকে দল প্রার্থী করতে চাইলেও তিনি রাজি থাকতেন না। এই মুহূর্তে দলের কোনও কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তিনি যুক্ত থাকতে চান না। যদিও সমর্থন থাকবে বরাবর। এনিয়ে হাবড়া বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী দেবদাস মণ্ডলের প্রতিক্রিয়া, ”এতদিন বাদে তিনি এসব কথা প্রকাশ্যে কেন আনছেন? আগে কেন বলেননি? এখন যখন এই কথা বলছেন, তাহলে বুঝতে হবে কোনও উদ্দেশ্য আছে। এসব কথা মানুষ খায়ও না, মাথায়ও মাখে না।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.