Advertisement
Advertisement
West Bengal Assembly Election

নাম বাতিলে মনোনয়ন জট! সুপ্রিম কোর্টে ফরাক্কার কংগ্রেস প্রার্থী, কী বলল আদালত?

চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম ছিল বিবেচনাধীন। অতিরিক্ত তালিকায় দেখা যায় বাদ পড়েছে ফরাক্কার কংগ্রেস প্রার্থী মোহতাব শেখের নাম। সুবিচার পেতে দিন কয়েক আগেই কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২৬, ১৬:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২৬, ১৬:২৫

options
link
নাম বাতিলে মনোনয়ন জট! সুপ্রিম কোর্টে ফরাক্কার কংগ্রেস প্রার্থী, কী বলল আদালত? zoom
নাম বাতিলে মনোনয়ন জট! সুপ্রিম কোর্টে ফরাক্কার কংগ্রেস প্রার্থী

চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম ছিল বিবেচনাধীন। অতিরিক্ত তালিকায় দেখা যায় বাদ পড়েছে ফরাক্কার কংগ্রেস প্রার্থী মোহতাব শেখের নাম। সুবিচার পেতে দিন কয়েক আগেই কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন প্রার্থী। কারণ, জট না কাটলে মনোনয়ন পেশ করতে পারবেন না তিনি। এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন মোহতাব শেখ। বিচারপতির নির্দেশ, ট্রাইবুনালে আবেদন ও তাঁর ভিত্তিতে যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে ৬ এপ্রিলের মধ্যে। 

শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, নিয়ম মেনে ট্রাইবুনালে আবেদন করতে হবে তাঁকে। আবেদন পত্র খতিয়ে দেখে ৬ তারিখের মধ্যে মোহতাব হোসেনের বিষয়টা নিষ্পত্তি করতে হবে।

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ফরাক্কা আসনের কংগ্রেস প্রার্থী মোহতাব শেখ। অতিরিক্ত ভোটার তালিকায় মোহতাব শেখের ছেলে ও পরিবারের অন্য সদস্যদের নাম তালিকায় থাকলেও খোদ প্রার্থীর নাম ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে বলেই খবর। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর ভোটে (West Bengal Assembly Election) প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়। এই ঘটনায় হাই কোর্টের হস্তক্ষেপ দাবি করেন মোহতাব শেখের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাতে প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এসআইআর (SIR in West Bengal) সংক্রান্ত সমস্ত মামলার শুনানি সুপ্রিম কোর্টে হচ্ছে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী কোনও হাই কোর্ট এধরণের মামলা গ্রহণ করতে পারবে না। কলকাতা হাই কোর্টে শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে প্রশাসনিক দিক তদারকি করছে বলে জানানো হয়। হাই কোর্টই আবেদনকারীকে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। 

Advertisement

তার পরিপ্রেক্ষিতেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন মোহতাব হোসেন। সেখানে গোটা পরিস্থিতি তুলে ধরে নিজের সমস্যার কথা জানান তিনি। বৈধ পাসপোর্ট থাকা সত্ত্বেও কীভাবে নাম বাদ গেল, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। তাতেই শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, নিয়ম মেনে ট্রাইবুনালে আবেদন করতে হবে তাঁকে। আবেদন পত্র খতিয়ে দেখে ৬ তারিখের মধ্যে মোহতাব হোসেনের বিষয়টা নিষ্পত্তি করতে হবে। যাতে মনোনয়ন পেশে কোনওরকম সমস্যায় না পড়তে হয় তাঁকে। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.