Advertisement
Advertisement
West Bengal Assembly Election

তামান্নার মা সাবিনাকে প্রার্থী করায় দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর, সাতজনকে বহিষ্কার সিপিএমের

জেলা নেতৃত্ব জানিয়েছে, দলবিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কড়া পদক্ষেপ করা হবে। সংগঠনের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কোনও আপস করা হবে না।

Advertisement
রমণী বিশ্বাস
রমণী বিশ্বাস

শেষ আপডেট: মার্চ ২০, ২০২৬, ১৮:১৭

link
রমণী বিশ্বাস
রমণী বিশ্বাস

শেষ আপডেট: মার্চ ২০, ২০২৬, ১৮:১৭

options
link
তামান্নার মা সাবিনাকে প্রার্থী করায় দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর, সাতজনকে বহিষ্কার সিপিএমের zoom
সাতজনকে বহিষ্কার করল সিপিআইএম।

কালীগঞ্জের পলাশিতে দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনায় অবশেষে পদক্ষেপ গ্রহণ করল সিপিআইএম নেতৃত্ব। এই ঘটনায় সাতজনকে বহিষ্কার করেছে দল। কালীগঞ্জে বিধানসভা উপনির্বাচনের ফলঘোষণার দিন বোমার আঘাতে নিহত তামান্না খাতুনের মা সাবিনা ইয়াসমিনকে কালীগঞ্জ আসন থেকে প্রার্থী ঘোষণা করায় সিপিএমের পলাশি এরিয়া কমিটির অফিসে ভাঙচুর চালিয়েছিলেন দলেরই কয়েকজন কর্মী। এরপরই অভিযুক্তদের মধ্যে সাতজনের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিল দলীয় নেতৃত্ব।

জেলা নেতৃত্ব জানিয়েছে, দলবিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কড়া পদক্ষেপ করা হবে। সংগঠনের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কোনও আপস করা হবে না।

গত মঙ্গলবার তামান্নার মা সাবিনাকে কালীগঞ্জ থেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে সিপিআইএম। এর প্রতিবাদে দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর চালান দলেরই কয়েকজন কর্মী। দলের জেলা স্তরের নেতাদের হেনস্তাও করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এই নিয়ে শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর। দলীয় সূত্রে আগেই শোনা গিয়েছিল, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অবশেষে শুক্রবার সাতজনকে বহিষ্কার করল দল। পলাশির কার্যালয়ে সংগঠিত বিশৃঙ্খলা, দলের মনোনীত প্রার্থীর বিরোধিতা, পার্টি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে আক্রমণ, নেতৃত্ব সম্পর্কে কুৎসা রটানো, শৃঙ্খলাভঙ্গ ও দলীয় ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগে তাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে।

Advertisement

সিপিএমের তরফে জানানো হয়, দলের গঠনতন্ত্রের ১৯/১৩ ধারা অনুযায়ী, পলাশি এরিয়া কমিটির অধীন সাতজন সদস্যকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃতদের নাম অজয় সরকার, সেন্টু শেখ, মোদাস্সের মীর, জহিরুদ্দিন আহমেদ, হানিফ মোহাম্মদ, মকলেসুর রহমান ও সাইদুল শেখ। জেলা নেতৃত্ব জানিয়েছে, দলবিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কড়া পদক্ষেপ করা হবে। সংগঠনের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কোনও আপস করা হবে না।

উল্লেখ্য, গত বছর কালীগঞ্জের উপনির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন দুষ্কৃতীদের ছোড়া বোমার আঘাতে মৃত্যু হয় বছর দশেকের তামান্না খাতুনের। তামান্নার পরিবারের সিপিএমের সমর্থক হিসেবেই এলাকায় পরিচিত। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে সেই তামান্নার মা সাবিনাকেই কালীগঞ্জের প্রার্থী করেছে দল। প্রার্থীর নাম ঘোষণা হতেই দলীয় কর্মীদের একাংশ পলাশির পার্টি অফিসে হামলা চালান। দলের নেতাদের উপরেও আক্রমণ করা হয়। এই ঘটনায় অবশেষে পদক্ষেপ করল দল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.