ভোটের (West Bengal Assembly Election) আগে তমলুকে উদ্ধার এক কোটি টাকা! তমলুক থানার নিকাশি বাজার এলাকায় নাকা চেকিং চলার সময় বিপুল এই টাকা উদ্ধার হয়। জানা যাচ্ছে, ব্যক্তিগত নম্বরের একটি গাড়ি থেকে বিপুল এই টাকা উদ্ধার করেন কর্তব্যরত সিআইএসএফ জওয়ানরা। ইতিমধ্যে উদ্ধার হওয়া বিপুল এই টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, টাকার উৎস খোঁজারও চেষ্টা হচ্ছে। এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর। ঘটনার পিছনে শাসকদল তৃণমূল আছে বলে দাবি স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের। এমনকী বিপুল টাকা ছড়িয়ে ভোট কেনার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ। যদিও এহেন অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে শাসকদল তৃণমূল।
এই বিষয়ে আরও খবর
আগামী সপ্তাহে রাজ্যে প্রথমদফার নির্বাচন। তার আগেই সতর্ক কমিশন। বিভিন্ন এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। সেই মতো শুক্রবার তমলুকের নিকাশি বাজারের কাছে নাকা চেকিং চালাচ্ছিলেন স্থানীয় পুলিশ এবং প্রশাসনের আধিকারিকরা। সেই সময়ে একটি প্রাইভেট গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় এক কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়। গাড়ির মধ্যে থাকা দুই ব্যক্তি নিজেদের ব্যাংক কর্মী বলে পরিচয় দেয়। এবং দাবি জানায়, এই টাকা তমলুক ঘাটাল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের। ওই দুই ব্যক্তির নিজেদের আই কার্ড দেখালেও টাকার কোন হিসাব দেখাতে পারেননি। টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয় সিআইএসএফের তরফে। ঘটনা জানতে পেরে তমলুক ঘাটাল সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের চেয়ারম্যান-সহ আরও বিভিন্ন আধিকারিকেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা বিভিন্ন কাগজ দেখালেও সঠিক প্রমাণ পত্র না দেখাতে পারায় এখন টাকা বাজেয়াপ্ত করা রয়েছে। এখন দেখার ঘটনায় কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
তমলুকের নিকাশি বাজারের কাছে নাকা চেকিং চালাচ্ছিলেন স্থানীয় পুলিশ এবং প্রশাসনের আধিকারিকরা। সেই সময়ে একটি প্রাইভেট গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় এক কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়। গাড়ির মধ্যে থাকা দুই ব্যক্তি নিজেদের ব্যাংক কর্মী বলে পরিচয় দেয়। এবং দাবি জানায়, এই টাকা তমলুক ঘাটাল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের। ওই দুই ব্যক্তির নিজেদের আই কার্ড দেখালেও টাকার কোন হিসাব দেখাতে পারেননি।
তবে ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি নেতা বামদেব গুচ্ছাইত বলেন, ”রাতের অন্ধকারে তমলুক ঘাটাল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে একটি গাড়িতে করে এক কোটি টাকা নিয়ে ময়না বিধানসভায় ঢোকার চেষ্টা হচ্ছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় বাহিনী তা বাজেয়াপ্ত করেছে।” ঘটনায় শাসকদলকে আক্রমণ করে তাঁর দাবি, ময়না বিধানসভায় তৃণমূলের হারের ব্যবধান অনেক বড় হয়ে গেছে, তা বুঝতে পেরেই বিপুল টাকা নিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা হচ্ছে। এই বিষয়ে মানুষকে সতর্ক এবং সচেতন থাকার পরামর্শ বিজেপি নেতার।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বজয়ের ৩ মাসের মধ্যে অধিনায়কত্ব যাচ্ছে সূর্যকুমারের, নেতৃত্বের দৌড়ে আপাতত ৩
-
দিল্লির পর বিহার, বিধ্বংসী আগুন হাসপাতালে, ঝলসে মৃত অন্তত ৪
-
কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার হুমায়ুনের, অধীর, নওশাদের উদাহরণ তুলে আদালতে যাচ্ছেন এজেইউপি নেতা
-
সাতসকালে শওকত মোল্লার বাড়িতে এনআইএ হানা, তল্লাশির আগেই ‘পলাতক’ তৃণমূল নেতা
-
৪ জুন ২০২৬: মীন রাশির আজকের দিন
নিবেদিত






