Advertisement
Advertisement
West Bengal Assembly Election

বোরখা পরে মহিলাদের ভোটদানে কড়া কমিশন, নির্দিষ্ট কাউন্টারে দেখাতে হবে মুখ!

এই সিদ্ধান্ত সংখ্যালঘুদের কাছে আদৌ গ্রহণযোগ্য হবে কি না তা-ও চিন্তাভাবনার মধ্যে রাখছে কমিশন। আবার বিচারাধীন থাকা কোনও ব্যক্তি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত মনোনয়ন দাখিল করতে পারবেন না বলে সাফ জানাল কমিশন।

Advertisement
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২৬, ১৩:৩৪

link
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২৬, ১৩:৩৪

options
link
বোরখা পরে মহিলাদের ভোটদানে কড়া কমিশন, নির্দিষ্ট কাউন্টারে দেখাতে হবে মুখ! zoom
বোরখা পড়ে ভোটের লাইনে দাঁড়ালেই হবে না। তার আগে বুথের বাইরে আলাদা একটি 'কাউন্টার'-এ গিয়ে সচিত্র পরিচয়পত্রের সঙ্গে মুখ মিলিয়ে দেখবেন ভোট কর্মীরা।

নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধনে এলাকা ধরে ধরে সংখ্যালঘু ভোটে থাবা বসিয়েছে নির্বাচন কমিশন! এবার মুসলিম মহিলাদের ভোটদানের ক্ষেত্রে আরও কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে জ্ঞানেশ কুমার বাহিনী। বোরখা পড়ে ভোটের (West Bengal Assembly Election) লাইনে দাঁড়ালেই হবে না। তার আগে বুথের বাইরে আলাদা একটি ‘কাউন্টার’-এ গিয়ে সচিত্র পরিচয়পত্রের সঙ্গে মুখ মিলিয়ে দেখবেন ভোট কর্মীরা। সব ঠিক থাকলেই তবেই ভোট দিতে পারবেন। এই সিদ্ধান্ত সংখ্যালঘুদের কাছে আদৌ গ্রহণযোগ্য হবে কি না তা-ও চিন্তাভাবনার মধ্যে রাখছে কমিশন। আবার বিচারাধীন থাকা কোনও ব্যক্তি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত মনোনয়ন দাখিল করতে পারবেন না বলে সাফ জানাল কমিশন। ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ‘বিচারাধীন’ ৬০ লক্ষ ভোটার।

শুক্রবার রাত পর্যন্ত প্রায় ১৫ লক্ষের সমাধান হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সেই তালিকা আগামী সপ্তাহের শেষে প্রকাশ হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা। তার আগেই ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হবে। বিচারাধীনদের বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত বিচারবিভাগের আধিকারিকরা। চূড়ান্ত তালিকার আংশিক প্রকাশের পরে ধাপে ধাপে আরও তালিকা প্রকাশের কথা। তবে এই ৬০ লক্ষের মধ্যে থেকে যাঁরা বাদ পড়বেন, তাঁদের আবেদন জানানোর জন্য বিকল্প পথও খুলে দিয়েছে আদালত। কিন্তু গোল বেধেছে বিচারাধীন তালিকা নিয়ে।

Advertisement

কারণ সেই তালিকা প্রকাশ হলে তবে বিচারাধীন থাকা ব্যক্তিরা ভোটে মনোনয়ন দাখিল করতে পারবেন কি না তা চূড়ান্ত হবে। বিচারাধীন ব্যক্তিরা ভোটে দাঁড়াতে চাইলে বিচারকদের কাছে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীদের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন বিচারকরা। আবার বিচারকদের বিচারে কেউ বাতিল হলে তাঁকে ট্রাইবুনালে আবেদন করতে হবে। কিন্তু কবে ট্রাইব্যুনাল গঠন হবে তা অনিশ্চিত। ফলে এবারের বিধানসভা ভোটে তাঁরা ভোটে দাঁড়াতে পারবেন না বলেই মনে করছে কমিশন।

আবার বিহার মডেলের কিছু নিয়ম বাংলার ক্ষেত্রেও চালু করতে উদ্যোগী হয়েছে কমিশন। বিহারে প্রতিটি বুথে একটি আলাদা কাউন্টার রাখা হয়। কোনও মহিলা মুখ ঢেকে ভোট দিতে এলে তাঁকে ‘কাউন্টার’-এ গিয়ে নিজের মুখ পরিচয়পত্র ও মুখের আবরণ খুলে দেখালে তবেই ভোট দেওয়ার ছাড়পত্র মিলবে। এবার বয়স্কদের পাশাপাশি বিশেষভাবে সক্ষমদের ক্ষেত্রে বাড়ি গিয়ে ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে বলে কমিশন সূত্রে খবর।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.