সমতলের একাধিক আসনে প্রার্থী নিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বিজেপিকর্মীরা। সেই অশান্তির আগুন এবার ছড়াল পাহাড়েও। আগামিকাল শনিবারের মধ্যে কার্শিয়াং বিধানসভা কেন্দ্রে দলের ঘোষিত প্রার্থী বদলানো না হলে দল ছাড়ার হুমকি দিয়েছেন বিজেপি কর্মীরা। শুধু তাই নয়, নির্দল প্রার্থী দাঁড় করিয়ে লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় নেতৃত্বের একাংশ।
এই বিষয়ে আরও খবর
বৃহস্পতিবার বিকেলে পাহাড়ের তিন আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিজেপি। দেখা যায় দার্জিলিংয়ের দু’বারের বিজয়ী বিধায়ক নীরজ জিম্বাকে ‘ছাব্বিশের যুদ্ধে’ এবার টিকিট দেয়নি গেরুয়া শিবির। বদলে টিকিট পেয়েছেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার যুব নেতা নোমান রাই। কালিম্পং আসনে প্রার্থী করা হয়েছে ভারতীয় হকি দলের প্রাক্তন অধিনায়ক অলিম্পিয়ান ভরত ছেত্রীকে। কার্শিয়াং আসনে দলের ব্লক সভাপতি সোনম লামাকে টিকিট দিয়েছে বিজেপি।
জিএনএলএফের হাত থেকে দার্জিলিং আসন ছিনিয়ে বিমল গুরুংয়ের দল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চাকে ‘ভেট’ দেওয়ায় বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে ক্ষোভের পারদ চড়ছিল। তার উপর কার্শিয়াং বিধানসভা কেন্দ্রে দলের ঘোষিত প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিজেপির কর্মী সমর্থকদের বড় অংশ রাস্তায় নামতেই পাহাড়েও বিজেপির অস্বস্তি বাড়ল। উচ্চ নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি স্থানীয় নেতাকর্মীদের বড় অংশ। তাঁরা হুমকি দিয়েছেন শনিবারের মধ্যে কার্শিয়াং আসনে প্রার্থী বদল করা না হলে দলের অধিকাংশ নেতা পদত্যাগ করবেন। বিজেপির বিরুদ্ধে নির্দল প্রার্থী দেবেন।
বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, দলের নেতাকর্মীদের মতামত না-নিয়ে প্রার্থী ঠিক করা হয়েছে। অভিযোগ, প্রার্থী বাছাইয়ের বিষয়ে দলের ব্লক, মণ্ডল নেতৃত্বদের সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি। প্রার্থী ঠিক করেছেন দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা ও পাহাড়ের বিজেপি নেতা সঞ্জীব তামাং। স্বভাবতই অস্বস্তি বেড়েছে গেরুয়া শিবিরের অন্দরে।
জানা গিয়েছে, শুক্রবার বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতারা শিলিগুড়ি সংলগ্ন সুকনায় প্রার্থী নিয়ে আলোচনায় বসবেন। দার্জিলিংয়ের বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতা রাজেন মুখিয়া বলেন, “পাহাড়ে বিজেপি বলে এখন কিছু নেই। পুরোটা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হয়েছে। রাজু বিস্তা ও সঞ্জীব তামাং নিজেদের মতো সব চালাচ্ছেন।” পাহাড়ের অন্য বিজেপি নেতা মনোজ দেওয়ান সাংসদ রাজু বিস্তার সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট। তিনি বলেন, “যদি প্রার্থী নিয়ে পুনর্বিবেচনা না করা হয় তবে কার্শিয়াংয়ে দলের নেতারা সবাই পদত্যাগ করব। প্রয়োজনে নির্দল প্রার্থী দেওয়া হবে। কার্শিয়াং ব্লকের পনেরোটি মণ্ডল কমিটির সভাপতি, সম্পাদক সবাই এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে।”
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
প্রথমবার নেহরু টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন, হকিতে ভারত জয় পুরুলিয়া সৈনিক স্কুলের
-
হকার উচ্ছেদ ঘিরে কৃষ্ণনগর স্টেশনে ধুন্ধুমার! পুলিশের সঙ্গে বচসা, হাতাহাতি সিটু, এসইউসিআই কর্মীদের
-
‘ভারতীয়দেরও প্রাণ গিয়েছে’, জি-৭ বৈঠকে ট্রাম্পের সামনেই নাবিকদের মৃত্যু নিয়ে উষ্মা মোদির
-
সরকারি কাজেই আধারের অপব্যবহার? এবার কেন্দ্র ও UIDAI-কে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের
-
ভাঙছে আরও একটি পুর বোর্ড! ইস্তফা দিলেন দমদম পুরসভার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান
নিবেদিত






