Advertisement
Advertisement
Mamata Banerjee

‘চাইলে আলু বাইরেও বিক্রি করতে পারেন’, চন্দ্রকোনায় চাষিদের পাশে দাঁড়িয়ে আশ্বাস মমতার

বাংলায় কমপক্ষে ৮ লক্ষ পরিবার আলুচাষের সঙ্গে যুক্ত। মূলত হুগলি, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের বেশিরভাগ মানুষ আলুচাষ করেই জীবনধারণ করেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩১, ২০২৬, ১৪:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩১, ২০২৬, ১৪:৩২

options
link
‘চাইলে আলু বাইরেও বিক্রি করতে পারেন’, চন্দ্রকোনায় চাষিদের পাশে দাঁড়িয়ে আশ্বাস মমতার zoom
আলু চাষিদের পাশে দাঁড়ালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

২০২৩ সালে আলু ভিনরাজ্যে বিক্রির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল নবান্ন। তবে চলতি মরশুমে আলুর ফলন হয়েছে প্রচুর। তা খানিকটা বাড়তি। এই পরিস্থিতিতে লাভের চেয়ে লোকসানের আশঙ্কা বেশি থাকে কৃষকদের। বাড়তি আলু সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে যদি কোনওভাবে নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে তো লোকসান ঠেকানো সম্ভব নয়, চিন্তায় মগ্ন কৃষকরা। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার চন্দ্রকোণার প্রচারমঞ্চ থেকে চাষিদের চিন্তামুক্ত করতে আরও একবার পাশে দাঁড়ালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। কোনও চাষি চাইলে আলু বাইরেও বিক্রি করতে পারেন বলেই জানান তিনি।

মমতা বলেন, “আলুচাষিদের একটা সমস্যা আছে। কোনও কোনও বিজেপি নেতা খেলছে। আলুচাষির আলু নষ্ট হলে সরকার ক্ষতিপূরণ দেবে। চাষিদের শস্যবিমা আছে। ভয় পাবেন না। আমরা ৩০ শতাংশ কোল্ড স্টোরেজ করেছি। যেটায় যা আলু কিনতে পারব, ঢোকাব। আইসিডিএস, মিডডে মিলের জন্য কিনব। বাদ বাকি যদি কেউ আলু বাজারে বিক্রি করতে চান, বাইরেও বিক্রি করতে চান, কোনও আপত্তি নেই।”

মমতা বলেন, “আলুচাষিদের একটা সমস্যা আছে। কোনও কোনও বিজেপি নেতা খেলছে। আলুচাষির আলু নষ্ট হলে সরকার ক্ষতিপূরণ দেবে। চাষিদের শস্যবিমা আছে। ভয় পাবেন না। আমরা ৩০ শতাংশ কোল্ড স্টোরেজ করেছি। যেটায় যা আলু কিনতে পারব, ঢোকাব। আইসিডিএস, মিডডে মিলের জন্য কিনব। বাদ বাকি যদি কেউ আলু বাজারে বিক্রি করতে চান, বাইরেও বিক্রি করতে চান, কোনও আপত্তি নেই।” বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে মমতার হুঁশিয়ারি, “কয়েকটা বিজেপি নেতা এখানে চক্রান্ত করছে। আমি নাম জানি। তাদের বলব আপনারা অন্যান্য ব্যবসা ভালো করে করুন। গরিবদের পেটে লাথি মারবেন না। তাদের আলু নিয়ে রাজনীতি করবেন না। আমি রাজনীতি করতে দেব না। আলুর ক্ষতিপূরণ দেব।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, বাংলায় কমপক্ষে ৮ লক্ষ পরিবার আলুচাষের সঙ্গে যুক্ত। মূলত হুগলি, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের বেশিরভাগ মানুষ আলুচাষ করেই জীবনধারণ করেন। বাংলায় সাধারণত ৫ হাজার হেক্টর জমিতে ১.২ কোটি টন আলু চাষ হয়। চলতি বছর আলুচাষের পরিমাণ বেড়ে ১.৭ কোটি থেকে ১.৯ কোটি টন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহ থেকে আলুচাষ শুরু হয়। মার্চের মাঝামাঝি থেকে এপ্রিলে আলু তোলার সময়। কৃষকদের লোকসান এড়াতে সরাসরি রাজ্য সরকার তাঁদের কাছ থেকে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে আলু কিনে নেওয়ার কথা আগেই জানিয়েছে। মোট ১২ লক্ষ মেট্রিক টন আলু কেনা হবে। প্রতি কেজি সাড়ে ৯ টাকায় কেনা হবে। বাকি আলু যাতে যথাযথভাবে হিমঘরে সংরক্ষণ করা হয়, তার জন্যও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা রাজ্য সরকারের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.