Advertisement
Advertisement
Mamata Banerjee

‘অফিসারদের সরিয়ে দাঙ্গা করিয়েছে’, রঘুনাথগঞ্জে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে বিজেপি-কমিশনকে তোপ মমতার

আক্রমণের সুর চড়িয়ে তাঁর হুঁশিয়ারি কাউকে ছাড়া হবে না। মমতার আরও অভিযোগ, অস্ত্র নিয়ে রামনবমীর মিছিল করা হয়েছে। কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৮, ২০২৬, ২০:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৮, ২০২৬, ২০:১৩

options
link
‘অফিসারদের সরিয়ে দাঙ্গা করিয়েছে’, রঘুনাথগঞ্জে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে বিজেপি-কমিশনকে তোপ মমতার zoom
আজ, শনিবার রানিগঞ্জের খান্দরা ফুটবল মাঠে জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে বিজেপি ও কমিশনকে নিশানা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)। আমলা, অফিসারদের সরিয়ে হিংসা ছড়ানো হয়েছে বলে সরব মমতা। তিনি বলেন, “অফিসারদের সরিয়ে দাঙ্গা করিয়েছে।” আক্রমণের সুর চড়িয়ে তাঁর হুঁশিয়ারি, “কাউকে ছাড়া হবে না।” মমতার আরও অভিযোগ, অস্ত্র নিয়ে রামনবমীর মিছিল করা হয়েছে। কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ ও কমিশনের নিয়ন্ত্রণাধীন প্রশাসনের গা ছাড়া মনোভাবের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন তিনি।

আজ, শনিবার রানিগঞ্জের খান্দরা ফুটবল মাঠে জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই গতকাল শুক্রবার রঘুনাথগঞ্জের সংঘর্ষ নিয়ে মুখ খোলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। হিংসা নিয়ে মমতার অভিযোগ, “অফিসারদের সরিয়ে দাঙ্গা করানো হয়েছে। কে  অধিকার দিয়েছে দাঙ্গা বাধানোর? টাকা ঢোকানো হচ্ছে। কাউকে ছাড়া হবে না।” সভাশেষে তিনি বলেন, “আমি আশা করছি যাঁরা আছেন, তাঁরা নিরপেক্ষ হয়ে কাজ করবেন। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখবে।”

Advertisement

নির্বাচন ঘোষণার পর কমিশন শীর্ষ স্তর থেকে জেলা প্রশাসনের এসপি ও ডিএম স্তরে একাধিক রদবদল করে। সেই সময়ই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তুলেছিলেন অফিসারদের সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে, আইনশৃঙ্খলার অবনতি হলে দায় কে নেবেন? তাঁর সেই শঙ্কায় প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি তৃণমূলের।

উল্লেখ্য,  প্রতিবছরের মতো এবারও শনিবার রঘুনাথগঞ্জে রামনবমীর শোভাযাত্রা বের হয়। এছাড়াও বিভিন্ন গ্রাম থেকে ছোট ছোট মিছিল যাচ্ছিল রঘুনাথগঞ্জের ম্যাকাঞ্জি পার্কের উদ্দেশ্যে। একটি মিছিল সিসাতলা এলাকায় পৌঁছলে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে বচসা বাধে। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বাধে। মিছিলকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়ার অভিযোগও ওঠে। মুহূর্তে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। অন্যদিকে, বড় শোভাযাত্রাটি শহর ফুলতলা মোড় সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছতে আবারও উত্তেজনা ছড়ায়। একদিকে চলতে থাকে ঢিল ছোড়াছুড়ি, অন্যদিকে মিছিল এগিয়ে যেতে থাকায় পরিস্থিতি আরও অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। অভিযোগ, উত্তেজিত জনতা ফুলতলা মোড়ের কাছে বেশ কয়েকটি ফলের দোকানে ভাঙচুর চালায়। আগুন লাগিয়ে দেয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনা স্থলে র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান ও পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে তারা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.