তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবানীপুরের সভায় বিজেপির বিশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে একযোগে পুলিশ প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে তোপ দাগলেন উত্তরপাড়ার সিপিএম প্রার্থী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। তিনি জানান, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও হিংসার পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে পুলিশ ও কমিশন। এছাড়াও রাজ্যে ভোটপ্রচারে এসে ‘বুলডোজার’ নীতি স্থাপনের কথা বলায় উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে তোপ দাগেন তিনি। অন্যদিকে তিনি মনে করিয়ে দেন, বিগত দিনে বামফ্রন্ট সরকার ছিল বলে বস্তি অঞ্চলের মানুষ জমির পাট্টা পেয়েছিলেন। আর বিজেপি গোটা দেশে কয়েক লক্ষ বস্তি ‘বুলডোজার’ চালিয়ে উচ্ছেদ করেছে।
এই বিষয়ে আরও খবর
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর ভবানীপুরের সভায় বিজেপির বিশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন, পুলিশ প্রশাসন মিলে রাজ্যে একটা অস্থির রাজনৈতির হিংসার পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছে। আগামী ৪ তারিখ গোটা রাজ্যে এই পরিস্থিতি থাকবে না। এই দুষ্কৃতী রাজের অবসান ঘটাব আমরা। লাল আবির উড়বে। বামফ্রন্টের বিধায়কেরা বিধানসভায় গিয়ে বেকার যুবকের কর্মসংস্থান, মহিলাদের নিরাপত্তা, সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাবে।”
নির্বাচনের আগে শেষ রবিবাসরীয় প্রচারে জমজমাট প্রচার করছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা। কোন্নগরে মীনাক্ষীর সমর্থনে বাইক ব়্যালি ও পথসভা করে সিপিআইএম। কোন্নগরে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে চটকল মোড়ে বাইক মিছিল শেষ হয়। সেখানেই একটি পথসভা করে সিপিআইএম কর্মী-সমর্থকরা। সভায় মীনাক্ষীর সমর্থনে উপস্থিত ছিলেন সৌরভ পালোধি, উষসী চক্রবর্তীরা। গতকাল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জোড়াপুকুর মাঠে সভা করে বলেন, আগামী দিন হিন্দুস্তান মোটরস, সিঙ্গুর, ডানকুনিতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল হাব তৈরি হবে। সেখানে বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থান হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে কটাক্ষ করে মীনাক্ষী বলেন, “১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পরেও এখনও কেন বলতে হচ্ছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল হাব তৈরি হবে। এতদিনে সেই কাজ তো সম্পন্ন হয়ে যাওয়া উচিত ছিল। হিন্দুস্তান মটরসের ফাঁকা জমিতে দুষ্কৃতীদের রাজত্ব তৈরি হয়েছে। আমাদের দাবি, টিটাগড় বাগান কারখানায় হিন্দুস্তান মোটরের বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানার শ্রমিকদের কাজ দেওয়া হোক।”
উল্লেখ্য, গতকাল ভবানীপুরে সভা ছিল মমতার। তিনি বক্তব্য রাখতে ওঠার কিছুক্ষণের মধ্যেই শোনা যায় মাইকের বিকট আওয়াজ। জানা যায়, সামনে বিজেপির সভা থেকে ওই মাইক বাজছে। এই আওয়াজ মমতার বক্তব্যে রীতিমতো বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাতে অত্যন্ত বিরক্ত হন তিনি। কিছুক্ষণ চুপ করে অপেক্ষার পর উপস্থিত জনতার কাছে দুঃখপ্রকাশ করে বলেন, ‘‘বিজেপি মাইক বাজিয়ে ডিস্টার্ব করছে। এভাবে মিটিং করা সম্ভব নয়। আমায় ক্ষমা করবেন। এর প্রতিবাদে আমায় ভোটটা দেবেন।’ এরপরই সভা ছেড়ে বেরিয়ে যান তিনি।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
‘পার্লামেন্টে বসে নজর কাড়তে লিপস্টিক পরি না’, দিল্লি থেকে ফিরেই মাঠের কাজে সাংসদ, কাকে বিঁধলেন?
-
ইয়ামাল নামতেই বিধ্বংসী স্প্যানিশ আর্মাডা, সৌদিকে গোলের বন্যায় ভাসিয়ে বিশ্বকাপে প্রথম জয় স্পেনের
-
মেয়ে পরকীয়ায় জড়িয়েছে মানতে নারাজ মা! জামাইয়ের নালিশের প্রতিবাদ করায় শুরু হাতাহাতি, তারপর…
-
রয়েছে সোনালী খেঁকশিয়াল থেকে ভল্লুক, এবার কনজারভেশন রিজার্ভের তকমা পাচ্ছে কোটশিলা-ঝালদা বনাঞ্চল!
-
কাপের দাপুটে ব্যাটিং, টি-২০ বিশ্বকাপে প্রোটিয়াদের কাছে হেরে সেমির দৌড়ে অঙ্ক জটিল ভারতের
নিবেদিত






