Advertisement
Advertisement
WB Assembly Election 2026

টিকিট না পেয়ে বিজেপির মঞ্চে, শাহের থেকে পতাকা নিলেন পুরুলিয়ার তৃণমূল নেত্রী!

ভোটের আগে ফের দলবদল জঙ্গলমহল পুরুলিয়ায়। পাড়া বিধানসভায় তৃণমূলে প্রার্থী হতে না পেরে শাসক দলের সঙ্গ ত্যাগ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হাত ধরে বিজেপির পতাকা ধরলেন পুরুলিয়া জেলা মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রী মিনু বাউরি।

Advertisement
সুমিত বিশ্বাস
সুমিত বিশ্বাস

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ১৩:৪৫

link
সুমিত বিশ্বাস
সুমিত বিশ্বাস

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ১৩:৪৫

options
link
টিকিট না পেয়ে বিজেপির মঞ্চে, শাহের থেকে পতাকা নিলেন পুরুলিয়ার তৃণমূল নেত্রী! zoom
সভামঞ্চে অমিত শাহের হাত থেকে পতাকা নিলেন তৃণমূল নেত্রী। ছবি: দীপক রাম

ভোটের (WB Assembly Election 2026) আগে ফের দলবদল জঙ্গলমহল পুরুলিয়ায়। পাড়া বিধানসভায় তৃণমূলে প্রার্থী হতে না পেরে শাসক দলের সঙ্গ ত্যাগ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হাত ধরে বিজেপির পতাকা ধরলেন পুরুলিয়া জেলা মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রী মিনু বাউরি। প্রসঙ্গত, এর আগে মিনু বাউরি সিপিএমে ছিলেন। এই দলবদল পুরুলিয়ার পাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে কতটা প্রভাব ফেলবে? সেই চর্চা শুরু হয়েছে।

বিধানসভা ভোটের প্রচারে বঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন বাঁকুড়ার পাশাপাশি পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডির কুশলডিহি ক্রিকেট মাঠে অমিত শাহ-র সভামঞ্চেই মিনু বাউরি দলবদল করলেন। মিনু বাউরি ভোটের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগে পর্যন্ত তৃণমূলে ছিলেন। রাজনৈতিক মহলের মত, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় তিনি তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন। জেলার পাড়া বিধানসভা এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম দাবিদার ছিলেন মিনু বাউরি। দল মানিক বাউরিকে প্রার্থী
ঘোষণা করলে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। দলের প্রচারেও তাঁকে সেভাবে দেখা যাচ্ছিল না বলে খবর। শেষপর্যন্ত তিনি দলবদল করলেন। ঘাসের উপর জোড়া ফুল ছেড়ে তিনি পদ্মফুল তুলে নিলেন।

Advertisement

পাড়া বিধানসভা কেন্দ্রটি তফশিলি জাতিভুক্ত। ওই কেন্দ্রে তফসিলি জাতির মানুষজনের বসবাস সবচেয়ে বেশি। মিনু বাউরিকে বিজেপিতে নিয়ে গেরুয়া শিবির তফশিলি ভোট ঘরে তুলতে চাইছে কিনা সেই চর্চা চলছে। ২০০৮ সালের বিধানসভা উপনির্বাচনে সিপিএমের প্রতীকে জয়ী হয়েছিলেন। রাজ্যে পালাবদলের কয়েক বছর পর তিনি সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। মিনু বাউরি বলেন, “তৃণমূলে থেকে কোনও কাজ করা যায় না। একেবারে দমবন্ধ পরিস্থিতি। তাই বিজেপিতে এলাম। “

এই দলবদল প্রসঙ্গে পুরুলিয়া জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা বান্দোয়ানের প্রার্থী রাজীবলোচন সোরেন বলেন, “সবাইকে তো আর প্রার্থী করা যায় না। প্রার্থী না হলেই দলে ‘দমবন্ধ’ লাগবে এটা কোন ধরনের রাজনীতি? প্রার্থী ঘোষণার সময় উনি বেসুরো হয়েছিলেন। তাঁকে সতর্ক করা হয়েছিল। তাঁর কোনও নীতি-আদর্শ নেই।” তিনি আরও বলেন, “মিনু বাউরিকে সাসপেন্ড করা হল। ২৪ ঘন্টার মধ্যে নতুন মহিলা জেলা সভানেত্রী হিসাবে ঘোষণা করবে দল।” এই বিষয়ে পালটা বক্তব্য রেখেছে বিজেপির পুরুলিয়া সাংগঠনিক জেলার সভাপতি শঙ্কর মাহাতো। তিনি বলেন, “ভোটের দিন যত এগিয়ে আসবে এই জেলায় তৃণমূল তত ভাঙবে। তৃণমূলে দুর্নীতি ছাড়া আর কিছু নেই।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.