Advertisement
Advertisement
West Bengal Assembly Election

ফলতায় ফাঁকা আওয়াজ ‘সিংঘম’-এর! দাপিয়ে বেড়িয়েও রিগিং রুখতে পারলেন না কেন? উঠছে প্রশ্ন

আগামী ২১ মে ফলতায় পু্নর্নির্বাচনের নেপথ্যে পুলিশ পর্যবেক্ষকের দায়িত্বজ্ঞানহীনতাকে দায়ী করেছে তৃণমূল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩, ২০২৬, ২৩:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩, ২০২৬, ২৩:২৮

options
link
ফলতায় ফাঁকা আওয়াজ ‘সিংঘম’-এর! দাপিয়ে বেড়িয়েও রিগিং রুখতে পারলেন না কেন? উঠছে প্রশ্ন zoom
বাংলার ভোটে যোগীরাজ্যের এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট অজয় পাল শর্মার ভূমিকায় প্রশ্ন।

রাজনৈতিক সংঘাতে বরাবর তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভোটপর্ব সুসম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশন পাঠিয়েছিল উত্তরপ্রদেশের এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট, দুঁদে আইপিএস অজয় পাল শর্মাকে। গত ২৯ এপ্রিল, দ্বিতীয় দফায় এখানকার ৩১ কেন্দ্রে ভোটের (West Bengal Assembly Election) আগে দায়িত্ব নিয়েই তিনি টার্গেট করেছিলেন ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানকে। কখনও তাঁর বাড়ির সামনে গিয়ে হুঁশিয়ারি, কখনও পরিবারের সদস্যদের ডেকে সাবধান করা – এসব করেই নিজের স্বরূপ চিনিয়েছিলেন। মুখে ছিল বিশেষ ‘চিকিৎসা’র কথাও। তবে এসবই নির্বাচন পূর্ববর্তী। ভোটের দিন অবশ্য গাড়ি চড়েই টহল দিতে দেখা গেল ‘সিংঘম’ আইপিএসকে। আর ফলতার (Falta) একাধিক বুথে উঠল রিগিংয়ের অভিযোগ। যার জেরে ভোটের ফলপ্রকাশের পর, আগামী ২১ মে গোটা বিধানসভা কেন্দ্রে ফের ভোটগ্রহণ হবে। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে কমিশন নিযুক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষকের ভূমিকা বড়সড় প্রশ্নের মুখে। এত কড়া আইপিএসের নাকের ডগায় কীভাবে বেনিয়ম হল? তবে কি শুধুই ফাঁকা আওয়াজ দিয়ে গেলেন ‘সিংঘম’?

প্রশ্ন হল, ভোটের দিন ঠিক কী করছিলেন ‘সিংঘম’? তাঁর সামনে কীভাবে এত বেনিয়ম হল যে গোটা বিধানসভা কেন্দ্রে ফের ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে হল? জানা যাচ্ছে, ভোটের দিন ফলতা, মগরাহাট পশ্চিমের একাধিক জায়গায় অজয় পাল শর্মা কনভয় নিয়ে টহলদারি চালিয়েছেন। যেখানে যখন গিয়েছেন, তখন সেখানে শৃঙ্খলা মেনে ভোট হয়েছে। চোখের আড়াল হতেই দেদার বিশৃঙ্খলা। আরও তাৎপর্যপূর্ণ, যেখানে যেখানেই তিনি টহল দিয়েছেন, সেসব বিধানসভা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচন হয়েছে।

উত্তরপ্রদেশের ডিআইজি পদে রয়েছেন আইপিএস অজয় পাল শর্মা (Ajay Pal Sharma)। পুলিশ মহলে ‘রাফ অ্যান্ড টাফ’ মেজাজের জন্য সুপরিচিত। অপরাধী মাত্রই তাঁর ভয়ে নাকি কাবু। এহেন কড়া অফিসারকেই এ রাজ্যে সুষ্ঠুভাবে ভোটের (West Bengal Assembly Election) দায়িত্ব দিয়ে পাঠিয়েছিল কমিশন। কিন্তু সেই দায়িত্ব যে আদৌ ঠিকমতো পালন করতে পারেননি অজয় পাল শর্মা, তার প্রমাণ ফলতায় খোদ কমিশনের পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত। শনিবার রাতে কমিশন এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরই তৃণমূল প্রার্থী তথা দলের অন্যতম মুখপাত্র কুণাল ঘোষ নিশানা করেছিলেন পুলিশ পর্যবেক্ষককেই। তাঁর সমালোচনা, ‘‘আপনাদের মুজরো সিংঘম! সে তো এত ডায়লগ দিয়ে দাঁড়িয়ে রইল! আর এত রিগিং হল! ওকে আগে সাসপেন্ড করুন। ও কেন পার পেয়ে যাবে?”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রশ্ন হল, ভোটের দিন ঠিক কী করছিলেন ‘সিংঘম’? তাঁর সামনে কীভাবে এত বেনিয়ম হল যে গোটা বিধানসভা কেন্দ্রে ফের ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে হল? জানা যাচ্ছে, ভোটের দিন ফলতা, মগরাহাট পশ্চিমের একাধিক জায়গায় অজয় পাল শর্মা কনভয় নিয়ে টহলদারি চালিয়েছেন। যেখানে যখন গিয়েছেন, তখন সেখানে শৃঙ্খলা মেনে ভোট হয়েছে। চোখের আড়াল হতেই দেদার বিশৃঙ্খলা। আরও তাৎপর্যপূর্ণ, যেখানে যেখানেই তিনি টহল দিয়েছেন, সেসব বিধানসভা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচন হয়েছে। তবে কি এত তর্জন-গর্জন সবই স্রেফ ফাঁকা আওয়াজ? বাংলার ভোট সুষ্ঠুভাবে করাতে তিনি ডাহা ফেল? আগামী ২১ মে ফলতার পুনর্নির্বাচনে কি ফের পুলিশ পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পাবেন উত্তরপ্রদেশের ‘সিংঘম’? কমিশন জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। যোগীরাজ্যে এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট অজয় পাল শর্মার যতই নামডাক থাক, বাংলার ভোটের দায়িত্ব পালনে তিনি যে ফেল করেছেন, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.