Advertisement
Advertisement
Purbasthali

কাজই মূল মন্ত্র! জনস্বার্থে বিদায়ী মন্ত্রীর পঞ্চায়েত অফিসের তালা খুললেন ভাবী বিধায়ক

পূর্বস্থলী ১ ব্লকের তৃণমূল পরিচালিত সেই শ্রীরামপুর পঞ্চায়েতে তালা লাগিয়েছিলেন 'অত্যুৎসাহী' কয়েকজন বিজেপি কর্মী, সমর্থক।

অভিষেক চৌধুরী
অভিষেক চৌধুরী

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২৬, ১৩:৩৩

link
অভিষেক চৌধুরী
অভিষেক চৌধুরী

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২৬, ১৩:৩৩

options
link
কাজই মূল মন্ত্র! জনস্বার্থে বিদায়ী মন্ত্রীর পঞ্চায়েত অফিসের তালা খুললেন ভাবী বিধায়ক zoom
বিদায়ী মন্ত্রীর পঞ্চায়েত দপ্তরের তালা খুলে দিলেন ভাবী বিজেপি বিধায়ক, শুক্রবার পূর্বস্থলীতে। নিজস্ব ছবি
Advertisement

ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকে বিজেপি কর্মীদের উচ্ছ্বাসে বিদায়ী মন্ত্রীর পঞ্চায়েত বিভাগে তালা পড়ে গিয়েছিল। যার জেরে গত কয়েকদিন ধরে সরকারি পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হন অনেকেই। জানতে পেরে শুক্রবার পূর্বস্থলী ১ ব্লকের তৃণমূল পরিচালিত সেই শ্রীরামপুর পঞ্চায়েতের তালা নিজেই গিয়ে খুলে দিলেন পূর্বস্থলী দক্ষিণের বিজেপির ভাবী বিধায়ক প্রাণকৃষ্ণ তপাদার। শুধু তাই নয়, সাধারণ মানুষজন যাতে সরকারি পরিষেবা থেকে বঞ্চিত না হন, তার জন্য নিজেই পঞ্চায়েত প্রধানকে ফোন করেন। আবেদন জানান, পরিষেবা ফের চালু করা হোক। কোনও সমস্যা হবে না বলেও তিনি আশ্বাস দেন। প্রাণকৃষ্ণবাবুর এই উদ্যোগে খুশি তৃণমূল নেতৃত্ব-সহ পঞ্চায়েত প্রধানও।

পূর্বস্থলী ১ ব্লকের শ্রীরামপুর পঞ্চায়েত তৃণমূল পরিচালিত। ওই পঞ্চায়েত এলাকায় বাস করেন রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। ছাব্বিশের ভোটে তিনি পরাজিত হয়েছেন বিজেপি প্রার্থীর কাছে। সোমবার ভোটের ফলপ্রকাশের পরেই জয়ের আনন্দে ভেসে বিজেপির বেশ কয়েকজন সদস্য পঞ্চায়েতের গেটে তালা ঝুলিয়ে দেন বলে অভিযোগ। পঞ্চায়েত অফিস বন্ধ থাকায় সরকারি পরিষেবা ও ভিতরে থাকা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিষেবা নিতে এসে ফিরে যান অনেকেই। সমস্যায় পড়তে হয় সাধারণ মানুষজনকে।

Advertisement
শ্রীরামপুর পঞ্চায়েতের তালা খুললেন বিজেপির প্রাণকৃষ্ণ তপাদার। নিজস্ব ছবি

অন্যদিকে তৃণমূল কর্মীরা আক্রান্ত হওয়ায় অনেকেই বাড়িছাড়া বলে বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন এলাকার বিদায়ী বিধায়ক স্বপন দেবনাথ। এমনই এক পরিস্থিতিতে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে শুক্রবার পঞ্চায়েতে তালা খুলে দেন বিজেপির প্রাণকৃষ্ণ তপাদার। তিনি বলেন, “ভোটের ফলপ্রকাশের পর কিছু অসাধু ব্যক্তি হঠাৎ করে ‘বিজেপি’ হয়ে যায়। তারা বিজেপির বদনাম করার জন্য পঞ্চায়েতে তালা ঝুলিয়ে দেয়। আমাদের দল জনগণের সেবায় দায়বদ্ধ। সকলেই যাতে পরিষেবা পান তাই তালা খুলে দিলাম। পঞ্চায়েতের দায়িত্বে থাকা সকলকে আশ্বাস দিচ্ছি, আগামী দিনে কোনও সমস্যা হবে না। মানুষজনকে পরিষেবা দিন।” পঞ্চায়েতের প্রধান রীতা দেবনাথের কথায়, “প্রাণকৃষ্ণবাবু আমাকে ফোন করে আশ্বস্ত করেন। মানুষকে পরিষেবা দেওয়ার জন্য বলেছেন। উনি আমার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেছেন। এখন থেকে মানুষজনকে পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হবে।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.