একচেটিয়া বাম দুর্গ ছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। ২০০৮ সালে বাম সরকারের আমলেই পঞ্চায়েত ভোটে পূর্ব মেদিনীপুরের সঙ্গে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা পরিষদেও ঘাসফুল ফুটেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে। সেই থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকেই দু’হাত ভরে আশীর্বাদ দিয়ে গিয়েছেন এই জেলার মানুষ। তবে ছাব্বিশের নির্বাচনে তৃণমূলের গড় হিসেবে পরিচিত দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও ধরল ফাটল! প্রায় দু’দশক পর দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঘাসফুল দুর্গে গেরুয়া ঝান্ডা গেঁথে দিল বিজেপি।
এই বিষয়ে আরও খবর
ভোটগণনায় দিনভর হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তৃণমূলের দীর্ঘদিনের সাম্রাজ্যে ধাক্কা দিয়েছে বিজেপি। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় মোট আসন সংখ্যা ৩১। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে ৩০টিই ছিল তৃণমূলের দখলে। একটি পেয়েছিল নওশাদের দল আইএসএফ। এবারের নির্বাচনে ওই ফলেরই পুনরাবৃত্তি হবে বলে কার্যত আত্মবিশ্বাসী ছিল তৃণমূল। কিন্তু ইভিএম খুলতেই সব হিসাব বদলে গেল। ফলতা বিধানসভা বাদ দিলে ওই জেলার ৩০ আসনের মধ্যে ১০ টিতে দখল নিয়েছে পদ্মশিবির। সাগর, কাকদ্বীপ, গোসাবা, সাতগাছিয়া, সোনারপুর দক্ষিণ, সোনারপুর উত্তর পাশাপাশি প্রধানত শহুরে বিধানসভা কেন্দ্রগুলির মধ্যে যাদবপুর, টালিগঞ্জ, বেহালা পূর্ব ও বেহালা পশ্চিমে প্রথম জয়ের স্বাদ পেয়েছে বিজেপি। যদিও গেরুয়া ঝড়ের মাঝেও বাসন্তী, কুলতলি, পাথরপ্রতিমা, রায়দিঘি, মন্দিরবাজার, জয়নগর, সাতগাছিয়া, মহেশতলা, বজবজ আসনগুলি ধরে রাখতে পেরেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
পূর্ব বর্ধমানের সবুজ দুর্গেও ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল। ১৬ আসনের মধ্যে ১৪টিতেই জয়ী হয়েছে বিজেপি। স্বপন দেবনাথ, রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, সিদিকুল্লা চৌধুরীর মতো হেভিওয়েট নেতাদেরও হারের মুখ দেখতে হয়েছে। কেতুগ্রাম, ভাতার, রায়না, মঙ্গলকোটের মতো তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটিতেও গেরুয়া আবির উড়েছে। উত্তর ২৪ পরগনাতেও বিজেপির পক্ষেই ব্যালটের দাপট দেখিয়েছে জনতা। উত্তর ২৪ পরগনার ৩৩ আসনের মধ্যেই ২৩টিই এসেছে বিজেপির দখলে।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
বিয়ের ছ’মাসেই সুখবর! প্রকাশ্যে পরিচালক স্বামীর প্রেমের ইস্তেহারে আপত্তির মাঝেই সামান্থার ‘সারপ্রাইজ’?
-
জামাইষষ্ঠীর আনন্দ শেষে শোকের ছায়া! শ্বশুরবাড়ি থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় মৃত ২
-
১৫ বছর পর বিরোধী পরিসরে উলটপুরাণ! তৃণমূলের ভঙ্গুর জমিতে ঘর তৈরির ব্যস্ততা বাম-কংগ্রেস
-
মেদিনীপুরের পর এবার নদিয়া, সিএবি নির্বাচনে ‘রাজনৈতিক বল’ প্রয়োগের অভিযোগ
-
মাছ-মাংসের হরেক পদ! ‘হাতে সময় কম’ বলেও প্রথম জামাইষষ্ঠীর ভোজ খেলেন বিধায়ক কৌস্তভ
নিবেদিত






