কলকাতা শহর বসতির শহরে পরিণত হয়েছে, উত্তর দমদমে নির্বাচনী সভা থেকে এই অভিযোগ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তাঁর দাবি, বাম ও তৃণমূলের আমলে গোটা শহর বসতির শহর হয়ে গিয়েছে। এই শহরকে বসতিমুক্ত করার কোনও উদ্যোগ নিচ্ছেন না মুখ্যমন্ত্রী। বরং শহরের বসতিগুলিতে অনুপ্রবেশকারীদের জায়গা দিয়ে নিজের ভোটব্যাঙ্ক তৈরি করতে চান মমতা। এছাড়াও শাহের হুঁশিয়ারি, ২৯ এপ্রিল ভোটের (Bengal Election 2026) দিন তৃণমূলের গুন্ডারা বেরলে সমস্যায় পড়বেন। কলকাতা নিয়ে অমিত শাহের মন্তব্যে তৃণমূল জানিয়েছে, কলকাতা এই অপমান কখনও ভুলবে না।
এই বিষয়ে আরও খবর
এদিন অমিত শাহ ফের একবার অনুপ্রবেশ, নারী নিরাপত্তা, দুর্নীতি সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেসকে তোপ দেগেছেন। রাজ্যের শিল্পের সম্ভাবনা নিয়েও শাসকদলকে আক্রমণ করেছে অমিশ শাহ। তিনি জানিয়েছেন, আজ এক এক করে শিল্প পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে চলে যাচ্ছে।
অমিত শাহের অভিযোগ, এখানকার পুরসভা দেউলিয়া হওয়ার আগের মুহূর্তে রয়েছে। পুরসভার গাফিলতির কারণে শহরে একাধিক নোংরা জলের ঝিল তৈরি হয়েছে। মোতিঝিলও অসুদ্ধ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু কারও কিছু যায় আসে না। ৫ মের পর দমদমের পুরনো গৌরব ফেরানো হবে। এদিন অমিত শাহ ফের একবার অনুপ্রবেশ, নারী নিরাপত্তা, দুর্নীতি সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেসকে তোপ দেগেছেন। রাজ্যের শিল্পের সম্ভাবনা নিয়েও শাসকদলকে আক্রমণ করেছে অমিশ শাহ। তিনি জানিয়েছেন, আজ এক এক করে শিল্প পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে চলে যাচ্ছে। ৬ হাজার প্রতিষ্ঠান রাজ্য ছেড়ে দিয়েছে। কারণ মমতার কাটমানির লোকেরা শিল্পের পিছনে উঠেপড়ে লেগেছে। শাহের হুঁশিয়ারি, ২৯ তারিখ ভোটের দিন যেন তৃণমূলের গুন্ডারা রাস্তায় বেরোবেন না। বেরোলে সমস্যায় পড়তে হবে।
এদিনের মঞ্চ থেকে একাধিক ইস্যুতে কংগ্রেসকেও তোপ দেগেছেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, কংগ্রেসের সঙ্গে মিলে ৩৭০ ধারা ও মহিলা সংরক্ষণ বিলের বিরোধিতা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাহুল গান্ধীকে ‘রাহুল বাবা’ বলে তোপ দেগে অমিত শাহ বলেন, অসমে কংগ্রেসের সবথেকে বড় হার হবে। তামিলনাড়ু ও পণ্ডিচেরীতে ডবল ডিজিট পেরোতে পারবে না। আর পশ্চিমবঙ্গে তো খাতাই খুলতে পারবে না তারা।
দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, বিজেপি কলকাতা ও আশপাশের এলাকার বিকাশের জন্য রোডম্যাপ তৈরি করেছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে কাটমানি ও সিন্ডিকেটরাজ বন্ধ হবে। মেট্রোর বিস্তার ৩ গুণ হবে। তিনি ফের একবার অভিযোগ করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লক্ষ্য হল, তাঁর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসানো। কিন্তু তাঁর সেই লক্ষ্য পূরণ হবে না। বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলায় জন্মানো, বাংলায় কথা বলা, বাংলা মিডিয়ামে পড়া কেউই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হবেন।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
গ্রীষ্মকালীন বক্সঅফিসে ফের বাজিমাত শিবপ্রসাদ-নন্দিতার, প্রথম সপ্তাহেই দু’কোটির দুয়ারে ‘ফুলপিসি’
-
৭ বউ, পাঁচটি রাজপ্রাসাদ, ৫০০ কোটির মালিক! তৃণমূল কাউন্সিলরকে নিয়ে পোস্টার, কে এই ‘গুণধর’?
-
সেপটিক ট্যাঙ্ক পরিষ্কারে নেমে বিষাক্ত গ্যাসের কবলে, সুরাটের কারখানায় মৃত ৪ শ্রমিক
-
ওড়িশায় ৬ হাজারি মাইনের সরকারি ইঞ্জিনিয়রের বাড়িতে ২ কোটি নগদ! মিলল বিপুল সম্পত্তির হদিশ
-
জেলে বসেই সন্ত্রাসের নেটওয়ার্ক শাহজাহানের! সন্দেশখালিতে অস্ত্রভাণ্ডারের হদিশ, গ্রেপ্তার ৬
নিবেদিত






