Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
অনাথ আশ্রমে অগ্নিকাণ্ড

হাইতির অনাথ আশ্রমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মৃত ১৫ জন শিশু

উদ্ধারকারী দলের তৎপরতার অভাবেই এতগুলি শিশুর প্রাণ গিয়েছে, অভিযোগ স্থানীয়দের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২০, ১২:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২০, ১২:১২

options
link
হাইতির অনাথ আশ্রমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মৃত ১৫ জন শিশু zoom
ঘটনাস্থলের ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একটি অনাথ আশ্রমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের জেরে মৃত্যু হল ১৫ জন শিশুর। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে লাতিন আমেরিকার দেশ হাইতির রাজধানী পোর্ট আউ প্রিন্স সংলগ্ন কেনসকফ এলাকায়। কী করে আগুন লাগল তার তদন্ত শুরু হলেও এখনও পর্যন্ত এর কারণ জানা যায়নি।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হাইতির রাজধানী পোর্ট আউ প্রিন্স (Port-au-Prince) সংলগ্ন কেনসকফ এলাকায় রোজ ম্যারি লুইস নামে একটি অনাথ আশ্রম চালায় পেনসেলভেনিয়ার একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত নটা নাগাদ আচমকা আগুন লেগে যায় ওই অনাথ আশ্রমে। সেখানে থাকা কিছু শিশু বাইরে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হলেও আটকে পড়ে ১৫ জন। তাদের মধ্যে দুজন আগুন পুড়ে মারা যায়। আর বাকিরা আগুনের ফলে তৈরি হওয়া ধোঁযার কারণে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যায়।

[আরও পড়ুন: ‘উন্নয়নশীল দেশের’ তালিকা থেকে ভারতকে বাদ দিল আমেরিকা ]

 

ওই অনাথ আশ্রমের এক কর্মচারী লুইস জানান, আচমকা বিদ্যুৎ চলে গিয়েছিল। খারাপ ছিল জেনারেটরও। এর ফলে মোমবাতি জ্বালানো হয়েছিল। রাত নটার সময় আশ্রমের মধ্যে হঠাৎ আগুন দেখতে পেয়ে ছুটোছুটি করতে শুরু করে ওখানে থাকা শিশুরা। আশ্রমে কাজ করা কর্মচারীরা তাদের অনেককে বাইরে বের করে আনতে সমর্থ হলেও ১৫ জন ভিতরে আটকে পড়ে। কিছুক্ষণ বাদে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় ব্যাপিস্ট মিশন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু, সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতদের বেশিরভাগের বয়স ১০ থেকে ১১ বছরের মধ্যে।

[আরও পড়ুন: করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা, এবার বাতিল ফেসবুকের গ্লোবাল মার্কেটিং সামিট ]

 

হাইতির প্রশাসনের পক্ষে থেকে আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলেও দাবি করা হলেও অন্য সুর শোনা গিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের গলায়। তাঁদের মধ্যে একজন জিন ফ্রান্সিসকো রোবেনটি অভিযোগ করেন, আগুন লাগার প্রায় দেড়ঘণ্টা পরে মোটর সাইকেলে ঘটনাস্থলে পৌঁছন উদ্ধারকারী দলের কর্মীরা। তাঁদের কাছে না ছিল অস্কিজেনের বোতল না ছিল কোনও অ্যাম্বুল্যান্স। এর ফলে জখম শিশুদের সময়মতো হাসপাতালে ভরতি করা যায়নি। ওদের গাফিলাতির জন্যই এতগুলি শিশুর মৃত্যু হল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.