Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
শ্রীলঙ্কা

শ্রীলঙ্কায় সেনা-আইএস গুলির লড়াই, নিহত অন্তত ১৫

পরপর দু'টি আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটায় জঙ্গিরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০১৯, ১২:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০১৯, ১২:৩৯

options
link
শ্রীলঙ্কায় সেনা-আইএস গুলির লড়াই, নিহত অন্তত ১৫ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের ভয়াবহ গুলির লড়াইয়ে কেঁপে উঠল শ্রীলঙ্কা। শনিবার ভোররাত থেকে চলা সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষে চার ইসলামিক স্টেটের সদস্য-সহ মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের। দ্বীপরাষ্ট্রের সাইন্থামারাথু অঞ্চলের আমপারা এলাকাটি ঘিরে এখনও চলছে তল্লাশি অভিযান।

[আরও পড়ুন: জঙ্গি শনাক্তকরণে সুবিধার জন্য বোরখা নিষিদ্ধ শ্রীলঙ্কায়, সিদ্ধান্ত ঘিরে সমালোচনা]

Advertisement

সেনা সূত্রে খবর, শুক্রবার সকালেই আমপারা এলাকার একটি বাড়িতে জঙ্গিদের উপস্থিতির কথা জানতে পারেন গোয়েন্দারা। বাড়িটিতে অন্তত সাতজন ইসলামিক স্টেট জঙ্গি রয়েছে বলে রিপোর্ট দেন তাঁরা। সেইমতো দ্রুত এঁকে ফেলা হয় অভিযানের নকশা। রাত গভীর হতেই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে সেনাবাহিনী। সামরিক বাহিনীর উপস্থিতির কথা জানতে পেরে গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। পালটা হামলা চালায় সেনাও। বেশ কিছুক্ষণ লড়াইয়ের পর পালানোর পথ বন্ধ দেখে পরপর দু’টি আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটায় জঙ্গিরা। অবশেষে শনিবার সকালে ঘটনাস্থল থেকে ১৫টি দেহ উদ্ধার করে নিরাপত্তারক্ষীরা। নিহতদের মধ্যে চার শিশু ও ৭ মহিলাও রয়েছে বলে খবর। বিস্ফোরণে বাড়িটির প্রায় নব্বই শতাংশ পুড়ে গিয়েছে। তবুও সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও জেহাদি সাহিত্য উদ্ধার করেছে সেনা। আপাতত গোটা এলাকা ঘিরে রেখে চলছে তল্লাশি অভিযান। 

উল্লেখ্য, ইস্টার সানডে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের পর থেকেই ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রে চলছে ধরপাকড়। জঙ্গিদের দমন করতে সেনা ও পুলিশকে বিশেষ ক্ষমতা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মৈত্রীপালা সিরিসেনা। ওই হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে প্রায় ১৪০ জন ইসলামিক স্টেট সদস্যের খোঁজে লাগাতার অভিযান চলছে। অভিযোগ, কলম্বোয় ধারাবাহিক বিস্ফোরণ, প্রাণহানির নেপথ্যে ইসলামিক জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস-এর মদত থাকার তথ্য উঠে আসার পর সন্দেহ গিয়ে পড়েছে সেখানকার মুসলিম সম্প্রদায়ের উপর৷ ফলে স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তির মধ্যে পড়তে হচ্ছে তাঁদের। যদিও প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কড়া হাতে জেহাদের থাবা গুঁড়িয়ে না দিলে ভবিষ্যতে আরও রক্তাক্ত হবে শ্রীলঙ্কা।

[আরও পড়ুন: আমেরিকায় ঢুকতে সীমান্তরক্ষীর কাছে ভিক্ষা শরণার্থী মায়ের, ভাইরাল মর্মস্পশী ছবি]

            

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.