Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Strait of Hormuz

হরমুজ অবরোধে রণসাজে আমেরিকা, জলপথ ঘিরল ১৫ যুদ্ধজাহাজ, বিমানবাহী রণতরী

পারস্য উপসাগরে ১৫টি রণতরী মোতায়েন করল মার্কিন সেনা। পাশাপাশি মোতায়েন করা হয়েছে বিমানবাহী রণতরী ত্রিপোলিকেও। ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় অঞ্চলের আশপাশে এই সব রণতরীকে পাহারায় বসিয়েছে আমেরিকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৪, ২০২৬, ১৭:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৪, ২০২৬, ১৭:২৬

options
link
হরমুজ অবরোধে রণসাজে আমেরিকা, জলপথ ঘিরল ১৫ যুদ্ধজাহাজ, বিমানবাহী রণতরী zoom
হরমুজে ইরানি জাহাজ ধ্বংসের নির্দেশ ট্রাম্পের।

ইরানকে আর্থিকভাবে পঙ্গু করতে এবার হরমুজ (Strait of Hormuz) অবরোধে নেমেছে আমেরিকা। সেই লক্ষ্যেই ইরানের বন্দর ছেড়ে আসা সমস্ত জাহাজ আটকাতে এবার পারস্য উপসাগরে ১৫টি রণতরী মোতায়েন করল মার্কিন সেনা। পাশাপাশি মোতায়েন করা হয়েছে বিমানবাহী রণতরী ত্রিপোলিকেও। ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় অঞ্চলের আশপাশে এই সব রণতরীকে পাহারায় বসিয়েছে আমেরিকা।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ফোর্সের তরফে জানানো হয়েছে, হরমুজ অবরোধের যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ১৫টি রণতরীর পাশাপাশি ওই অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে ইউএসএস ত্রিপোলিকে। এই বিমানবাহী রণতরীতে রয়েছে এফ-৩৫বি লাইটনিং ২ স্টিলথ ফাইটার জেট, এমভি-২২ অসপ্রে বিমান এবং একাধিক হেলিকপ্টার। এছাড়াও সেন্টকম জানিয়েছে, ইউএসএস ত্রিপোলিকে বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে প্রয়োজনে সেখান থেকে ২০টির বেশি এফ-৩৫ জেট পরিচালনা করা যায়।

Advertisement

বিমানবাহী রণতরীতে রয়েছে এফ-৩৫বি লাইটনিং ২ স্টিলথ ফাইটার জেট, এমভি-২২ অসপ্রে বিমান এবং একাধিক হেলিকপ্টার।

উল্লেখ্য, পাকিস্তান চলা শান্তি বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর আর্থিকভাবে ইরানকে বিপাকে ফেরতে উঠে পড়ে লেগেছে আমেরিকা। স্পষ্ট ভাষায় জানানো হয়েছে, ‘আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানকে অবৈধভাবে শুল্ক দেওয়া যেকোনও জাহাজকে আটক করবে মার্কিন সেনা। অবৈধভাবে ইরানকে শুল্ক দেওয়া কেউই সমুদ্রে নিরাপদ নয়। যদি ইরান আমাদের বা জাহাজের উপর হামলা করে তবে ওদের নরকে পাঠানো হবে।’ পাশাপাশি মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ড ঘোষণা করেছে, ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় এলাকা অবরোধ করবে তারা।

অন্যদিকে ইরানের তরফে পালটা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানানো হয়েছে, ‘এই অঞ্চলের বন্দরগুলির নিরাপত্তা হয় সবার জন্য থাকবে, নাহলে কারও জন্য থাকবে না। যদি ইরানের বন্দরকে নিশানা করা হয়, তবে পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরের কোনও বন্দরই নিরাপদ থাকবে না।’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.