Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
Saleh Mohammadi

আল্লার বিরুদ্ধাচরণ! ইরানের ১৯ বছরের কুস্তিগিরকে প্রকাশ্য়ে ফাঁসিতে ঝোলাল আয়াতোল্লা প্রশাসন

মূল্যবৃদ্ধি, স্বাস্থ্য-শিক্ষা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যর্থতা, কট্টরপন্থী ধর্মীয় শাসনের বিরুদ্ধে পথে নেমেছিলেন ইরানের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করা কুস্তিগির।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২০, ২০২৬, ১৬:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২০, ২০২৬, ১৬:৩৪

options
link
আল্লার বিরুদ্ধাচরণ! ইরানের ১৯ বছরের কুস্তিগিরকে প্রকাশ্য়ে ফাঁসিতে ঝোলাল আয়াতোল্লা প্রশাসন zoom
ইরানের কুস্তিগির সালেহ মহম্মদি। ফাইল ছবি।
Advertisement

মাত্র ১৯ বছর বয়সি তরুণ কুস্তিগিরকে ফাঁসিতে ঝোলাল ইরান! বৃহস্পতিবার প্রকাশ্যে তিনজন প্রতিবাদীকে ফাঁসি দিয়েছে খামেনেই প্রশাসন। তারমধ্যে একজন সালেহ মহম্মদি (Saleh Mohammadi)। সম্প্রতি একের পর এক আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে ইরানের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। জিতেছেন খেতাবও। কিন্তু ‘ঈশ্বরের বিরুদ্ধে অপরাধে’র অভিযোগে ইরানের প্রশাসনই কেড়ে নিল মহম্মদির প্রাণ।

গত বছরের শেষ থেকে মোল্লাতন্ত্রের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়ে ইরানের আমজনতা। কাতারে কাতারে মানুষ পথে নামেন আয়াতোল্লা প্রশাসনের বিরুদ্ধে। বর্তমানে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে ইরান। কিন্তু তার মধ্যেও দেশের অন্দরে প্রতিবাদীদের দমন করতে ভুলছে না তেহরান। পথে নেমে যারা বিক্ষোভে শামিল হয়েছেন, তাঁদের বিচার এবং শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। মহম্মদির বিরুদ্ধে অভিযোগ, গতবছর বিক্ষোভ চলাকালীন দু’জন পুলিশকর্মীকে হত্যা করেছেন তিনি এবং তাঁর দুই সঙ্গী। গোটা ঘটনাকে ঈশ্বরের বিরুদ্ধে অপরাধ হিসাবে অভিহিত করেছে ইরানের প্রশাসন।

Advertisement

তরুণ কুস্তিগিরের পাশাপাশি মেহদি ঘাসেমি এবং সইদ দাভোদির ফাঁসির আদেশ দেয় প্রশাসন। যদিও এই রায়ের বিরুদ্ধে অ্যামনেস্টি-সহ নানা মানবাধিকার সংগঠন গর্জে। ফাঁসির সাজা যেন রুখে দেওয়া যায়, এই মর্মে আন্তর্জাতিক মহলে আবেদন জানানো হয়। কিন্তু কূটনীতি বা ক্রীড়া-কোনও ক্ষেত্র থেকেই ইরানকে চাপ দেওয়া হয়নি। শেষ পর্যন্ত প্রতিভাবান কুস্তিগিরকে ফাঁসি দেওয়া হল। মাত্র ১৯ বছর বয়সে শেষ হয়ে গেল এক উদীয়মান খেলোয়াড়ের জীবন।

প্রসঙ্গত, ইরানে মূল্যবৃদ্ধি, স্বাস্থ্য-শিক্ষা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যর্থতা, কট্টরপন্থী ধর্মীয় শাসনের বিরুদ্ধে গত বছর থেকেই পথে নেমেছে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। সেসময়েই অভিযোগ উঠেছিল, ক্ষোভ রুখতে হিংসাত্মক দমন-পীড়ন চালাচ্ছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, কেউ বিক্ষোভে শামিল হলেই তাঁকে ‘ঈশ্বরের শত্রু’ তকমা দিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে। গণবিক্ষোভে উত্তাল ইরানে অন্তত ২ হাজার প্রতিবাদীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়। ১০ হাজার জনকে জেলবন্দিও করা হয়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.