Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
চিন করোনা

‘মারণাস্ত্র’ করোনা বিশ্বে ছড়িয়েছে চিনই, জিনপিং সরকারের বিরুদ্ধে মামলা মার্কিন আইনজীবীর

২০ ট্রিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৯, ২০২০, ২১:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৯, ২০২০, ২১:৫০

options
link
‘মারণাস্ত্র’ করোনা বিশ্বে ছড়িয়েছে চিনই, জিনপিং সরকারের বিরুদ্ধে মামলা মার্কিন আইনজীবীর zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে জাল বিছিয়েছে করোনা ভাইরাস। আর এই মহামারি ছড়ানোর জন্য আঙুল উঠছে চিনের বিরুদ্ধ্। এবার চিনের জিনপিং সরকারের বিরুদ্ধে ১৫০ লক্ষ কোটি টাকার মামলা দায়ের করলেন এক মার্কিন আইনজীবী। টেক্সাসের আদালত এই মামলা ইতিমধ্যে গ্রহণ করেছে বলে খবর। মার্কিন আইনজীবীর সঙ্গে জোট বেঁধে চিনের সেনা, ইউহানের জীবাণু গবেষণা কেন্দ্রের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করেছে একটি মার্কিন প্রতিষ্ঠান ফ্রিডম ওয়াচ ও বাজ ফটোস। তাঁদের অভিযোগ, কোনও প্রাকৃতিক বিবর্তন নয়, বরং চিনের গবেষণাগারেই দীর্ঘদিন ধরে এই জীবাণু তৈরি করা হচ্ছিল। আর সেই মারণ জীবাণুর কামড়ে এখন বিশ্ববাসীর প্রাণ ওষ্ঠাগত।

আদালতে করা অভিযোগে বলা হয়েছে, ‘প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসটি চিন ‘যুদ্ধের জৈবিক অস্ত্র’ হিসেবে তৈরি করেছে। চিনের ইচ্ছা বা অনিচ্ছায় এটি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে মার্কিন আইন লঙ্ঘনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আইন, চুক্তি ও নিয়ম লঙ্ঘন হয়েছে।’ অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ‘মার্কিন সেনা অথবা যারা চিনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পারে, তাঁদের ধ্বংস করতেই এই মারণ ভাইরাস তৈরি করেছে চিন। ইউহানের ল্যাবরেটরি থেকে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে।’ পাশাপাশি চিনের থেকে ২০ ট্রিলিয়ন ডলার বা ১৫০ লক্ষ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে।যা চিনের সমগ্র অর্থনীতির চেয়েও বেশি। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের জন্য এর আগেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্ট ভাষায় চিনকে দায়ী করেছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কয়েকদিন আগে এটিকে চাইনিজ ভাইরাস হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘আমি ভয় পাইনি’, বলছেন করোনা যুদ্ধে জয়ী নবতিপর বৃদ্ধা]

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ইউহানে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের বিষয়টি সামনে আসে। চিনে মৃত্যু মিছিল শুরু হয়। মাস তিনেকের মধ্যে চিনে মহামারি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। কিন্তু ততদিন গোটা বিশ্বে এই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। ইউরোপ, আমেরিকায় বাড়তে থাকে আক্রান্তের সংখ্যা। ইতিমধ্যে আমেরিকায় আক্রান্ত হয়েছেন হাজারের বেশি। বাড়ছে মৃত্যুও। তবে এই মারণরোগকে কেন্দ্র করে চিন-আমেরিকার দ্বৈরথ যে নতুন মাত্রা পাবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

[আরও পড়ুন: মহামারির থাবায় জনশূন্য ভ্যাটিকান, বৃষ্টি মাথায় একাই প্রার্থনা করছেন পোপ ফ্রান্সিস]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.