Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Woman right

স্বামীর হাতে স্ত্রীর মারধর ন্যায়সঙ্গত! মনে করেন প্রতি চারে একজন, দাবি রাষ্ট্রসংঘের

নারী-পুরুষের সমানাধিকারে বিশ্বাসী মাত্র ২৭ শতাংশ!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৩, ২০২৩, ১৭:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৩, ২০২৩, ১৭:৫৭

options
link
স্বামীর হাতে স্ত্রীর মারধর ন্যায়সঙ্গত! মনে করেন প্রতি চারে একজন, দাবি রাষ্ট্রসংঘের zoom
প্রতীকী ছবি।
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নারীকে বলা হয় অর্ধেক আকাশ। কিন্তু তা যেন কথার কথা হয়েই রয়ে গিয়েছে। বহু দশক ধরেই সারা পৃথিবী জুড়ে অব্যাহত নারী অধিকার নিয়ে আন্দোলন। কিন্তু তাতেও যে ছবিটা বদলায়নি তা পরিষ্কার হয়ে গেল রাষ্ট্রসংঘের (UN) রিপোর্টে। এই রিপোর্টের দাবি, বিশ্বে প্রতি চারজনে একজন মানুষ মনে করেন, স্ত্রীকে স্বামীর মারধর করাটা ‘ন্যায়সঙ্গত! এই তালিকায় কেবল পুরুষরাই নেই। বহু নারীও এমনটা মনে করেন। কেবল মারধর করাই নয়, শিক্ষা, রাজনীতি ও অর্থনৈতিক অধিকারের ক্ষেত্রেও নারীর অধিকারকে অবদমনের প্রতিই পক্ষপাতদুষ্ট বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ।

সদ্য়ই প্রকাশিত হয়েছে ‘ইউনাইটেড নেশনস ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামস ২০২৩ জেন্ডার সোশ্যাল নর্মস ইনডেস্ক’। এই রিপোর্টে সাধারণ ভাবে চারটি মূল বিষয়ে নজর রাখা হয়েছে। এর মধ্যে মহিলাদের মারধর করা ছাড়াও রাজনৈতিক, শিক্ষা, অর্থনীতির মতো দিকগুলিও রয়েছে। এক্ষেত্রে যে ধরনের পক্ষপাতমূলক ধারণাগুলি রয়েছে, তা হল রাজনৈতিক নেতা হিসেবে মহিলাদের থেকে পুরুষরা বেশি যোগ্য, বিশ্ববিদ্যালয় মহিলাদের থেকেও পুরুষদেরই বেশি প্রয়োজন, মহিলাদের থেকে চাকরির প্রয়োজনও বেশি রয়েছে পুরুষদের, ব্যবসায় সাফল্যও পুরুষরাই বেশি পায়। এর সঙ্গেই রয়েছে পুরুষদের হাতে মহিলাদের শারীরিক নিগৃহের মধ্যে ‘ন্যায়’ খুঁজে পাওয়ার মতো বিষয়টিও। দেখা যাচ্ছে, অন্তত ৯০ শতাংশ মানুষই এই ধারণাগুলির মধ্যে কোনও না কোনও ধারণা পোষণ করেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: দলীয় কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকায় হাজিরা দেওয়া সম্ভব না, ইডিকে চিঠি অভিষেকের]

রাজনৈতিক পক্ষপাতের দিকটিতে বিশ্বাস রয়েছে ৬৯ শতাংশ পুরুষের। ৪০ শতাংশের বেশি মানুষ মনে করেন, ব্যবসায় মহিলাদের থেকে বেশি সফল হন পুরুষরাই। গণতন্ত্রে নারী-পুরুষের সমানাধিকারে বিশ্বাসী মাত্র ২৭ শতাংশ! আর ২৫ শতাংশ মানুষই মনে করেন, পুরুষদের হাতে নারীর শারীরিক নিগ্রহ ‘ন্যায়সঙ্গত’! এদিকে ২৮ শতাংশ মানুষের ধারণা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষায় পুরুষেরই অগ্রাধিকার।

[আরও পড়ুন: দলীয় কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকায় হাজিরা দেওয়া সম্ভব না, ইডিকে চিঠি অভিষেকের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.