৩১ ভাদ্র  ১৪২৬  বুধবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তাজিকিস্তানের জেলে ইসলামিক স্টেট জঙ্গিদের সঙ্গে নিরাপত্তারক্ষীদের গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হল ৩২ জনের। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে তাজিকিস্তানের রাজধানী দুশানবে-এর ১০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত ভাখদাত শহরে।

দেশটির ন্যায় মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলবন্দি থাকা আইএস জঙ্গিরা তিনজন নিরাপত্তারক্ষী ও পাঁচ বন্দিকে ছুরি দিয়ে খুন করে। এরপরই দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে মারামারি শুরু হয়। কয়েক ঘণ্টা পর ২৪ জন জঙ্গিকে খতম করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন জেলের অন্য নিরাপত্তারক্ষীরা। গন্ডগোলের সময় ওই জেলে প্রায় দেড় হাজার বন্দি ছিল।

[আরও পড়ুন- ডাহা ফেল ইমরানের মাস্টারপ্লান, তৈলভাণ্ডারের খোঁজ পেল না পাকিস্তান ]

জেল প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, তাজিকিস্তানের স্পেশাল ফোর্সের প্রাক্তন কর্নেল গুলমুরাদ খালিমোভের ছেলে বেখরুজ গুলমুরাদ উসকানি দিয়েছিল। তারপরই গন্ডগোল শুরু হয়। গুলমুরাদ খালিমোভ ২০১৫ সালে স্পেশাল ফোর্সের চাকরি ছেড়ে আইএসআইএস জঙ্গি সংগঠনে যোগ দেয়। তারপর সিরিয়ায় তাদের হয়ে যুদ্ধ করতে গিয়ে খতম হয়।

[আরও পড়ুন- সন্তানকে জ্যান্ত কবর কুমারী মায়ের, নতুন জীবনদানে মাতৃত্বের স্বাদ দিল সারমেয়]

উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বর মাসে তাজিকিস্তানের অন্য একটি জেলে প্রায় একইভাবে সংঘর্ষ লাগিয়েছিল আইএসআইএস জঙ্গিরা। তার  আগে জুলাই মাসে তাজিকিস্তান বেড়াতে আসা বিদেশি পর্যটকদের ওপর আত্মঘাতী হামলাও চালায়।

প্রায় এক দশক আগে ‘আল কায়দা‘-র শাখা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে জঙ্গি সংগঠনটি৷ ২০০৬ সালে ‘আইএসআই’ বা ‘ইসলামিক স্টেট অফ ইরাক‘ নাম গ্রহণ করে এই জঙ্গিগোষ্ঠী৷ ইরাকে সাদ্দাম হুসেনের পতনের পর থেকেই রাজধানী বাগদাদে নাশকতা চালাতে শুরু করে দলটি৷ তবে মার্কিন সেনার পালটা হামলায় বাগদাদ ছাড়তে বাধ্য হয় তারা৷ কিন্তু, কয়েকদিনের মধ্যে মসুলে শক্তি সংগ্রহ করতে নেমে পড়ে ‘আইএসআই’৷ ২০১০ সালে সংগঠনের রাশ ধরে কুখ্যাত জঙ্গি আবু বকর আল-বাগদাদি৷ দু’বছরের মধ্যেই সিরিয়ায় ‘জাভাত আল-নুসরা’ নাম নিয়ে উপস্থিতি জানান দেয় সংগঠনটি৷ তারপর ‘আইএসআই’ ও ‘আল নুসরা’ মিলে গঠন করা হয় ‘ইসলামিক স্টেট অফ ইরাক এন্ড সিরিয়া’ বা আইএসআইএস৷

এরপর গত মার্চে প্রায় চার বছর ধরে চলা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের শেষে পরাজিত হয় আইএসআইএস জঙ্গিরা৷ এর ফলে পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয় একসময়ে ইরাক ও সিরিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে গড়ে উঠা খিলাফতের সাম্রাজ্য৷ শেষ আশ্রয় বাঘউজ দখলের চূড়ান্ত লড়াইয়ে তাদের পরাজিত করে মার্কিন মদতপুষ্ট কুর্দিশ মিলিশিয়া ‘সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেস’৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং