৯ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

বোমার আঘাতে ছিন্নভিন্ন ইসলামিক স্টেটের কেরল শাখার প্রধান  

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: June 3, 2019 11:40 am|    Updated: June 3, 2019 1:54 pm

An Images

ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মার্কিন হানায় নিহত ইসলামিক স্টেটের কেরল শাখার প্রধান রশিদ আবদুল্লাহ৷ আফগানিস্তানে আমেরিকার বোমারু বিমানের হামলায় ওই জঙ্গি ছাড়াও নিকেশ হয়েছে আরও পাঁচ ভারতীয় জেহাদি৷

[আরও পড়ুন: তাইওয়ান নিয়ে হুঙ্কার ‘ড্রাগনের’, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ঘনাল যুদ্ধের মেঘ]

সোশ্যাল মিডিয়ায় অতিসক্রিয় ছিল আবদুল্লাহ৷ জেহাদের বিষ ছড়াতে নেটদুনিয়ায় যুবকদের মগজধোলাই করত ওই জঙ্গি৷  মেসেজিং অ্যাপ ‘টেলিগ্রাম’-এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের মতবাদ ছড়াত কেরলের কাসারগড় জেলার বাসিন্দা ওই জঙ্গি৷ বিগত দু’মাস ধরে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে একপ্রকার হওয়া হয়ে গিয়েছিল আবদুল্লাহ৷ তারপরই শুরু হয় তার খোঁজ৷ জানা যায়, মার্কিন সেনার সঙ্গে লড়াইয়ে যোগ দিতে আফগানিস্তানে গিয়েছিল সে৷ সেখানেই মার্কিন বোমাবর্ষণে প্রায় দু’মাস আগে নিহত হয়েছে আবদুল্লাহ৷ কয়েকদিন আগেই এই খবরের সত্যতা স্বীকার করে টেলিগ্রামের মাধ্যমে একটি বার্তা দেয় এক আইএস জঙ্গি৷ আফগানিস্তানের খোরাসান প্রদেশ থেকে ওই জঙ্গি জানায়, মাস দুই আগে তাদের ডেরায় ভয়াবহ বোমাবর্ষণ করে মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলি৷ ওই হামলায় নিহত হয়েছে কেরল শাখার প্রধান রশিদ আবদুল্লাহ-সহ পাঁচ ভারতীয় সদস্য ও চার শিশু৷ কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে খবর, ২০১৬ সালের মে মাসে আবদুল্লাহর নেতৃত্বে কেরল থেকে ২১জন পাড়ি দেয় আফগানিস্তানের উদ্দেশে৷ ওই জঙ্গিনেতার সঙ্গে তার স্ত্রী আয়েশা ওরফে সোনিয়াও ছিল৷ মার্কিন হামলায় আয়েশাও নিহত হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে৷     

উল্লেখ্য, কেরল ছাড়াও ভারতের অন্যান্য রাজ্যে শিকড় জমাতে চাইছে ইসলামিক স্টেট৷ বিশেষ করে তাদের নজরে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ৷ পড়শি বাংলাদেশ থেকে জেহাদিরা এই রাজ্যে ঘাঁটি গাড়তে চেষ্টা চালাচ্ছে৷ জেহাদি সংগঠনটি বাংলাদেশ ও ভারতে নাশকতামূলক ঘটনা সংগঠিত করার চেষ্টা করছে৷ বিশেষ করে নিশানায় রয়েছে বাংলা৷ বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই রাজ্যে সরাসরি হামলা চালানোর ক্ষমতা নেই আইএসের৷ তবে জেএমবির মতো জেহাদি সংগঠনগুলিকে হামলার জন্য কাজে লাগাতে পারে ইসলামিক স্টেট৷ বাংলাদেশে ইসলামিক স্টেটের উপস্থিতি রয়েছে৷ নব্য জেএমবি আইএসেরই শাখা সংগঠন৷ ফলে পশ্চিমবঙ্গে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে এরাজ্যে প্রবেশ করতে পারে জঙ্গিরা৷ উল্লেখ্য, খাগড়াগড় বিস্ফোরণের পর রাজ্য ও দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে পুলিশের জালে পড়েছে একাধিক জেএমবি জঙ্গি৷           

[আরও পড়ুন: জোর করে গোমাংস খাওয়ানোর অভিযোগ, সৌদি আরবে বিপাকে হিন্দু যুবক]

 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement