Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
হ্যারি-মেগান

আর রাজকুমার নন, এবার কী নামে ডাকা হবে ‘প্রিন্স’ হ্যারিকে?

রাজপরিচয় ছাড়ায় দম্পতিকে বিশেষ নিরাপত্তা দেবে না কানাডা সরকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২০, ১৩:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২০, ১৩:৩৯

options
link
আর রাজকুমার নন, এবার কী নামে ডাকা হবে ‘প্রিন্স’ হ্যারিকে? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘কী নামে ডেকে বলব তোমাকে….’ জনপ্রিয় এই বাংলা গানটিই বোধহয় এই মুহূর্তে ব্রিটেনে সবচেয়ে চর্চিত প্রশ্ন। রাজপরিবার-রাজ পরিচয় ত্যাগ করেছেন প্রিন্স হ্যারি ও তাঁর স্ত্রী মেগান মর্কেল। তারপর কী নামে ডাকা হবে ব্রিটেনের একসময়কার ছোট রাজকুমারকে, এই প্রশ্নে এখন জেরবার ব্রিটেনের বাসিন্দারা। সাম্প্রতিক এক অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে অবশ্য স্পষ্ট উত্তর দিয়েছেন ‘প্রিন্স’ হ্যারি। এদিকে বাকিংহাম প্যালেস ছাড়ার পর কানাডার সমুদ্র সৈকতে বেশকিছু দিন কাটিয়েছেন তাঁরা। সেখানে বিশেষ নিরাপত্তা পেতেন এই দম্পতি। কিন্তু এবার আর তাঁদের নিরাপত্তার জন্য কানাডা সরকার কানাকড়িও আর খরচ করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। 

ডায়নার ছোট ছেলে প্রিন্স হ্যারি ও ছোট বউমা মেগান মর্কেলকে এতদিন ‘ডিউক এন্ড ডাচেস অব সাসেক্স’ বলে ডাকা হত। কিন্তু জানুয়ারিতে সকলে হতবাক করে রাজ পরিবার ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন হ্যারি। তারপরই নিয়মমাফিক তাঁদের সম্বোধনে বদল আসে। সাম্প্রতিক এক অনুষ্ঠানে হ্যারি জানান, তাঁকে ডিউক বা প্রিন্স নয়, স্রেফ হ্যারি বলে সম্বোধন করলেই চলবে। প্রসঙ্গত, বরাবরই ছক ভাঙা জীবনযাপনে অভ্যস্ত হ্যারি। সেই পথে চলেই ‘স্বাধীনভাবে বাঁচতে’ বাকিংহাম প্যালেস তথা রাজ পরিচয় ছেড়েছেন তিনি ও তাঁর স্ত্রী। ফলে ব্রিটেনের আর পাঁচজনের মতোই তাঁকেও স্রেফ নাম ধরে সম্বোধন করলেই চলবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন : উপ-স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পর এবার করোনায় আক্রান্ত ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট]

এদিকে ব্রিটেনের রাজবাড়ি ছেড়ে কানাডায় সমুদ্রের পাশে থাকছেন এই হ্যারি-মেগান। এতদিন সেখানে তাঁদের নিরাপত্ত দিত কানাডা রয়্যাল মাউন্টেড পুলিশ। যার সম্পূর্ণ খরচ বহন করত কানাডা সরকার। এবার মার্চের শুরু থেকেই নিরাপত্তা সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে কানাডার ৭৭ শতাংশ মানুষই হ্যারি-মেগানের নিরাপত্তার জন্য কর দিতে রাজি নয়। পাশাপাশি এই দম্পতি ব্রিটেন রাজ পরিবারেরও সদস্য নয়। ফলে বিশেয নিরাপত্তা সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে  জানিয়েছেন কানাডার জন নিরাপত্তা মন্ত্রী বিল ব্লেয়ার।

[আরও পড়ুন :পঙ্গপালের হাত থেকে বাঁচতে চিনা ‘হংস বাহিনী’র দ্বারস্থ পাকিস্তান]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.