সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাছ ধরার নৌকায় চেপে চলছিল বিপজ্জনক যাত্রা। সেই নৌকা ডুবে গিয়ে মৃত্যু হল অন্তত ৯০ জনের। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা। মোজাম্বিকের (Mozambique) এই ভয়াবহ ঘটনায় মৃতদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু। উদ্ধারকাজ শুরু হওয়ার পর মাত্র ৫ জনকে পাওয়া গিয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।
জানা গিয়েছে, নামপুলা শহরের দিকে যাচ্ছিল ওই নৌকাটি। ছোট মাছ ধরার নৌকা হলেও তাতে ১৩০ জন যাত্রী ছিল। যাত্রার সময়েই হঠাৎ খবর ছড়ায়, যাত্রীদের মধ্যে একজন কলেরা আক্রান্ত। সেই কথা শুনেই নৌকা ছেড়ে পালাতে চেষ্টা করেন অন্য যাত্রীরা। সেই সময় অত্যধিক হুড়োহুড়ির ফলে নৌকাটি ডুবে যায়। সঙ্গে সঙ্গে জলে তলিয়ে যান যাত্রীরা। খবর পেয়েই শুরু হয় উদ্ধারকাজ।
[আরও পড়ুন: ৬ মাস ধরে হামাসের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘাত, অবশেষে পিছু হটছে ইজরায়েল সেনা?]
নামপুলা প্রদেশের প্রধান জেমি নেটো বলেন, নৌকাটি মোটেও যাত্রী বহনের উপযুক্ত নয়। নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই অনুমান। কারণ এখনও পর্যন্ত মাত্র ৫ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা গিয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উদ্ধারকাজও ব্যাহত হচ্ছে। তবে ছোট নৌকায় কী করে এত যাত্রী ওঠার অনুমতি দেওয়া হল, সেই নিয়ে চলছে তদন্ত।
উল্লেখ্য, গত অক্টোবর থেকে কলেরার কবলে পড়েছে মোজাম্বিক। অন্তত ১৫ হাজার মানুষ কলেরা আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৩২ জনের। এহেন পরিস্থিতিতে কলেরা গুজব শুনেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছিল নৌকার যাত্রীদের মধ্যে। নেটোর কথায়, যাত্রীরা সকলেই হয়তো নৌকা ছেড়ে পালাতে চেষ্টা করছিলেন। তাতেই বিপত্তি। আপাতত চিকিৎসাধীন রয়েছেন উদ্ধার হওয়া ২ যাত্রী। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।
[আরও পড়ুন: ‘আমাদের ইস্তেহার কেমন?’ জনমত চাইলেন রাহুল, ‘পাকিস্তানের উপযুক্ত’, খোঁচা বিজেপির]
সর্বশেষ খবর
-
কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফের জোরাল ভূমিকম্প, ইন্দোনেশিয়ায় লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা
-
রাত নামলেই চলত দেহব্যবসা! স্বাধীনতা দিবসে বসিরহাটের গেস্টহাউসে চলা কেলেঙ্কারির পর্দাফাঁস
-
মুখে বন্দে মাতরম, মনে দেশপ্রেম! জলবন্দি স্কুলে নৌকায় চেপে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন খুদে পড়ুয়াদের
-
‘অরবিন্দের যোগচর্চা ফিরিয়েছেন মোদি’, জন্মদিনে ঋষি অরবিন্দর বাড়ি গিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন শুভেন্দুর
-
রাজ্যে ফের কোভিডে মৃত্যু! প্রাণ গেল দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতালের সুপারের