৪ শ্রাবণ  ১৪২৬  শনিবার ২০ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যেখানে বাঘের বয় সেখানেই নাকি সন্ধে হয়। এ প্রবাদ হয়তো জানতেন না ওই আল ওয়াহাবি। কিন্তু এর মর্মার্থ তাঁর থেকে ভাল বোধহয় আর কেউ জানলেনও না। কেননা মসজিদেই তাঁর ঘনঘন বাতকম্মো হয়। আর তার জেরেই মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হল ওই ব্যক্তিকে।

man-fart-died_web

[ মসজিদ শব্দ দূষণের উৎস! পাঠ্য পুস্তকের ছবি ঘিরে বিতর্ক ]

ইসলামাবাদ হেরাল্ডে-এর এ খবরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা বিশ্বে। শরিয়তি আইনের নানা নির্মম রূপ বিভিন্ন সময়ে দেখেছে দুনিয়া। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, এই কারণের জন্যও কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া সম্ভব? বিচারক অবশ্য তা দিতে দ্বিধা করেননি। জানা যাচ্ছে, এই রায় ঘোষণার আগে বহুবার সতর্ক করা হয়েছিল ওই ব্যক্তিকে। মোট ৬টি আলাদা মসজিদ থেকে অন্তত ১৭ বার তাঁকে বহিষ্কৃত করা হয়েছিল। কিন্তু তাতে কাজের কাজ কিছু হয়নি। বিচারকের মতে, বহু মানুষকে এই কম্মের জন্য মসজিদ ছাড়তে বাধ্য করেছেন ওই যুবক। যা ধর্মীয় বিরোধিতারই শামিল। আর তাই ‘আল্লাহর ইচ্ছা অনুযায়ী’ তাঁর শাস্তি হওয়াই বাঞ্ছনীয়।

[ মা-বাবার ব্যবহৃত কন্ডোম নিয়ে এ কী করল মেয়ে! ]

আত্মপক্ষ সমর্থন করে ওই যুবক জানিয়েছিলেন, তিনি বিরল এক অসুখে আক্রান্ত। তার জেরেই বারবার ঘটেছে এই বিপত্তি। কোনও উকিলই তাঁর হয়ে লড়ার সাহস দেখাননি। যেখানে ধর্ম বিরোধিতার প্রশ্ন উঠেছে, সেখানে কেউই পাশে এসে দাঁড়াননি। এবং খোদ ওই ব্যক্তিও বিচারকের রায়ের বিরোধিতা করেননি। তিনিও জানিয়েছেন, বহুবার তিনি এ বিপত্তি এড়ানোর চেষ্টা করেছেন। পায়ুতে ‘ট্যাম্পুন’ গুঁজেও আটকানোর চেষ্টা করেছেন, কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয়নি। উলটে কোরান মতে আরও দোষী হয়েছেন। কেননা, ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী মলদ্বারে কিছু গোঁজা, এমনকী আঙুল দেওয়াও অন্যায়। আল্লাহর কাছে তিনি নিজে এ জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। তাঁর দুই স্ত্রী ও সন্তানদের যেন আল্লাহ ক্ষমা করেন, এটাই এখন একমাত্র কামনা তাঁর। অন্যান্যদের মতেও, যেভাবে ধর্ম বিরোধিতা করেছেন ওই ব্যক্তি সেই তুলনায় স্বাভাবিক মৃত্যুদণ্ড অত্যন্ত লঘু শাস্তি। পাথর ছুড়ে ওই ব্যক্তিকে হত্যা করা উচিত বলেই মত অনেকের।

[ তাক লাগানো ‘লং লেগস’, বিশ্বরেকর্ডের অপেক্ষায় এই প্রাক্তন অলিম্পিয়ান  ]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং