BREAKING NEWS

১৪ মাঘ  ১৪২৯  রবিবার ২৯ জানুয়ারি ২০২৩ 

READ IN APP

Advertisement

যত্রতত্র ছড়িয়ে দেহ, হিসাব নেই মৃত্যুর! লাতিন আমেরিকার এই শহর যেন সাক্ষাৎ যমপুরী

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: April 5, 2020 10:06 am|    Updated: April 5, 2020 10:09 am

Bodies are being left in the streets in overwhelmed Ecuadorian city

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চিন, ইটালি, স্পেন, ফ্রান্স, আমেরিকা, প্রথম বিশ্বের এই দেশগুলিতে করোনার দাপট সম্পর্কে গোটা বিশ্ব অবগত। কিন্তু সবার অলক্ষ্যে মানবজাতির ভয়াবহতম শত্রু নিজের করাল থাবায় গ্রাস করেছে লাতিন আমেরিকার আরেকটি দেশকে। সেটি হল ইকুয়েডর। কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের খবর, করোনার থাবায় শ্মশানের চেহারা নিয়েছে ইকুয়েডরের একাধিক শহর। যেখানে সেখানে পড়ে মৃতদেহ। ইয়ত্তা নেই মৃত্যুর সংখ্যার। চিকিৎসা ব্যবস্থা আগেই ভেঙে পড়েছে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে মৃতদেহ সৎকার করারও বন্দোবস্ত নেই।

Eq

অসহনীয় পরিস্থিতি ইকুয়েডরের (Ecuador) সবচেয়ে জনবহুল শহর গুয়াইয়াকিলে। এই শহরটি একপ্রকার মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। যত না জীবন্ত মানুষ দেখা যাচ্ছে, তাঁর থেকে বেশি দেখা যাচ্ছে লাশ। সরকারি হিসেবে মৃত্যুর সংখ্যা মোট সাড়ে তিনশো মোটে। কিন্তু ঘরে ঘরে যখন মৃত্যু মিছিল তখন হিসেব রাখবে কে। শুধু গুয়াইয়াকিলের (Guayaquil) স্থানীয় হাসপাতালগুলিই বলছে প্রতিদিন গড়ে ১০০-র বেশি মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। মর্গে জায়গা নেই। জায়গা নেই কবরস্থানে। তাই সৎকার করা যাচ্ছে না। হাসপাতালগুলি তাই কোনওক্রমে ঢাকা দিয়ে খোলা জায়গাতেই ফেলে রাখছে দেহ। যেখানে সেখানে মৃতদেহগুলি এমনভাবে পড়ে থাকছে, যেন সাক্ষাৎ যমপুরী।

[আরও পড়ুন: ‘করোনার জন্য চিনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক’, রাষ্ট্রসংঘে আরজি আন্তর্জাতিক আইনজ্ঞ সংসদের]

 

eq

এত গেল হাসপাতালের পরিস্থিতি। শহরের প্রতিটি বাড়িতেই কারও না কারও করোনার (CVID-19) উপসর্গ ধরা পড়েছে। অথচ তাঁদের পরীক্ষা বা চিকিৎসা কোনওটিরই ব্যবস্থা নেই। স্থানীয়দের কারও প্রিয়জন, হাসপাতালে ৫ দিন অপেক্ষার পরও হয়তো চিকিৎসা না পেয়ে মারা গিয়েছেন, আবার কাউকে ভরতিই করা যায়নি। সবচেয়ে হৃদয়বিদারক ঘটনা হল প্রিয়জনদের দেহ সৎকার পর্যন্ত করতে পারছে না ইকুয়েডরবাসী। এ হেন ভয়াবহ পরিস্থিতিতেও নিরুপায় প্রশাসন। স্থানীয়রা প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেও তাঁরা অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোনও উপায় বলতে পারছেন না। চিকিৎসার বন্দোবস্ত করা অসম্ভব। তাই সরকার এখন চেষ্টা করছে যাতে মৃতদেহগুলি সৎকার করা যায়। একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের দাবি, করোনার জেরে ইকুয়েডরে মৃতের সংখ্যাটা আমেরিকাকেও পেরিয়ে যেতে পারে।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে