Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৩ জুলাই ২০২৬

দাউদের প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ব্রিটেন

বিপাকে ভারতের 'মোস্ট ওয়ান্টেড' এই 'ডন'।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৭, ০৯:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৭, ০৯:৫৯

options
link
দাউদের প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ব্রিটেন zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাঁড়াশি চাপে বিধ্বস্ত কুখ্যাত ডন দাউদ ইব্রাহিম। সন্ত্রাসবাদ আইনে দেশবিরোধী কার্যকলাপ রোধে ভারতের পর এবার তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ব্রিটেন সরকারও। মুম্বই হামলার এই ‘মাস্টারমাইন্ড ডন’-এর লন্ডন-সহ ব্রিটেনের একাধিক জায়গায় প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি ছিল। সেই সব স্থায়ী, অস্থায়ী সম্পত্তির দখল নিল ব্রিটেন প্রশাসন। ২০১৫ সালে ভারতের তরফে দাউদ সংক্রান্ত যাবতীয় নথি তুলে দেওয়া হয়েছিল লন্ডনের হাতে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও সে দেশে সফরের সময় তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের কাছে দাউদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার জন্য আবেদন করেছিলেন। সেদিক থেকে লন্ডনের এই সিদ্ধান্ত ভারতকেও অনেকটাই স্বস্তি দিল। একইসঙ্গে পাকিস্তানে পলাতক মুম্বইয়ের একসময়ের কুখ্যাত ডনের বিদেশের বাণিজ্যেও ধাক্কা দিতে পারা গেল।

[পাকিস্তানে খেলতে আসুক বিরাট-ধোনিরা, আরজি ক্রিকেটপ্রেমীদের]

ফোর্বসের প্রকাশিত একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বের কুখ্যাত গ্যাংস্টারদের মধ্যে অন্যতম ধনী ব্যক্তি দাউদ ইব্রাহিম। আমেরিকা, ব্রিটেন, আফ্রিকা, দক্ষিণ এশিয়া, ইউরোপ জুড়ে দাউদের ব্যবসা-সম্পত্তি ছড়ানো রয়েছে। মাদক পাচার, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবসা, হিরের খনি-সহ একাধিক ব্যবসা রয়েছে ১৯৯৩ সালে মুম্বইয়ে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের এই মূলচক্রীর। বিভিন্ন দেশে অন্তত ৫০টি বাণিজ্যক্ষেত্রে তাঁর বিপুল বিনিয়োগ করা রয়েছে। তারই মধ্যে থেকে লন্ডনের বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় দাউদের প্রচুর বিলাসবহুল বাড়ি, হোটেল, ফার্ম হাউস বাজেয়াপ্ত করল ব্রিটিশ সরকার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বর্তমানে দাউদের ঠিকানা পাকিস্তানের করাচির ৩০ নম্বর রাস্তার ৩৭ নম্বর ডিফেন্স হাউজিং অথোরিটি। বিশাল সেই বাড়িটি পাকিস্তানের ‘হোয়াইট হাউস’ নামেই পরিচিত। দাউদকে ভারতে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বহুবার ইসলামাবাদকে চাপ দিয়েছে নয়াদিল্লি। কিন্তু প্রতিবারই ভারতের প্রতিবেশী দেশটি জানায়, দাউদ সে দেশে নেই। যদিও একাধিকবার দাউদের করাচির বাড়িতে ফোনে আড়ি পেতে তাঁর গলার স্বর শুনতে পেয়েছেন ভারতের তদন্তকারী অফিসাররা। ব্রিটেন দাউদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করায় তাঁর বিশাল সাম্রাজ্যের কিছুটা লোকসান হল বলেই দাবি তাঁদের।

[রোল কলের জবাবে ‘জয় হিন্দ’ বলুক পড়ুয়ারা, নিদান মন্ত্রীর]

এদিকে, জানা গিয়েছে আমেরিকায় দাউদের মোট ৪৫ কোটির সম্পত্তি আছে। অন্যান্য দেশের সম্পত্তির তুলনায় যা অত্যন্ত কম। দুবাই, সৌদি আরব-সহ পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতেও দাউদের নির্দেশে প্রচুর অবৈধ ব্যবসা চলে। ইদানীং অসুস্থতার কারণে নিজে সব দেখতে না পারলেও ঘনিষ্ঠ অনুচরদের সাহায্যে ব্যবসা চালায় ও নানাভাবে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে মদত দেয়। ১৯৯৩ সালে বাণিজ্যনগরীতে ধারাবাহিক বিস্ফোরণে নিহত হন ২৭০ জন। গুরুতর জখম হয়েছিলেন সাতশোরও বেশি মানুষ। আইএস, আল কায়েদা জঙ্গিগোষ্ঠীর মতোই দাউদকেও আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী হিসাবে চিহ্নিত করে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ। রাষ্ট্রসঙ্ঘের বিভিন্ন সভায় সন্ত্রাস দমনে একজোটে আমেরিকা, ব্রিটেন, ভারত কাজ করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে। সেই দিক থেকে ব্রিটিশ সরকারের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর ফলে ভারত ও ব্রিটেনের মধ্যে কূটনৈতিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক আরও মজবুত হল। দাউদের বিরুদ্ধে ব্রিটেনের এই ব্যবস্থা গ্রহণ কার্যত ভারতের বিদেশমন্ত্রকের বড় সাফল্য বলেই মনে করছে নয়াদিল্লি।

[ডিভোর্স পেতে ছয় মাসের অপেক্ষা ‘বাধ্যতামূলক নয়’, জানাল সুপ্রিম কোর্ট]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.