Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
বরিস জনসন

ভারতীয় বংশোদ্ভূত স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়ে ২৫০ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন বরিস জনসন

দু'বছর পর বিবাহবিচ্ছেদ মামলার নিষ্পত্তি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২০, ১৭:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২০, ১৭:৪৭

options
link
ভারতীয় বংশোদ্ভূত স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়ে ২৫০ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন বরিস জনসন zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বউকে ডিভোর্স দিয়েও যে ইতিহাসে নাম তোলা যায় তা দেখিয়ে দিলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরসি জনসন। করোনা যুদ্ধে জিতেই সদ্য বাবা হয়েছেন বরিস। বান্ধবীর কোলে এসেছে ফুটফুটে ছেলে। কিন্তু এবার বউয়ের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন করে ভাঙলেন ২৫০ বছরের রেকর্ড। ব্রিটেনের ইতিহাসে ২৫০ বছর পর কোনও প্রধানমন্ত্রী পদে থাকাকালীন ডিভোর্স দিলেন স্ত্রীকে। কিছুদিন আগে মৃত্যুমুখ থেকে ফিরে আসা বরিসের কীর্তি ফের শিরোনামে এনেছে তাঁকে।

সম্প্রতি ভারতীয় বংশোদ্ভূত স্ত্রী মারিনা উইলারের সঙ্গে পাকাপাকি ভাবে বিবাহবিচ্ছেদ করে ফেললেন বরিস জনসন। ১৯৯৩ সালে প্রথম স্ত্রী অ্যালেগ্রা ওয়েনের সঙ্গে ডিভোর্সের ১২ দিন পর ম্যারিনাকে বিয়ে করেন বরিস। প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়ে সহপাঠী উইলারের কাছে ফিরে গিয়েছিলেন বরিস। ম্যারিনার বাবা ব্রিটিশ হলেও মা ভারতীয় বংশোদ্ভূত। বরিস ও ম্যারিনার দুই ছেলে ও দুই মেয়েও বর্তমান। কিন্তু দাম্পত্য কলহের জেরে ২০১৮ সাল থেকে বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ২ বছর পর ডিভোর্সের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হল।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সোশ্যাল মিডিয়ায় ইসলামবিরোধী পোস্ট, চাকরি খোয়ালেন কানাডার ভারতীয় বংশোদ্ভূত যুবক]

এবার নিজের সন্তানের মা ক্যারি সাইমন্ডসকে বিয়ে করার ক্ষেত্রে আইনত আর কোনও বাধা নেই বরিসের। গত ২৯ এপ্রিল লন্ডনের একটি হাসপাতালে সন্তান প্রসব করেছেন ক্যারি। প্রসঙ্গত, ১৭৬৯ সালে ব্রিটেনের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অগাস্টাস ফিৎজরয় পদে থাকাকালীন নিজের স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়েছিলেন। তার ২৫০ বছর পর সেই রেকর্ড ভাঙলেন বরিস।

[আরও পড়ুন: রাজকোষ গড়ের মাঠ, লকডাউন তুলে দিচ্ছে ‘ফতুর’ পাকিস্তান   ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.