৫ আশ্বিন  ১৪২৬  সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দরজা খোলা অবস্থায় ট্রেন ছুটিয়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় কলকাতা মেট্রোর কুখ্যাতি আছেই। এভাবে ট্রেন ছোটায় এক নাগরিকের মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। সেসব ঘটনা নিয়ে তোলপাড় কম হয়নি। কিন্তু এবার একই ঘটনার সাক্ষী এমন এক জায়গা, যার নাম শুনলে তাজ্জব বনে যাবেন।

[আরও পড়ুন : হংকংয়ে হুলুস্থুলু, ব্রিটিশ কনসুলেটের কর্মীকে আটক করল চিন]

ঘণ্টায় ২৮০ কিলোমিটার গতিবেগ। রেলট্র্যাকের উপর দিয়ে ঝাঁ-চকচকে দ্রুতগতির বুলেট ট্রেন। জাপানের অতি সাধের একটি আবিষ্কার, সে দেশের পরিবহণের লাইফলাইনও বলা যেতে পারে। সেই বুলেটই কি না ছুটল দরজা খোলা রেখে! তবে ভরা ট্রেনে প্রায় সাড়ে তিনশো যাত্রীর কেউই আহত হননি। বুধবার এমন ঘটনাকে যান্ত্রিক নয়, ‘মানবিক ত্রুটি’ বলে উল্লেখ করে ‘নজিরবিহীন’ বলছেন পূর্ব জাপান রেলওয়ের আধিকারিকরা।

বুধবার হায়াবুসা থেকে টোকিও যাচ্ছিল ৪৬ নং বুলেট ট্রেনটি। জাপানের গর্ব এই বুলেট ট্রেন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি নিরাপদ এবং দ্রুতগতির পরিবহণ হিসেবে খ্যাত। এক মিনিট ট্রেন দেরি করলে, চালক ব্যক্তিগতভাবে যাত্রীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন। তো এই ট্রেনটি টোকিও যাওয়ার টানেলের ভিতর সেনডাই স্টেশন ছাড়ার পর ১ মিনিট ছুটল দরজা খোলা রেখে। গতি অবশ্য একই ছিল, ঘণ্টায় ২৮০ কিলোমিটার। আচমকাই কনডাক্টরের চোখে পড়ে একটি আলোর সংকেত। তাতেই তিনি সচকিত হয়ে দেখেন, ৯ নম্বর কামরার দরজাটি খোলা। তিনিই বিষয়টি চালকের নজরে আনেন। জাপানে এমন ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তে বেশি সময় লাগেনি। সঙ্গে সঙ্গে সংবাদমাধ্যম পৌঁছে যায় ঘটনাস্থলে। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওই কনডাক্টর জানিয়েছেন, “ঘটনাটি ঘটেছে, একজন সাফাইকর্মী কামরাটি পরিষ্কার করার পর দরজা খুলে রেখেই চলে যাওয়ার পর। আমরা এর জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত। তবে স্বস্তির বিষয়, দরজা খোলা থাকায় কোনও যাত্রীরই কোনও ক্ষতি হয়নি।”   

[আরও পড়ুন : পাকিস্তানের আশায় জল, আফগানিস্তান থেকে সরছে না মার্কিন ফৌজ]

দ্রুততম গতিসম্পন্ন বুলেট ট্রেন জাপানের খুব বড় আবিষ্কার। প্রযুক্তির দিক থেকে এশিয়ার কম্পনপ্রবণ দ্বীপদেশটি সকলকে ছাপিয়ে এগিয়ে গিয়েছে। তারই অন্যতম বড় ও সফল প্রয়োগ বুলেট ট্রেন। দ্রুতগতির এই ট্রেন এতই সময়নিষ্ঠ যে এক মিনিট দেরিও বড় অপরাধের পর্যায়ে পৌঁছে যায়। এই পরিস্থিতিতে দরজা খোলা রেখে ট্রেন ছোটার বিষয়টিকে বেশ গুরুত্ব সহকারেই দেখছে রেল কর্তৃপক্ষ।  

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং