Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
আমেরিকা

ইরানের উপর নিষেধাজ্ঞার জের, ভারতকে সস্তায় তেল দিতে নারাজ আমেরিকা

ওয়াশিংটন জানিয়েছে, দেশে তেল কেনাবেচা নিয়ন্ত্রণ করে বেসরকারি সংস্থাগুলি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৭, ২০১৯, ১২:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৭, ২০১৯, ১২:০৩

options
link
ইরানের উপর নিষেধাজ্ঞার জের, ভারতকে সস্তায় তেল দিতে নারাজ আমেরিকা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতকে সস্তায় তেল বিক্রি করা সম্ভব নয়। সাফ জানিয়ে দিল আমেরিকা। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, দেশে তেল কেনাবেচা নিয়ন্ত্রণ করে বেসরকারি সংস্থাগুলি। তাই দিল্লিকে সস্তা দামে জ্বালানি সরবরাহ করতে পারবে না আমেরিকা।    

[সাড় ছিল না হাতে, তাই অসমাপ্ত লিওনার্দোর ‘মোনা লিসা’]

Advertisement

 সম্প্রতি এক বাণিজ্য সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে এসেছেন মার্কিন বাণিজ্য সচিব উইলবার রস। সোমবার তিনি জানান, ভারতকে সস্তায় তেল বিক্রি করা যাবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াশিংটন। আমেরিকায় তেল কেনাবেচা নিয়ন্ত্রণ করে বেসরকারি সংস্থা। জ্বালানির বাজারে দামের ওঠা নামাও ঠিক হয় বাজারের নীতি মেনেই। ফলে সেই প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করতে পারবে না মার্কিন সরকার। ফলে ইরান থেকে তেল আমদানি বন্ধ করলেও দিল্লিকে সস্তায় জ্বালানির যোগান দিতে পারবে না আমেরিকা। 

মার্কিন বাণিজ্য সচিবের এহেন বয়ানে বেশ কিছুটা অস্বস্তিতে পড়েছে কেন্দ্র। কারণ, ইরান থেকে তেল আমদানি বন্ধ হয়ে বজারের জ্বালানির দাম বাড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি দিল্লিকে অন্য দেশের থেকে অনেক সস্তায় তেলের যোগান দিয়ে এসেছে তেহরান। উল্লেখ্য, ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করার অভিযোগ এনেছে আমেরিকা। পরমাণু গবেষণা নিয়ে ওয়াশিংটনের দেওয়া শর্ত মানেনি তেহরান। তাই বিশ্বের প্রথম সারির তেল উৎপাদনকারী দেশটি থেকে তেল আমদানির উপর নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে আমেরিকা।

তবে গত বছরের নভেম্বর মাসে সেই নিষেধাজ্ঞায় কিছুটা ছাড় দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ইরান থেকে তেল আমদানির জন্য ভারত-সহ আটটি দেশকে ছ’মাসের জন্য ছাড়পত্র দিয়েছিল ওয়াশিংটন। তারই মেয়াদ ফুরিয়ে গিয়েছে চলতি মাসের ৬ তারিখ। অর্থাৎ মে মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই ইরান থেকে তেল আমদানি করতে পারবে না ভারত। আমেরিকার সিদ্ধান্তে ইতিমধ্যেই ক্ষোভ জানিয়েছে রাশিয়া। কারণ, আন্তর্জাতিক বাজারে তেল-বাণিজ্যে ওপেক (অর্গানাইজেশন অব পেট্রলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ) গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলিকে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করে মস্কো। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দরে বড় ধরনের হেরফের হওয়ার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নেয় ভেনেজুয়েলা এবং লিবিয়া। চলতি বছরে এই দু’দেশে চরম অস্থিরতা থাকা সত্ত্বেও তেলের দাম মোটামুটি একটা জায়গায় থিতু ছিল। কিন্তু ইরানকে ‘শাস্তি’ দিতে গিয়ে তেল আমদানির মেয়াদ না বাড়ানোর সিদ্ধান্তে বেশ বিপাকে পড়ে গিয়েছে ভারত সহ-আটটি দেশ।       

[ব্রিটিশ রাজপরিবারে নতুন সদস্যের আগমন, মা হলেন মেগান মর্কেল]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.