Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Iran

আইন বদলে ১২ বছরেই সেনায় নিয়োগ, আমেরিকার বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরছে ইরানি শিশুরাও!

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের (IRGC) তরফে 'For Iran' নামক এক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যার মাধ্যমে যুদ্ধে সহায়কের ভূমিকায় নিয়োগ করা হচ্ছে, ১২ বছরের শিশুদেরও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০২৬, ১৬:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০২৬, ১৬:৪০

options
link
আইন বদলে ১২ বছরেই সেনায় নিয়োগ, আমেরিকার বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরছে ইরানি শিশুরাও! zoom
ছবি এআই দ্বারা নির্মিত।

মধ্যপ্রাচ্যে ভয়ঙ্কর যুদ্ধের মাঝেই সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। আমেরিকার বিরুদ্ধে এবার শিশুদেরও যুদ্ধে নামাচ্ছে ইরান। জানা যাচ্ছে, যুদ্ধের জেরে সেনায় যোগ দেওয়ার ন্যূনতম বয়সসীমা কমিয়ে ১২ বছর করা হয়েছে। আপৎকালিন পরিস্থিতিতে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের (IRGC) তরফে ‘For Iran’ নামক এক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যার মাধ্যমে যুদ্ধে সহায়কের ভূমিকায় নিয়োগ করা হচ্ছে, ১২ বছরের শিশুদেরও।

আইআরজিসির শীর্ষ আধিকারিক রহিম নাদলি দেশের সরকারি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, যুদ্ধের জেরে দেশ রক্ষার্থে ইরানের যুবসমাজ সরাসরি সেনায় যোগ দিচ্ছে। অল্পবয়সিরাও ভিড় করতে শুরু করেছে যুদ্ধে যোগ দেওয়ার জন্য। দেশের প্রতি তাদের ভালবাসাকে গুরুত্ব দিয়ে আমরা সেনায় যোগ দেওয়ার ন্যূনতম বয়সসীমা কমিয়ে ১২ বছর করেছি। এখন থেকে ১২-১৩ বছরের বালকরাও সেনাবাহিনীকে সাহায্যের কাজে নিযুক্ত হবে। ‘ফর ইরান’ উদ্যোগের মাধ্যমে এই বালকরা টহল, চেক পয়েন্ট পাহারা ও রসদ সরবরাহের মতো কাজে সহায়কের ভূমিকা পালন করবে। তবে ইরানের এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিতে শুরু করেছে। কারণ যুদ্ধক্ষেত্রে শিশুদের নিয়োগ আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।

Advertisement

‘ফর ইরান’ উদ্যোগের মাধ্যমে এই বালকরা টহল, চেক পয়েন্ট পাহারা ও রসদ সরবরাহের মতো কাজে সহায়কের ভূমিকা পালন করবে।

তবে সেনাবাহিনীতে শিশুদের ব্যবহারের অভিযোগ ইরানের বিরুদ্ধে নতুন নয়। জানা যায়, ২০২২ সালে মাহসা আমিনি হত্যাকাণ্ডের পর দেশজুড়ে তৈরি হওয়া বিক্ষোভ দমনে এই বালক সেনাদের নামিয়েছিল ইরান প্রশাসন। সেই সময় শিশু-কিশোরদের সেনার পোশাক পরিহিত সশস্ত্র ছবি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলি ইরানের এই ধরনের কার্যকলাপের ব্যাপক নিন্দা করেছে আগেও।

শুধু তাই নয়, দেশে কোনও রকম বিক্ষোভ দমনে নৃশংসভাবে শিশুদের হত্যা করারও অভিযোগ উঠেছে ইরানের সেনার বিরুদ্ধে। মানবাধিকার সংগঠনগুলির অভিযোগ, ২০২৬ সালের শুরুতে ইরানে যে ব্যাপক বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে সেই সময় নিরাপত্তারক্ষীরা ২০০-র বেশি বালক-বালিকাদের হত্যা করেছিল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.