BREAKING NEWS

২৭ আষাঢ়  ১৪২৭  রবিবার ১২ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

অ্যাপ ব্যানের ‘বদলা’, এবার ভারতীয় সংবাদপত্র ও ওয়েবসাইটের জন্য দরজা বন্ধ হল চিনে

Published by: Sandipta Bhanja |    Posted: July 1, 2020 10:35 am|    Updated: July 1, 2020 12:08 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লাদাখ ইস্যুতে ক্রমশই অবনতি হচ্ছে ইন্দো-চিন (Indo-China) দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। সোমবার রাতেই দেশের সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৫৯টি চিনা অ্যাপ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কেন্দ্র। সেই খবর পেয়েই উদ্বেগ বাড়তে থাকে চিনের বিদেশমন্ত্রকের। তারপরই মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্ত হজম করতে না পেরে চিনে ভারতীয় সংবাদপত্র এবং ওয়েবসাইটের অ্যাক্সেস বন্ধ করল বেজিং।

এবার থেকে ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (Virtual Private Network) কিংবা ভিপিএন সার্ভার ছাড়া ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কোনও ওয়েবসাইটই চিনে বসে দেখা যাবে না। সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, মঙ্গলবার থেকেই ভারতীয় ওয়েবসাইটগুলির অ্যাক্সেস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে চিনের সর্বত্র। তবে, ভারত কিন্তু ব্যক্তিগত তথ্য বেহাত না হওয়ার স্বার্থে চিনা অ্যাপ বন্ধ করলেও চিনা ওয়েবসাইটগুলির ক্ষেত্রে কোনওরকম বিধিনিষেধ এখনও অবধি আরোপ করেনি। ফলে, ভারতে বসে চিনা সাইটগুলি অনায়াসেই অ্যাক্সেস করা যাচ্ছে। তবে এক্ষেত্রে উল্লেখ্য, চিন ভারতীয় ওয়েবসাইটের অবাধ প্রবেশাধিকারে রাশ টানলেও এখানকার টিভি চ্যানেলগুলি কিন্তু এখনও পর্যন্ত আইপি টিভির (IP TV) মাধ্যমে অ্যাক্সেস করা যাচ্ছে সেখানে। 

[আরও পড়ুন: ভারতের পর আমেরিকার কাছে ধাক্কা চিনের, বিনিয়োগকারীর তালিকা থেকে বাদ দুই চিনা সংস্থা]

জানা গিয়েছে, চিনে এই মূহূর্তে ডেস্কটপ ও আইফোনে এক্সপ্রেস ভিপিএন (Express VPN) কাজ করছে না। ভারতীয় ওয়েবসাইটগুলিতে ঢুকতে হলে চিনের নাগরিকদের ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্কের (VPN) দ্বারস্থ হতে হচ্ছে। তবে, চিনের কাছে মজুত অত্যাধুনিক ফায়ারওয়াল প্রযুক্তি দ্বারা অনায়াসেই এই ভিপিএন ব্লক করারও অস্ত্র রয়েছে।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি লাদাখের গালওয়ান (Galwan) সীমান্তে চিনের সঙ্গে সংঘাতের জেরে ২০জন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হয়েছেন। জখম হয়েছেন আরও ৭০ জন। সংশ্লিষ্ট সংঘাতকে কেন্দ্র করেই ইন্দো-চিন সম্পর্কের অবনতি ঘটছে ক্রমশ। সীমান্তে এখনও জারি চরম উত্তেজনা। উপরন্তু, ভারতীয় ভূ-খণ্ড বেআইনি ভাবে দখল করে রেখেছে লালফৌজ। ভারতের সঙ্গে তৃতীয় দফায় বৈঠক হলেও বেজিং কিন্তু এখনও অবধি কোনওরকম ইতিবাচক পদক্ষেপ করেনি। এহেন পরিস্থিতিতে চিনকে সবক শেখাতেই ভারত সরকারের এই ‘ডিজিটাল স্ট্রাইক’। তবে তা যে জিনপিং সরকারের মোটেই হজম হয়নি, তা ২৪ ঘণ্টা পেরোতে না পেরোতেই বোঝা গেল!

[আরও পড়ুন: পাকিস্তানকে গ্রাস করেছে সন্ত্রাসের ‘ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন’, করাচি হামলায় ভারতকেই দুষলেন ইমরান]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement