Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Dalai Lama

দলাই লামাকে শুভেচ্ছা জানানোয় মোদিকে কটাক্ষ চিনের, খোঁচা আমেরিকাকেও

বুধবার ছিল দলাই লামার ৮৭তম জন্মদিন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২২, ১৮:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২২, ১৮:১১

options
link
দলাই লামাকে শুভেচ্ছা জানানোয় মোদিকে কটাক্ষ চিনের, খোঁচা আমেরিকাকেও zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বুধবার ছিল তিব্বতি ধর্মগুরু দলাই লামার (Dalai Lama) ৮৭তম জন্মদিন। তাঁকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আর এতেই চটেছে চিন। বৃহস্পতিবারই চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান কটাক্ষ করে বললেন, চিনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতেই তিব্বতের সঙ্গে জড়িত বিষয়কে ব্যবহার করতে চায় ভারত। নয়াদিল্লির পাশাপাশি দলাই লামাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বেজিংয়ের খোঁচার মুখে পড়তে হয়েছে ওয়াশিংটনকেও।

বুধবারই দলাই লামাকে ফোনে শুভেচ্ছা জানান মোদি। পরে তিনি টুইটারে লেখেন, ”আজ ফোনে মহামহিম দলাই লামার ৮৭তম জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাই। আমি তাঁর দীর্ঘ জীবন ও সুস্বাস্থ্যের প্রার্থনা করি।” প্রসঙ্গত, গত বছরও দলাই লামাকে তাঁর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন মোদি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: নৃশংস হত্যা! যুবককে বেধড়ক মারধর, ইলেকট্রিক শক দিয়ে খুন করল প্রেমিকার পরিবার]

১৯৫৯ সালে চিনা হানাদার বাহিনীর হাত থেকে বাঁচতে তিব্বত থেকে দলবল সমেত পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন দলাই লামা। তারপর থেকেই তাঁকে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ বলে মনে করে বেজিং। দলাই লামা বহুবার ভারতের সাহায্য নিয়ে চিনের হাত থেকে তিব্বতকে স্বাধীন করার চেষ্টা করেছেন। সেই নেহরুর আমল থেকেই তাঁকে নিয়ে ভারতের সঙ্গে চিনের কূটনৈতিক টানাপোড়েন চলেছে। সেই টানাপোড়েনের মাত্রা যে এতটুকু কমেনি তা ফের পরিষ্কার হয়ে গেল বৃহস্পতিবার। এদিন ঝাও লিজিয়ানকে বলতে শোনা যায়, ”ভারতের উচিত চতুর্দশ দলাই লামার চিন-বিরোধী বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রকৃতিকে সম্পূর্ণ স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।”

দলাই লামাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও। তাঁকেও ঝাও লিজিয়ান মনে করিয়ে দিয়েছেন, ”তিব্বত ইস্যু একান্তই চিনের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। এই ব্যাপারে কোনও রকম বিদেশি হস্তক্ষেপ পছন্দ করে না বেজিং।” এই ধরনের মন্তব্য থেকে পরিষ্কার, ভারত ও আমেরিকাকে চাপে রাখার খেলা অব্যাহত রাখতে চাইছে চিন।

এদিকে অবিলম্বে সীমান্ত সমস্যার সমাধান চেয়ে বৃহস্পতিবারই বৈঠকে বসেছেন ভারত এবং চিনের বিদেশমন্ত্রীরা। জি-২০ দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদের সম্মেলনে (G-20 Summit) যোগ দিতে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে গিয়েছেন ভারতীয় বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর (S Jaishankar)। সেখানেই চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ইর (Wang Yi) সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেছেন তিনি।

[আরও পড়ুন: ‘কালী বিতর্কে কথা বলার অধিকার নেই BJP’র’, দিলীপের পুরনো মন্তব্যকে হাতিয়ার করে পালটা কুণালের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.