৪ মাঘ  ১৪২৫  শনিবার ১৯ জানুয়ারি ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফিরে দেখা ২০১৮ ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে আগেই উইঘুর মুসলিমদের ‘ডিটেনশন ক্যাম্পে’ পাঠিয়েছে চিন৷ এবার নবরূপে ইসলাম ধর্মকে আবিষ্কারের নামে এবং ‘উগ্রবাদ’ দূর করতে আরও কঠোর নিয়ম বলবৎ করতে চলেছে শি জিনপিং প্রশাসন৷ তাও আবার রীতিমতো আইনি পথে৷

[৪৫টি কুমিরের সঙ্গে ঘরসংসার, দিব্য আছেন বুরুন্ডির এই বাসিন্দা ]

চিনা সংবাদপত্র গ্লোবাল টাইমস জানিয়েছে, ইসলাম ধর্মকে ‘চিনারূপ’ প্রদান করতে৷ সেই ধর্ম থেকে ‘উগ্রবাদ’কে ঝেড়ে ফেলতে, সম্প্রতি একটি আইন পাশ করেছে চিন সরকার৷ তাও আবার সেদেশের আটটি ইসলামিক সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে৷ তাঁদের পরামর্শ নিয়ে৷ বৈঠকে প্রশাসনের তরফ থেকে প্রস্তাব দেওয়া হয়, সেদেশের সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সমাজতত্ত্বের নীতিতে ইসলামের আত্মপ্রকাশ ঘটাতে ইচ্ছুক সরকার৷ নব কলেবর ইসলামকে সাজাতে চান তারা৷ সেজন্যই নয়া আইন আনতে চায় চিন৷ সূত্রের খবর, প্রশাসনের সেই প্রস্তাবে রাজি হন উপস্থিত আটটি ইসলামিক সংগঠনের শীর্ষ নেতারা৷ এরপরই পাশ হয় নয়া আইন৷ আগামী পাঁচ বছরের জন্য যা বলবৎ হবে চিনে বসবাসকারী ২০ মিলিয়ন মুসলিমের উপর৷

[সংখ্যালঘু প্রীতি প্রমাণে মোদিকে বেনজির আক্রমণ পাক প্রধানমন্ত্রীর]

‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে’ পাঠানোর নামে আগেই এক মিলিয়ন উইঘুর সম্প্রদায়ের মুসলিমদের জিনজিয়াং প্রদেশের বিশেষ ‘ডিটেনশন ক্যাম্পে’ পাঠিয়েছে চিন৷ রাষ্ট্রসংঘে প্রকাশিত রিপোর্টে বলছে, ওই ক্যাম্পগুলিতে রীতিমতো মগজ ধোলাই করা হয় উইঘুরদের৷ চলে অকথ্য অত্যাচার৷ এমনকী, উইঘুরদের মধ্যে হালাল-বিরোধী অভিযানও শুরু করেছে জিনপিং সরকার৷ প্রশাসনের দাবি, উইঘুর মুসলিমদের মধ্যে হালালের ধারনা কার্যত গোঁড়ামিতে পরিণত হয়েছে৷ তাঁদের সেই ধারনা থেকে মুক্তি দেওয়া প্রয়োজন৷ ওই সংখ্যালঘু মুসলিমদের যথাযথ শিক্ষার প্রয়োজন৷ তবে আশ্চর্যের বিষয় হল ‘ইসলাম ধর্মে’র উপর চিনা প্রশাসনের এই ‘দাদাগিরি’ পরও চুপ ইসলামিক দেশগুলি৷ মুখে কুলুপ এঁটেছে পাকিস্তান, সৌদি আরব, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার মতো ইসলামিক রাষ্ট্রগুলি৷ এমনকি চুপ রয়েছে অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কর্পোরেশন৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং