Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
CIA

চিনের চোখরাঙানিতেই করোনাকে মহামারি ঘোষণায় দেরি WHO’র, দাবি সিআইএর

এর আগে একই অভিযোগ করেছিল জার্মানিও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২০, ১৪:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২০, ১৪:১০

options
link
চিনের চোখরাঙানিতেই করোনাকে মহামারি ঘোষণায় দেরি WHO’র, দাবি সিআইএর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চিন করোনার ভয়াবহতাকে চেপে যেতে চেয়েছিল। এ নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে রীতিমতো হুমকি দিয়েছিল জিনপিং প্রশাসন। জার্মানির পর একই অভিযোগে সরব হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা CIA। এ নিয়ে তাদের হাতে যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ রয়েছে বলে দাবি করেছে গোয়েন্দা সংস্থা। যদিও সেই দাবির সত্যতা আগেই
উড়িয়ে দিয়েছিল হু।

চিনের নির্দেশেই করোনাকে মহামারি ঘোষণা করতে দেরি করেছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।দিন কয়েক আগে ‘প্রমাণ’-সহ বিস্ফোরক দাবি করে জার্মান সংবাদমাধ্যম ‘ডের স্পিজেল’। তাঁদের
দাবি, জানুয়ারিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিরেক্টর-জেনারেল টেড্রোস আধানম ঘেব্রিয়েসুসের (Tedros Adhanom Ghebreyesus) সঙ্গে ফোনে কথা বলেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping )। তাঁর নির্দেশেই করোনাকে মহামারি ঘোষণা করতে দেরি করে WHO। যদিও এই সব অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ঝলসে গেলেন ভেন্টিলেটরে থাকা পাঁচ করোনা রোগী, শুরু তদন্ত]

নিউজ উইকে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, এবার একই অভিযোগ করল সিআইএ। তাঁদের দাবি, জানুয়ারি মাসে হু প্রধানের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের ফোনে কথা হয়। সেসময় রীতিমতো হুমকি দিয়ে জানানো হয়, করোনাকে বিশ্বব্যাপী মহামারি ঘোষণা করলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে
সাহায্য করবে না চিন।আর তাই ডিসেম্বরে ইউহানে করোনা দাপট দেখাতে শুরু করলেও তা নিয়ে বিশেষ মাথা ঘামায়নি। এমনকী, জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে স্পেন, ইটালিতে মারণ খেলা দেখানোর পর এটিকে বিশ্বব্যাপী মহামারি বলে ঘোষণা করা হয়।ততদিনে বিশ্বের বিভিন্নপ্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে এই জীবাণু।

[আরও পড়ুন: ‘চিকিৎসার মাধ্যমে কমানো যাচ্ছে করোনার ভয়াবহতা’, আশার কথা শোনাল WHO]

প্রসঙ্গত, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার অভিযোগ করেছেন, চিনের গবেষণাগারই তৈরি হয়্ছে করোনার মারণ জীবাণু। কিন্তু তা মানতে রাজি নয় চিন। ফলে দুদেশের সম্পর্কের ফাটল আরও চওড়া হয়্ছে। দুদেশের মধ্যে কার্যত ঠান্ডা লড়াই শুরু হয়েছে। এবার সিআইএ’র দাবিতে সেই টানাপোড়েন যে আরও বাড়বে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.