২ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

এবার চিনের নজর ভারতের আরেক ‘বন্ধু’ রাষ্ট্রে, ভুটানের জমিতে নির্মাণ কাজ করছে লালফৌজ

Published by: Paramita Paul |    Posted: September 13, 2020 6:53 pm|    Updated: September 13, 2020 6:54 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবার ভুটানের (Bhutan) জমিতে নজর ড্রাগনের। ভারতের পড়শি দেশের জমিকে নিজের বলেই বলে দাবি করতে শুরু করেছে চিন (China)। মধ্য ও পশ্চিম সেক্টরে সেই জমিতে চিন রাস্তা, হেলিপ্যাড বানাচ্ছে বলেও অভিযোগ। পূর্বদিকের অভয়ারণ্যের একাংশ নিজেদের বলে দাবি করেছে ড্রাগনের দেশ। অথচ এ মাসেই সীমান্ত সমস্যা নিয়ে বেজিং-থিম্পু ২৫তম রাউন্ডের বৈঠক হওয়ার কথা। তার আগেই ভূটানের জমিতে চিন অনুপ্রবেশে করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রসঙ্গত, অনেক দিন ধরেই ভুটানের পশ্চিম সেক্টরের ৩১৮ বর্গ কিলোমিটার এবং মধ্য সেক্টরের ৪৯৫ বর্গ কিলোমিটার নিজেদের বলে দাবি করছে চিন। ডোকলাম মালভূমির কিছু অংশও এর মধ্যে রয়েছে। সিকিম সীমান্ত লাগোয়া ভুটানের ওই ভূখণ্ডে ঢুকে লালফৌজ সামরিক পরিকাঠামো বানিয়েছে বলেও ভারতীয় সেনা এবং রয়্যাল ভুটান আর্মি সূত্রের খবর। তবে এই অনুপ্রবেশের ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। ২০১৭ সালের পর থেকেই পশ্চিম সেক্টরে ভুটানের পাঁচটি এলাকায় চিনা ফৌজের অনুপ্রবেশের খবর সামনে আসে। এর মধ্যে পূর্ব ভুটানের প্রায় ৪০ কিলোমিটার অন্দরে ঢুকে চুম্বি উপত্যকায় তারা রাস্তা এবং হেলিপ্যাড বানিয়েছে বলে অভিযোগ।

[আরও পড়ুন ; এবারও রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইট পৌঁছল না কক্ষপথে, একই বছরে চারবার ব্যর্থ বেজিং]

ভুটানের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, গত ১৩ এবং ২৪ আগস্ট তোর্সা নালার মূল ধারা  পার হয়ে ভুটানে ঢোকে চিনা সেনা। এর পর তারা দক্ষিণ ডোকলামে রাজা-রানি হ্রদের তীর থেকে ভুটানি পশুপালকদের তাড়িয়ে দেয়। চিনা বাহিনীর গতিবিধি দেখে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, তারা ঝাম্ফেরি গিরিশিরার গিয়েমোচেন পর্যন্ত এলাকা নিজেদের কবজায় আনতে চাইছে। এমনকী, আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভুটানের পূর্ব সেক্টরের সীমান্ত-লাগোয়া সাকতেং বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের মালিকানার দাবি তুলেছিল চিন। ভারত-সহ বেশ কয়েকটি দেশ ভুটানের পাশে দাঁড়ানোয় চিনের উদ্দেশ্য সিদ্ধ হয়নি।

[আরও পড়ুন ; লাহোরে সন্তানের সামনে ফ্রান্সের যুবতীকে গণধর্ষণ, নির্যাতিতাকেই দোষারোপ পাক পুলিশের]

সীমান্ত সমস্যা নিয়ে ১৯৮৪ সাল থেকে বেজিং-থিম্পু ২৪ রাউন্ড বৈঠক হয়েছে। চলতি বছরের গোড়াতে বৈঠকের কথা থাকলেও করোনা পরিস্থিতির জেরে তা পিছিয়ে যায়। এর মধ্যে ভুটানে একাধিকবার অনুপ্রবেশ করেছে লালফৌজ। প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে ডোকলামে ভারত ও চিনা সেনার টানা ৭৩ দিনের ‘স্ট্যান্ড অফ’ পর্বে নয়াদিল্লির পাশে ছিল ভুটান। তাই  ভারতের বন্ধুরাষ্ট্রের উপর এবার চাপ বাড়াতে নতুন কৌশল নিল চিন।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement