সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গরমে নাজেহাল তো? তাপমাত্রা বাড়ছে বিশ্বের, সেখবরও এখন পুরনো। নতুন খবরটা জানেন কি? পৃথিবীর মানচিত্রে গ্রীষ্মপ্রধান দেশ, বিশেষত, আফ্রিকা, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে তাপমাত্রা যেমন বাড়বে, তেমনই বাড়বে বৃষ্টিপাতের পরিমাণও। নাসার নতুন সমীক্ষা তেমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে। গ্রীষ্মপ্রধান দেশগুলিতে যত গরম বাড়বে, তার সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে বাড়বে বৃষ্টির পরিমাণ। বিজ্ঞানি হুই সু-এর করা এক সমীক্ষার রিপোর্ট বলছে, বেশ কয়েক বছর ধরেই এই অঞ্চলে ঘন মেঘের সঞ্চার হচ্ছে। মেঘের স্থানপরিবর্তনও বেশ লক্ষ্যণীয়।
[বই-খাতা নেই, দরজার গায়ে অনুশীলন করেই ৯১.৮ শতাংশ হাসিল ছাত্রীর]
বিশ্ব জুড়ে, এখনও পূঞ্জীভূত মেঘের পরিমাণের উপর বৃষ্টিপাতের পরিমাণ নির্ভর করে না। বৃষ্টি হওয়ার পিছনে অনেকাংশেই দায়ি পৃথিবীপৃষ্ঠে সূর্যের উত্তাপের জমাটবদ্ধতা। ভূপৃষ্ঠ থেকে সৌরকিরণের বিকিরণও বৃষ্টি হতে সাহায্য করে। যাকে রিপোর্টে বলা হচ্ছে এনার্জি বাজেট। গ্রীষ্মপ্রধান দেশের অতি উচ্চতাসম্পন্ন এলাকাগুলিতে মেঘের জমাট বাঁধার কারণে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। পর্যবেক্ষণে দেখা গিয়েছে, গত কয়েক দশক ধরে মেঘের গতিবিধিতে বেশ কিছুটা হেরফের হচ্ছে যা বৃষ্টিপাতের পরিমাণেও তারতম্য ঘটাচ্ছে। সেই পরিমাণ এবার বাড়তে শুরু করেছে বলে জানাচ্ছেন গবেষকরা।

মেঘের স্তরের ওপরের দিকে, জলীয় বাষ্প বরফ কণায় পরিণত হয়ে তাপমাত্রা ছেড়ে দেয়। ফলে উ্ত্তাপ বাড়ে নিচের দিকে থাকা মেঘের স্তরগুলিতে। গত ৩০-৪০ বছরে গ্রীষ্মপ্রধান দেশ সংলগ্ন এলাকায় মেঘের জমাটবদ্ধতার পরিসর কিন্তু বেশ কিছুটা কমেছে।
[চাপের মুখে সিনেমার টিকিটে ট্যাক্সের হার কমাল কেন্দ্র]
সে যাই হোক, বিজ্ঞানীরা থাকুন তাদের তত্বকথা নিয়ে, পর্যবেক্ষণ বা পরীক্ষা নিয়ে। আমরা শুধু জানি, এই প্রখর রোদ থেকে বাঁচতে বৃষ্টিই ভরসা। মেঘের ওপর মেঘ জমুক, ছায়া নামুক, অঝোরে বৃষ্টি হোক। গরমে গলে যাওয়ার আগে, এইটুকুই তো চাওয়া !
সর্বশেষ খবর
-
শাস্ত্রীর ভুল থেকে অভিষেকের বিশ্বরেকর্ড, শিরোনামে ভারত-ইংল্যান্ড টি-২০, জয়ের অপেক্ষা বাড়ল শ্রেয়সের
-
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের ভ্রুকূটি! কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, জারি ফিশারম্যান অ্যালার্ট!
-
‘নিজেকে বলিউডের বাপ ভাবলেই প্রভাব খাটানো যায় না’, সলমনকে চ্যালেঞ্জ প্রযোজকের
-
পাকিস্তানে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল ১২৫ বছরের গুরুদ্বার! তুঙ্গে বিতর্ক, কড়া নিন্দা ভারতের
-
ভূমিধসে বিপদ বাড়ছে উত্তরে, শিলিগুড়ি-সিকিম যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, বন্ধ জাতীয় সড়ক