Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২ অক্টোবর ২০২৬

‘যে কোনওদিন খুন হতে পারি’, করোনা গবেষকের মৃত্যু নিয়ে ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য

গবেষকের বাড়ির নিচে আরও একটি মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৭, ২০২০, ১১:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৭, ২০২০, ১১:০৫

options
link
‘যে কোনওদিন খুন হতে পারি’, করোনা গবেষকের মৃত্যু নিয়ে ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আমেরিকায় রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হল করোনা গবেষকের। প্রাণঘাতী এই ভাইরাস নিয়ে তিনি গবেষণা চালাচ্ছিলেন। ৩৭ বছর বয়সি ওই গবেষকের নাম বিং লিউ। পুলিশের অনুমান খুন করা হয়েছে তাঁকে। কারণ মৃত্যুর আগে তিনি খুবন হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। আর এই নিয়েই ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য।

রোজ টাউনশিপের নিজের অ্যাপার্টমেন্টেই মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় বিং লিউকে। তাঁর শরীরে গুলির চিহ্ন রয়েছে। তাঁর অ্যাপার্টমেন্টের নিচে গাড়ির মধ্যে পাওয়া যায় আরও এক ব্যক্তির মৃতদেহ। তাঁর নাম গাউ গু। বয়স আনুমানিক ৪৬ বছর। পুলিশের অনুমান, বিংকে খুন করে নিজে আত্মহত্যা করেন গাউ। কিন্তু এনিয়ে রহস্যের জট এখনও কাটেনি। গোটা ঘটনাটাই তদন্তসাপেক্ষ বলে জানিয়েছে পুলিশ। যদিও রহস্য ঘনীভূত হওয়ার প্রধানতম কারণ বিং ছিলেন করোনা গবেষক। পিটার্সবার্গ স্কুল অফ মেডিসিন ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপক ছিলেন তিনি। বর্তমানে তিনি বাড়ি থেকেই গবেষণার কাজ করছিলেন। এই ভাইরাস নিয়ে তিনি পড়াশোনা করছিলেন। ভাইরাসের প্রকৃতি, সংক্রমণের ধরন ও তার গতিপ্রকৃতি বদল নিয়ে অনেক তথ্যও একত্রিত করেছিলেন। গবেষণায় সাফল্যও আসছিল। আর এরপরই বিং লিউ আশঙ্কা প্রকাশ করেন, যে কোনও দিন খুন হতে পারেন তিনি। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ আরও পড়ুন: পার্ল হারবার, ৯/১১ হামলার চাইতেও ভয়াবহ আক্রমণ করোনার, মানলেন ট্রাম্প ]

তবে পুলিশের অনুমান গবেষকের খুনের সঙ্গে তাঁর গবেষণার কোনও সম্পর্ক নেই। কারণ তাঁর বাড়ি থেকে কিছুই চুরি যায়নি। বিংয়ের অসমাপ্ত কাজ শেষ করার চেষ্টা করা হবে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। একটি বিবৃতিতে, পিটসবার্গ স্কুল অফ মেডিসিন বিশ্ববিদ্যালয়ের লিউ’স বিভাগ তাঁকে অসাধারণ গবেষক এবং উদার পরামর্শদাতা বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর বিভাগীয় প্রধান ইভেত বাহার জানান, লিউ তাঁর গবেষণায় সবেমাত্র আকর্ষণীয় ফলাফল পেতে শুরু করেছিলেন। এনিয়ে তিনি লিউকে অনেক ইমেল করেছিলেন। কিন্তু তিনি নাকি একটিরও জবাব দেননি। তখনই খটকা লাগে বাহারের। তারপর লিউয়ের মৃতদের উদ্ধার করে পুলিশ।

[ আরও পড়ুন: যুদ্ধজয়ের ইঙ্গিত? করোনার প্রথম ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দাবি করল ইটালি ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.